1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চাঁদপুরে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ, তদন্তে উঠে এলো হ/ত্যা/র আলামত পাইকগাছা রিপোর্টার্স ইউনিটির আয়োজনে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ঝালকাঠির নলছিটিতে কিস্তির ঋণের চাপ সহ্য করতে না পেরে যুবকের আত্মহত্যা চাঁদপুরে কোস্ট গার্ডের অভিযানে প্রায় ৩৬ লক্ষ টাকার জাটকা জব্দ টেকনাফে র‍্যাবের ওপর হামলা, আহত ৯ ‎কুমারখালী প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহের ভালুকায় ২ নং মেদুয়ারী ইউনিয়নে সরকারি চাল বরাদ্দের অনিয়ম আসন্ন বকশীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জামায়াতের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এডভোকেট মাওলানা ইলিয়াস হোসাইন! জামালপুরে স্বামীকে গাছে বেঁধে স্ত্রীকে ধ*র্ষণ, ৩ জনের মৃ*ত্যুদণ্ড! ফরিদপুরে ৪ হাজার ই*য়া*বাসহ দুই মা-দক কার*বারি গ্রে*ফ*তার!

আগুনে পুড়ল ১৫ দোকান

ফাহিম মাহাদী
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ২৭০ বার পড়া হয়েছে
বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার ডেমাজানীতে ভয়াবহ আগুনে অন্তত ১৫টি দোকান পুড়ে গেছে। শনিবার রাত ১১টার দিকে ডেমাজানী স্কুল মার্কেটে পশ্চিম অংশ এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।অগ্নিকাণ্ডে কয়েক ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ভুক্তভোগীরা দাবি করেছেন।বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।পুলিশ ও ডেমাজানী স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রাত ১১টার দিকে হঠাৎ স্কুল মার্কেট ভেতরে একটি দোকানের ভেতর থেকে ধোঁয়া ও আগুন জ্বলতে দেখা যায়।

মুহূর্তের মধ্যে আগুন মার্কেটের ইলেকট্রনিক সামগ্রী, কম্পিউটার,বেকারি কনফেকশনারী, সেলুন ওষুধসহ বিভিন্ন পণ্যের দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে থানা ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে এসে দীর্ঘ প্রায় এক ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।ততক্ষণে আগুনে মার্কেটের অন্তত ২০টি দোকান পুড়ে যায়।এতে ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা দাবি করেছেন।ক্ষতিগ্রস্থ বেকারি ও কনফেকশনারি ব্যবসায়ী মইনুল ইসলাম বলেন, আমার দোকানের ২টি ফ্রিজ সহ সকল মালামাল পুড়ে গেছে। এতে প্রায় ৮/৯ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন।
শাজাহানপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশন কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুনের সূত্রপাত ও কোন দোকান থেকে প্রথমে আগুন ছড়িয়েছে তা জানা যায়নি। তদন্ত শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।এদিকে অগ্নিকাণ্ডে খবর পেয়ে শনিবার সকালে সকালে ক্ষতিগ্রস্ত দোকান পরিদর্শন করেন বগুড়া-০৭ (শাজাহানপুর-গাবতলী) আসনের সংসদ সদস্য ডাঃ মোস্তফা আলম নান্নু, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রভাষক সোহরাব হোসেন ছান্নু, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিদা আক্তার, থানার অফিসার ইনচার্জ পরিদর্শক শহিদুল ইসলাম।
অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত দোকান পরিদর্শন শেষে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যাবসায়ীদের সাথে দেখা করে কথা বলেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যাবসায়ীদের সান্তনা দিয়ে ধৈর্য ধরতে অনুরোধ জানান। তাৎক্ষণিক জেলা প্রশাসন থেকে দোকান প্রতি ২০ হাজার টাকা এবং উপজেলা পরিষদের থেকে ১০ হাজার টাকা ক্ষতি পূরণ দেন।এছাড়াও ক্ষতিগ্রস্থ পাশে থাকবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।এসময় উপস্থিত ছিলেন আমরুল ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম, আমরুল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ছানাউল হক ছানা, সাধারণ সম্পাদক মোমিনুল হক মুক্তা সহ বিভিন্ন কর্মকর্তা ও গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঝিনাইদহে পানির দরে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ, ঋণের দায়ে ঘরছাড়া হওয়ার আতঙ্কে কৃষকমাকসুদুল হক, ঝিনাইদহ- ১১ মার্চ, মঙ্গলবার ঝিনাইদহের বেশিরভাগ কৃষক এনজিও বা মহাজনের কাছ থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে পেঁয়াজ চাষ করেছেন। এখন সেই ঋণের কিস্তি শোধ করার চাপে তারা অনেকটা বাধ্য হয়েই লোকসানে ফসল বিক্রি করছেন। পবিত্র রমজান ও সামনে ঈদ। পরিবারের নতুন পোশাক কেনা তো দূরের কথা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতেই হিমশিম খাচ্ছেন তারা। ঝিনাইদহের মাঠজুড়ে এখন পেঁয়াজ তোলার কর্মযজ্ঞ। জেলার শৈলকূপা ও হরিণাকুণ্ডু উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠে মাঠে আগাম জাতের পেঁয়াজ উত্তোলনে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। বাজারে পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ এর অর্ধেক ঘরে আসছে। কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলায় এ বছর রেকর্ড প্রায় ১৩ হাজার হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষ হয়েছে, যা থেকে প্রায় দেড় লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে হরিণাকুণ্ডু উপজেলাতে ২৫০০ হেক্টর জমিতে এবার পেঁয়াজের ব্যাপক ফলন হয়েছে। কিন্তু পেঁয়াজের বর্তমান দামে চাষীর কপালে চিন্তার ভাঁজ। প্রতি মণে উৎপাদন খরচ ১৫০০ টাকার বেশি হলেও বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৭০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে। সরেজমিনে বিভিন্ন মাঠ ও হাট ঘুরে দেখা যায়, চাষিরা দল বেঁধে জমি থেকে পেঁয়াজ তুলছেন। কেউ পরিষ্কার করছেন, কেউ বা বস্তাবন্দি করে হাটে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায় এক চরম সত্য—পেঁয়াজ চাষে যে পরিমাণ হাড়ভাঙা খাটুনি আর অর্থ ব্যয় হয়েছে, বর্তমান বাজার দরে তার অর্ধেকও উঠে আসছে না। সার, বীজ, সেচ আর শ্রমিকের মজুরি মিলিয়ে উৎপাদন খরচ আকাশচুম্বী হলেও হাটে গিয়ে পেঁয়াজ বিক্রি করতে হচ্ছে পানির দরে। চাষিদের অভিযোগ। বর্তমানে পেঁয়াজ উত্তোলনের ভরা মৌসুম হওয়ায় সব কৃষক একসাথে পেঁয়াজ বাজারে নিয়ে আসছেন। হাটে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কয়েকগুণ বেশি হওয়ায় দাম কমে গেছে । ভরা মৌসুমে পেঁয়াজ আমদানির ফলে স্থানীয় বাজারের দেশি পেঁয়াজের কদর কমছে। পাইকাররা আমদানিকৃত পেঁয়াজের দোহাই দিয়ে দেশি পেঁয়াজের দাম কমিয়ে রাখছেন । স্থানীয় পর্যায়ে পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত হিমাগার নেই। ফলে পচে যাওয়ার ভয়ে এবং ঋণের কিস্তি শোধের চাপে কৃষকরা পানির দরেই পেঁয়াজ ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন । প্রান্তিক চাষি ও পাইকারি বাজারের মাঝখানে থাকা আড়তদার ও মধ্যস্বত্বভোগীদের একটি বড় অংশ বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। হরিণাকুণ্ডুর কৃষকরা বলছেন, বীজ, সার ও শ্রমিকের যে আকাশচুম্বী দাম, সেই তুলনায় বাজারের এই দর তাদের পথে বসিয়ে দেবে। বিশেষ করে সামনে রমজান ও ঈদ থাকায় পরিবারের বাড়তি খরচ মেটাতে তারা চরম সংকটে পড়েছেন। কৃষকদের দাবি, পেঁয়াজ আমদানি সাময়িকভাবে স্থগিত রেখে এবং সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে সরকারিভাবে পেঁয়াজ সংগ্রহের ব্যবস্থা করলে এই সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব। অন্যথায় লোকসানের ভারে ধসে পড়বে এই অঞ্চলের কৃষি অর্থনীতি।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com