1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০১:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নাহিদের জোড়া আঘাত, পাওয়ার প্লেতে নিউজিল্যান্ডকে চাপে রেখেছে বাংলাদেশ মঙ্গলবার এসএসসি পরীক্ষা শুরু, পরীক্ষার্থীদের মানতে হবে ১৪টি নির্দেশনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অ*ভি*যা*নে ‌দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রে’ফ’তা’র কেন্দুয়ায় ব্রি ধান ৮৮ বীজে মিশ্রণে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক: প্রতারণার অভিযোগ বীজ ব্যবসায়ির বিরুদ্ধে শতবর্ষের খাল দখলে বন্ধ পানিপ্রবাহ, জলাবদ্ধতায় চরম দুর্ভোগে ঈশ্বরগঞ্জের নাগরিকবৃন্দ কাজিপুর সরকারি মনসুর আলী কলেজে একাডেমিক ভবন ও ছাত্রাবাসের উদ্বোধন তারাগঞ্জে জ্বালানি সংকটে জনজীবন অতিষ্ঠ; ফুয়েল কার্ডে মিলছে না কাঙ্খিত সেবা মহাখালীতে রাজউকের নকশা তোয়াক্কা না করেই বহুতল ভবন: জননিরাপত্তা চরম ঝুঁকিতে বগুড়া সিটি করপোরেশন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের ব্যর্থতায় দেশ অনেকটা পিছিয়ে আছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

অনিয়মিত-উপস্থিতির বিষয়ে দুদকের অভিযান

সুমন চন্দ্র রায় 
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ২০২ বার পড়া হয়েছে
লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক ডাক্তারের অনিয়মিত উপস্থিতির অভিযোগে অভিযান চালিয়েছে দূর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বুধবার দুপুরে (৩১জানুয়ারি) দুপুরে দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত জেলা কার্যালয় কুড়িগ্রামের সহকারী পরিচালক খালিদ মাহমুদের নেতৃত্বে দুদকের ৬ সদস্যের একটি দল অভিযানে অংশ নেন।
কর্মকর্তারা উপস্থিত সাংবাদিকদের অভিযানের কারন জানাতে না চাইলেও উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বিষয়টি স্বীকার করে জানিয়েছেন, ওই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের শিশুরোগ বিষয়ক জুনিয়র কনসালটেন্ট ডা. শাহানা আফরিনের বিরুদ্ধে নিয়মিত হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উপস্থিত না থাকার অভিযোগে দুদক এ অভিযান পরিচালনা করেন। তবে ডা. শাহানা আফরিনের দাবী দাফতরিক আদেশেই তিনি সপ্তাহের শনিবার একদিন হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দায়িত্ব পালন করছেন। সপ্তাহের বাকি পাঁচদিন তিনি লালমনিরহাট জেলা সদর হাসপাতালে উপস্থিত থাকছেন।
ডা. শাহানা আরও বলেন, গত ডিসেম্বর মাসের ২৬ তারিখ থেকে দুই সপ্তাহের জন্য অসুস্থতার কারনে কর্মস্থলে যেতে পারিনি। সে কারণে অসুস্থতাজনিত ছুটির আবেদন দিয়েছি। পরবর্তীতে গত শনিবার থেকে নিয়মিত কর্মস্থলে যাচ্ছি। গত শনিবার আমি হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং এরপর থেকে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়মিত কাজ করছি।
এ ব্যাপারে হাতীবান্ধার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মুহাম্মদ হাসানুল জাহিদ বলেন, গত বছরের মার্চ মাসের পনের তারিখে ডা. শাহানা হাতীবান্ধায় সপ্তাহে একদিন দায়িত্ব পালনের জন্য দাপ্তরিক আদেশ পান। এরপর গত মাসে দু’সপ্তাহের ছুটিতে ছিলেন অসুস্থতার কারনে। এ ব্যাপারে দুদক কর্মকর্তারা তাঁর এবং অন্যান্য স্টাফদের দৈনিক হাজিরা বিষয়ক নথিপত্র সংগ্রহ করেছেন।
দুদকের কুড়িগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক খালিদ মাহমুদ বলেন, আমরা কমিশনের ইনফোর্সমেন্টের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের প্রেক্ষিতে হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অভিযান পরিচালনা করেছি। অভিযানে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট সকল নথিপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে। নথিপত্র পর্যালোচনা করে কমিশনে প্রতিবেদন জমা দেয়া হবে। কমিশন অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়টি প্রকাশ করবেন।
অভিযানকালে দুদকের কর্মকর্তারা হাসপাতালের বায়োমেট্রিক হাজিরা পদ্ধতি এবং স্বাক্ষর সম্বলিত হাজিরা খাতার বিভিন্ন বিষয় ছাড়াও  জরুরি বিভাগ, আউটডোর, বিভিন্ন ওয়ার্ডে রোগী ও তাদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে রোগীদের খাবারের মান, খাবারের তালিকা সংগ্রহসহ অন্যান্য তথ্য সংগ্রহ করেন। এসময় চিকিৎসাধীন থাকা রোগীরা হাসপাতালের সেবা পেতে পদে পদে ভোগান্তি পোহাতে হয় বলে অভিযোগ করেন।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com