1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বিএনপি নেতা আহত, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ উর্দুভাষী বাংলাদেশিদের পুনর্বাসন নিয়ে ভাবছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী ইসরায়েলি কায়দায় ছাত্রদলের আদুভাইয়েরা হলের সিট দখল করছেন: ডাকসু নেতা মুসাদ্দিক বাল্যবিবাহে না বলায় স্কুলছাত্রী তহমিনাকে জেলা প্রশাসকের ‘কন্যা সাহসিকতা’ সম্মাননা কেন্দুয়ায় জমির বিরোধে সংঘর্ষ :১ নারী নিহত ঢাকার প্রথম নারী ডিসি ফরিদা খানম সংরক্ষিত আসনের নির্বাচন এনসিপি নেত্রী তাবাসসুমের মনোনয়নপত্রও বাতিল তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ ও যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার : শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে ছুরিকাঘাত: নদীতে ঝাঁপ দিয়েও রক্ষা পেল না আসামী, নিয়ামতপুরে একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যা: জমিজমা বিরোধের সূত্র, জিজ্ঞাসাবাদে ৫ জন

উখিয়া রেঞ্জের দোছড়ি বন বিট কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাজ্জাদুজ্জামান সজল হত্যার প্রতিবাদে খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

সাদ্দাম হোসেন সাজ্জাদ
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৪
  • ২৪১ বার পড়া হয়েছে

কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের উখিয়া রেঞ্জের দোছড়ি বন বিট কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাজ্জাদুজ্জামান সজল হত্যার প্রতিবাদে খুনিদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবিতে জলবায়ু ও পরিবেশ বিষয়ক সংগঠন ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা) ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান এইড ইন্টারন্যাশনাল উখিয়া উপজেলার কমিটির যৌথ উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

৬ এপ্রিল ২০২৪ শনিবার দুপুর ২ টা ৩০ মিনিটের সময়  উখিয়া কোর্টবাজার নতুন অরিজিন হাসপাতালের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

জলবায়ু ও পরিবেশ বিষয়ক সংগঠন ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা) এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান এইড ইন্টারন্যাশনাল উখিয়া উপজেলা কমিটির সভাপতি সেনোয়ারা আক্তার সানির সভাপতিত্বে সদস্য সচিব খোরশেদ আলমের সঞ্চালনায় এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন,ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা’র) যুগ্ন-আহবায়ক ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান এইড ইন্টারন্যাশনাল উখিয়া উপজেলা কমিটির সাধারন সম্পাদক রাহেলা আকতার।

প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,ধরিত্রী রক্ষায় আমরা ‘ধরা’ কক্সবাজার জেলার আহব্বায়ক
ও কক্সবাজার জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা ফজল কাদের চৌধুরী।

বক্তব্য রাখেন,ধরিত্রী রক্ষায় আমরা ‘ধরা’ কক্সবাজার জেলার যুগ্ন-আহবায়ক এইচএম ফরিদুল আলম শাহীন,তৌহিদুল বেলাল,সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর আলম,উখিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা শফিউল আলম গাজী,টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি, ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা) ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান এইড ইন্টারন্যাশনাল টেকনাফ উপজেলা শাখার সভাপতি নুরুল হোসাইন,বীট কর্মকর্তা ছৈয়দ আলম,সংবাদকর্মী রাশেদ নুর।

উপস্থিত আছেন,কক্সবাজার জেলা প্রেসক্লাবের
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ আমিন, হিউম্যান এইড ইন্টারন্যাশনাল উখিয়া কমিটির  সাংগঠনিক সম্পাদক সালেহ আহমদ,সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আকতার হোসেন,  প্রচার সম্পাদক সালা উদ্দিন,ধরা কমিটির সদস্য জিন্নাতুন নেছাসহ অসংখ্য নেতাকর্মী।

বক্তারা বলেন, মো. সাজাদুজ্জামানের মতো একজন সৎ, চৌকস বন কর্মকর্তাকে হত্যা করেছে। তারা দেশের আইনকে তোয়াক্কা না করে বন-পাহাড় ধ্বংস করেই চলছে। পরিবেশ রক্ষা করতে গিয়ে আমরা আর কোনো হত্যাকাণ্ড দেখতে চাই না। ঘটনার সাথে জড়িত হত্যাকারীদের তদন্তপূর্বক দ্রুত আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com