1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ১১:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চাঁদপুরে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ, তদন্তে উঠে এলো হ/ত্যা/র আলামত পাইকগাছা রিপোর্টার্স ইউনিটির আয়োজনে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ঝালকাঠির নলছিটিতে কিস্তির ঋণের চাপ সহ্য করতে না পেরে যুবকের আত্মহত্যা চাঁদপুরে কোস্ট গার্ডের অভিযানে প্রায় ৩৬ লক্ষ টাকার জাটকা জব্দ টেকনাফে র‍্যাবের ওপর হামলা, আহত ৯ ‎কুমারখালী প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহের ভালুকায় ২ নং মেদুয়ারী ইউনিয়নে সরকারি চাল বরাদ্দের অনিয়ম আসন্ন বকশীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জামায়াতের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এডভোকেট মাওলানা ইলিয়াস হোসাইন! জামালপুরে স্বামীকে গাছে বেঁধে স্ত্রীকে ধ*র্ষণ, ৩ জনের মৃ*ত্যুদণ্ড! ফরিদপুরে ৪ হাজার ই*য়া*বাসহ দুই মা-দক কার*বারি গ্রে*ফ*তার!

আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস উদযাপন

জনশিপন বাড়ৈ
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৪৯৪ বার পড়া হয়েছে
আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস একটি বাৎসরিক আন্তর্জাতিক দিবস যা প্রতি বছর ২৪ জানুয়ারীতে অনুষ্ঠিত হয় এবং এটি শিক্ষার জন্য উৎসর্গ করা হয়েছে।৩ ডিসেম্বর ২০১৮, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ শিক্ষায় বিশ্বব্যাপী শান্তি ও টেকসই উন্নয়নের ভূমিকা রাখার লক্ষ্যে ২৪ জানুয়ারিকে আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। কম্প্যাশন ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ।”আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস এবং চল স্কুলে যাই ক্যাম্পেইন -২০২৪ পালন করার নির্দেশ প্রদান করেন, “মধ্য ও দক্ষিণ বাংলাদেশ শিশু উন্নয়ন প্রকল্প “ও “মধ্য ও উত্তর বাংলাদেশ শিশু উন্নয়ন প্রকল্পকে” তারি ধারাবাহিকতায় গোপালগঞ্জ, রঘুনাথপর, চরপাড়ায়,মধ্য ও দক্ষিণ বাংলাদেশ শিশু উন্নয়ন প্রকল্প,বিডি০৩১৯,রঘুনাথপুর উৎযাপন হলো “আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস” সেই হিসাবে এবছর ৬ষ্ঠ বারের মতো আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস দিনটি আমাদের শিক্ষা কার্যক্রমে আরো অর্থপূর্ণ  করতে সহায়তা করে। এরই ধারাবাহিতায় একই সময়ে কম্প্যাশন ইন্টারন্যাশনাল এর নিয়মিত “চল স্কুলে যাই” ক্যাম্পেইন মাসব্যাপী উদযাপিত হচ্ছে।
চলো স্কুলে যাই,ক্যাম্পেইন  এর প্রতি বছরই একটি মূলসূর থেকে থাকে। এই বছর চলো স্কুলে যাই এর মূল প্রতিপাদ্য হলো -“টেকসই  উন্নয়নের জন্য শিখনঃ- টেকসই উন্নয়ন হলো একটি সাংগঠনিক নীতি যার লক্ষ্য  মানব উন্নয়ন লক্ষ্য পূরনের পাশাপাশি প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাকে সহনশীল রেখে মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় প্রকৃতিক সম্পদ  এবং বাস্তু সেবা প্রদান করা। এ ছাড়াও আরো অনেক বিষয় প্রকল্পের ব্যবস্থাপক মি.সন্তোষ দাস শিশুদের উদ্দেশ্য বলেন। আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস  ও চলো স্কুলে যাই ক্যাম্পেইন পালনের মূল লক্ষ্য হলো ৬ বছরের উর্দ্ধে সকল শিশুর বিদ্যালয়ে ভর্তি নিশ্চিত করা।এছাড়াও এই দিনের শ্লোগান হলো-“শিক্ষার শক্তি,সুশিক্ষায় মুক্তি”
সুশিক্ষিত হবো,নিজের জগত, নিজেই গড়বো।
উক্ত স্লোগান এর মধ্য দিয়ে  ৬ষ্ঠ বারের মতো আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস এবং চলো স্কুলে যাই ক্যাম্পেইন সমাপ্তি করা হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, “মধ্য ও দক্ষিণ বাংলাদেশ শিশু উন্নয়ন প্রকল্প,বিডি০৩১৯ এর ৬-২২ বছরের শিশু এবং সকল কর্মীবৃন্দু।
অর্থায়নেঃ কম্প্যাশন ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ(CIB)
পরিচালনায়ঃবাংলাদেশ ন্যাজ্যারীণ মিশন(BNM)
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঝিনাইদহে পানির দরে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ, ঋণের দায়ে ঘরছাড়া হওয়ার আতঙ্কে কৃষকমাকসুদুল হক, ঝিনাইদহ- ১১ মার্চ, মঙ্গলবার ঝিনাইদহের বেশিরভাগ কৃষক এনজিও বা মহাজনের কাছ থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে পেঁয়াজ চাষ করেছেন। এখন সেই ঋণের কিস্তি শোধ করার চাপে তারা অনেকটা বাধ্য হয়েই লোকসানে ফসল বিক্রি করছেন। পবিত্র রমজান ও সামনে ঈদ। পরিবারের নতুন পোশাক কেনা তো দূরের কথা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতেই হিমশিম খাচ্ছেন তারা। ঝিনাইদহের মাঠজুড়ে এখন পেঁয়াজ তোলার কর্মযজ্ঞ। জেলার শৈলকূপা ও হরিণাকুণ্ডু উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠে মাঠে আগাম জাতের পেঁয়াজ উত্তোলনে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। বাজারে পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ এর অর্ধেক ঘরে আসছে। কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলায় এ বছর রেকর্ড প্রায় ১৩ হাজার হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষ হয়েছে, যা থেকে প্রায় দেড় লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে হরিণাকুণ্ডু উপজেলাতে ২৫০০ হেক্টর জমিতে এবার পেঁয়াজের ব্যাপক ফলন হয়েছে। কিন্তু পেঁয়াজের বর্তমান দামে চাষীর কপালে চিন্তার ভাঁজ। প্রতি মণে উৎপাদন খরচ ১৫০০ টাকার বেশি হলেও বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৭০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে। সরেজমিনে বিভিন্ন মাঠ ও হাট ঘুরে দেখা যায়, চাষিরা দল বেঁধে জমি থেকে পেঁয়াজ তুলছেন। কেউ পরিষ্কার করছেন, কেউ বা বস্তাবন্দি করে হাটে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায় এক চরম সত্য—পেঁয়াজ চাষে যে পরিমাণ হাড়ভাঙা খাটুনি আর অর্থ ব্যয় হয়েছে, বর্তমান বাজার দরে তার অর্ধেকও উঠে আসছে না। সার, বীজ, সেচ আর শ্রমিকের মজুরি মিলিয়ে উৎপাদন খরচ আকাশচুম্বী হলেও হাটে গিয়ে পেঁয়াজ বিক্রি করতে হচ্ছে পানির দরে। চাষিদের অভিযোগ। বর্তমানে পেঁয়াজ উত্তোলনের ভরা মৌসুম হওয়ায় সব কৃষক একসাথে পেঁয়াজ বাজারে নিয়ে আসছেন। হাটে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কয়েকগুণ বেশি হওয়ায় দাম কমে গেছে । ভরা মৌসুমে পেঁয়াজ আমদানির ফলে স্থানীয় বাজারের দেশি পেঁয়াজের কদর কমছে। পাইকাররা আমদানিকৃত পেঁয়াজের দোহাই দিয়ে দেশি পেঁয়াজের দাম কমিয়ে রাখছেন । স্থানীয় পর্যায়ে পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত হিমাগার নেই। ফলে পচে যাওয়ার ভয়ে এবং ঋণের কিস্তি শোধের চাপে কৃষকরা পানির দরেই পেঁয়াজ ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন । প্রান্তিক চাষি ও পাইকারি বাজারের মাঝখানে থাকা আড়তদার ও মধ্যস্বত্বভোগীদের একটি বড় অংশ বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। হরিণাকুণ্ডুর কৃষকরা বলছেন, বীজ, সার ও শ্রমিকের যে আকাশচুম্বী দাম, সেই তুলনায় বাজারের এই দর তাদের পথে বসিয়ে দেবে। বিশেষ করে সামনে রমজান ও ঈদ থাকায় পরিবারের বাড়তি খরচ মেটাতে তারা চরম সংকটে পড়েছেন। কৃষকদের দাবি, পেঁয়াজ আমদানি সাময়িকভাবে স্থগিত রেখে এবং সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে সরকারিভাবে পেঁয়াজ সংগ্রহের ব্যবস্থা করলে এই সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব। অন্যথায় লোকসানের ভারে ধসে পড়বে এই অঞ্চলের কৃষি অর্থনীতি।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com