1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ০৫:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঝিনাইদহে পানির দরে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ, ঋণের দায়ে ঘরছাড়া হওয়ার আতঙ্কে কৃষকমাকসুদুল হক, ঝিনাইদহ- ১১ মার্চ, মঙ্গলবার ঝিনাইদহের বেশিরভাগ কৃষক এনজিও বা মহাজনের কাছ থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে পেঁয়াজ চাষ করেছেন। এখন সেই ঋণের কিস্তি শোধ করার চাপে তারা অনেকটা বাধ্য হয়েই লোকসানে ফসল বিক্রি করছেন। পবিত্র রমজান ও সামনে ঈদ। পরিবারের নতুন পোশাক কেনা তো দূরের কথা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতেই হিমশিম খাচ্ছেন তারা। ঝিনাইদহের মাঠজুড়ে এখন পেঁয়াজ তোলার কর্মযজ্ঞ। জেলার শৈলকূপা ও হরিণাকুণ্ডু উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠে মাঠে আগাম জাতের পেঁয়াজ উত্তোলনে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। বাজারে পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ এর অর্ধেক ঘরে আসছে। কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলায় এ বছর রেকর্ড প্রায় ১৩ হাজার হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষ হয়েছে, যা থেকে প্রায় দেড় লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে হরিণাকুণ্ডু উপজেলাতে ২৫০০ হেক্টর জমিতে এবার পেঁয়াজের ব্যাপক ফলন হয়েছে। কিন্তু পেঁয়াজের বর্তমান দামে চাষীর কপালে চিন্তার ভাঁজ। প্রতি মণে উৎপাদন খরচ ১৫০০ টাকার বেশি হলেও বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৭০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে। সরেজমিনে বিভিন্ন মাঠ ও হাট ঘুরে দেখা যায়, চাষিরা দল বেঁধে জমি থেকে পেঁয়াজ তুলছেন। কেউ পরিষ্কার করছেন, কেউ বা বস্তাবন্দি করে হাটে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায় এক চরম সত্য—পেঁয়াজ চাষে যে পরিমাণ হাড়ভাঙা খাটুনি আর অর্থ ব্যয় হয়েছে, বর্তমান বাজার দরে তার অর্ধেকও উঠে আসছে না। সার, বীজ, সেচ আর শ্রমিকের মজুরি মিলিয়ে উৎপাদন খরচ আকাশচুম্বী হলেও হাটে গিয়ে পেঁয়াজ বিক্রি করতে হচ্ছে পানির দরে। চাষিদের অভিযোগ। বর্তমানে পেঁয়াজ উত্তোলনের ভরা মৌসুম হওয়ায় সব কৃষক একসাথে পেঁয়াজ বাজারে নিয়ে আসছেন। হাটে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কয়েকগুণ বেশি হওয়ায় দাম কমে গেছে । ভরা মৌসুমে পেঁয়াজ আমদানির ফলে স্থানীয় বাজারের দেশি পেঁয়াজের কদর কমছে। পাইকাররা আমদানিকৃত পেঁয়াজের দোহাই দিয়ে দেশি পেঁয়াজের দাম কমিয়ে রাখছেন । স্থানীয় পর্যায়ে পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত হিমাগার নেই। ফলে পচে যাওয়ার ভয়ে এবং ঋণের কিস্তি শোধের চাপে কৃষকরা পানির দরেই পেঁয়াজ ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন । প্রান্তিক চাষি ও পাইকারি বাজারের মাঝখানে থাকা আড়তদার ও মধ্যস্বত্বভোগীদের একটি বড় অংশ বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। হরিণাকুণ্ডুর কৃষকরা বলছেন, বীজ, সার ও শ্রমিকের যে আকাশচুম্বী দাম, সেই তুলনায় বাজারের এই দর তাদের পথে বসিয়ে দেবে। বিশেষ করে সামনে রমজান ও ঈদ থাকায় পরিবারের বাড়তি খরচ মেটাতে তারা চরম সংকটে পড়েছেন। কৃষকদের দাবি, পেঁয়াজ আমদানি সাময়িকভাবে স্থগিত রেখে এবং সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে সরকারিভাবে পেঁয়াজ সংগ্রহের ব্যবস্থা করলে এই সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব। অন্যথায় লোকসানের ভারে ধসে পড়বে এই অঞ্চলের কৃষি অর্থনীতি। বাগাতিপাড়ায় পূর্ব শত্রুতার জেরে কৃষকের ওপরে সশস্ত্র হামলা পিরোজপুরে অসহায় পরিবারের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ ‘স্টপ দ্য স্টিগমা ২.০’ কর্মসূচি: দৌলতখানে মাসিক স্বাস্থ্য ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সাংবাদিকদের সাথে সাজেদা ফাউন্ডেশনের অ্যাডভোকেসি কর্মশালা। পানি উন্নয়ন বোর্ডের উদাসীনতায় মরতে বসেছে বলেশ্বর নদী, পানির সংকটে ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট বন্ধের আশঙ্কা বাঁশখালী শীলকূপ ইউনিয়নে জামায়াতের নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত! লাইলাতুল কদর,মানব জাতির জন্য এক মহামূল্যবান রাত কুষ্টিয়ায় শব্দ দূষণের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান, জরিমানা ৯ হাজার হাতীবান্ধা বিএনপি নেতা ও তাদের স্ত্রীর সাথে সমন্বয় করে ত্রাণ বিতরণের নির্দেশনা ইউএনও’র ! ফিলিস্তিনের যুদ্ধবিধ্বস্ত ১৫ পরিবারের মাঝে ইফতার ও সেহরি বিতরণ

কক্সবাজার-৪(উখিয়া-টেকনাফ) আসেন নৌকা ডুবাতে চায় টেকনাফ উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি-জামাত বিএনপির সাথে আতাত করে সংবাদ সম্মেলনে সাবেক সংসদ বদি

সাদ্দাম হোসেন সাজ্জাদ
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ২৩০ বার পড়া হয়েছে

উখিয়া টেকনাফে জামাত বিএনপির সাথে আঁতাত করে নৌকা নৌকা ডুবাতে মরিয়া টেকনাফ উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আলহাজ্ব নুরুল বশর ও সাধারন সম্পাদক মাহাবুব মোর্শেদ।গতকাল সাংবাদিক সম্মেলনে কক্সবাজার-৪ আসনের সাবেক সাংসদ ও পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুর রহমান বদি এমনি অভিযোগ করেন ।

কক্সবাজার-৪(উখিয়া টেকনাফ) আসনে নৌকা প্রার্থী হিসেবে শাহিন আক্তার চৌধুরীকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা মনোনয়ন দিয়েছেন। তিনি মনোনয়ন নিয়ে আসার পরে মাঠে ময়দানে দেখা যায়,সারা জীবন দলের পদ পদবী ব্যবহার করে চাঁদাবাজি-দূর্নীতি করে এবার নৌকার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন টেকনাফ উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব নুরুল বছর ও সাধারণ সম্পাদক মাহবুব মোর্শেদ ও শীর্ষ নেতারা। জামায়াত-বিএনপির সাথে আতাত করে নৌকার পরিবর্তন করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। এতে পরিস্কার বুঝা যাচ্ছে তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নৌকার পরিবর্তন চায়।

উখিয়া টেকনাফে জামাত বিএনপির সাথে আঁতাত করে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল বছর ষড়যন্ত্র নৌকার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। টেকনাফ উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব নূরুল বছর জামাত শিবিরের ক্যাডার ছিলেন। এটা ছাত্রজীবনে সকলেই জানে। আজকে তিনি বিএনপির জামাতের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করে তিনি নৌকার পরিবর্তন চাচ্ছেন। নৌকার পরিবর্তন চাওয়া মানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিবর্তন চাওয়া। তাদের সাথে যোগ দিয়েছেন টেকনাফ উপজেলা যুবলীগের সভাপতি নুরুল আলম,সাধারণ সম্পাদক ফজলুল কবির চৌধুরী ও পৌর যুবলীগের সভাপতি রেজাউল করিম ধইল্যা, সাধারন সম্পাদক মোঃ আব্দুল্লাহ ও উপজেলা ছাত্রলীগের কিছু অংশ। তারা যাদেরকে যুবলীগ করালেন পবিত্র কোরআন শরীফ ধরিয়ে তাদের জন্য কিন্তু নৌকার জন্য নয়। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ নুরুল বশর ও সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব মোর্শেদ নৌকার নাম ধরে পদ পদবী ব্যবহার করে তাদেরকে কুরআন শরীফ ধরে নৌকার পক্ষে কাজ করার জন্য নয় নৌকার বিপক্ষে কাজ করার জন্য সংগঠন করেছেন। যাহা টেকনাফবাসী জানে। সাংবাদিক সম্মেলনে কক্সবাজার-৪ আসনের সাবেক সাংসদ ও পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুর রহমান বদি আরো বলেন, আমি সাংবাদিক ভাইদের প্রতি অনুরোধ করব আপনারা বস্তু নিষ্ঠুর সংবাদটুকু যাচাই বাচাই করে প্রতিবেদন করার জন্য।

গত ২৪ ডিসেম্বর রবিবার সকাল ১১ ঘটিকার সময় টেকনাফ পাইলট হাইস্কুলের হলরুমে বিশেষ বর্ধিত সভা করে টেকনাফ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল বশর ও সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব মোর্শেদ। তারা দুইজনে এ বর্ধিত সভাতে পৌর আওয়ামীলীগের কোন নেতা কর্মী আমন্ত্রণ করেন নাই। আমরা বুঝে নিয়েছি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে নৌকার বিরুদ্ধে ঈগল পাখি নাম ব্যবহার করে ভোট চাচ্ছে। এমনকি জামাত বিএনপি উস্কানি দিয়ে তাদেরকে নৌকার বিরুদ্ধে প্রচার-প্রচারনা করে যাচ্ছেন।বর্তমানে যারা আওয়ামী লীগ করে তারা কিন্তু প্রকৃত আওয়ামী লীগ নয় পবিত্র কোরআন শরীফ ধরা আওয়ামী লীগ। তাদের বিষয়ের উপরের নেতৃবৃন্দের কাছে অভিযোগ করা হয়েছে।

টেকনাফ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব নুরুল বশর ও সাধারণ সম্পাদক মাহবুব মোর্শেদ তারা দুই জনেই নৌকার পক্ষে ভোট না দেওয়ার জন্য ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে এমনকি জামাত বিএনপির সাথে আতাত করে নৌকার পরিবর্তন চাই। তারা দুই জনেই আওয়ামীলীগকে ধ্বংস করতে চাই কিন্তু তারা প্রকৃত আওয়ামীলীগ নয়। দলের মধ্যে কারা মোনাফেক তাদেরকে চিহ্নিত করা হয়েছে। যারা বছরের পর বছর বলে যাচ্ছে নৌকা যার আমরা তার। এখন বলে ঈগল পাখি। সারা বছর প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ব্যবহার করে চাঁদাবাজি করেছে।

এসময় বদি বলেন, ‘দলীয় সভা দেখে উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি-সাধারন সম্পাদক নৌকার বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে নেতাকর্মীদের মাঠে নৌকার বিপক্ষে কাজ করতে নির্দেশ দিয়েছেন। এমন ঘটনা নজীর বিহীন। জমায়াত-বিএনপির সাথে আতাত করে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে সড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে ভোট কেন্দ্রে মানুষ উপস্থিত না হতেও প্রচারনা চালাচ্ছে তারা। এমনকি যুবলীগ-ছাত্রলীগও নৌকার ডুবানোর জন্য শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। মানুষ বুঝতে পেরেছে তারা কেমন আওয়ামী লীগ। মূলত তার দলে ঘাপটি মেরে থাকা মীরজাফার।

২৫ ডিসেম্বর সকালে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার প্রার্থীকে বিজয়ীর লক্ষ্যে কক্সবাজারের টেকনাফ পৌর আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় এমন অভিযোগ করেন পৌর আ’লীগের সভাপতি ও সাবেক এমপি আব্দুর রহমান বদি। সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলম বাহাদুরের পরিচালনায় সহ-সভাপতি ও পৌর মেয়র মোঃ ইসলামসহ পৌর আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।এবার নৌকার জয়ে হলে আমরা সীমান্ত এলাকাকে মাদক মুক্তসহ সকল বেকারত্ব যুবকদের চাকরীর ব্যবস্থা করা হবে। এদিকে কক্সবাজার-৪ আসনে আবারো আওয়ামী লীগের প্রার্থী বর্তমান এমপি শাহীন আক্তার। তিনি এই আসনের সাবেক এমপি আবদুর রহমান বদির স্ত্রী। এছাড়া আরো বেশ কয়েকটি দলের প্রার্থী থাকলেও আদালতের আদেশে প্রার্থিতা ফিরে পেয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল বশর এ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী (ঈগল) নিয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল বশর ভোটের মাঠে শাহীনকে চ্যালেঞ্জ করতে নামেন । এছাড়া জাতীয় পার্টির নুরুল আমিন ভুট্টো (লাঙ্গল), ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) ফরিদুল আলম (আম), তৃণমূল বিএনপির মুজিবুল হক মুজিব (সোনালী আঁশ), ইসলামী ঐক্যজোটের মোহাম্মদ ওসমান গনি চৌধুরী (মিনার), বাংলাদেশ কংগ্রেসের মোহাম্মদ ইসমাইল (ডাব)। এই আসনের ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ২৬ হাজার ৯৭১জন। এর মধ্য ১ লাখ ৬৭ হাজার ১৪১ পুরুষ, ১ লাখ ৫৯ হাজার ৮২৮ নারী এবং ২ জন হিজড়া।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঝিনাইদহে পানির দরে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ, ঋণের দায়ে ঘরছাড়া হওয়ার আতঙ্কে কৃষকমাকসুদুল হক, ঝিনাইদহ- ১১ মার্চ, মঙ্গলবার ঝিনাইদহের বেশিরভাগ কৃষক এনজিও বা মহাজনের কাছ থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে পেঁয়াজ চাষ করেছেন। এখন সেই ঋণের কিস্তি শোধ করার চাপে তারা অনেকটা বাধ্য হয়েই লোকসানে ফসল বিক্রি করছেন। পবিত্র রমজান ও সামনে ঈদ। পরিবারের নতুন পোশাক কেনা তো দূরের কথা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতেই হিমশিম খাচ্ছেন তারা। ঝিনাইদহের মাঠজুড়ে এখন পেঁয়াজ তোলার কর্মযজ্ঞ। জেলার শৈলকূপা ও হরিণাকুণ্ডু উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠে মাঠে আগাম জাতের পেঁয়াজ উত্তোলনে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। বাজারে পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ এর অর্ধেক ঘরে আসছে। কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলায় এ বছর রেকর্ড প্রায় ১৩ হাজার হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষ হয়েছে, যা থেকে প্রায় দেড় লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে হরিণাকুণ্ডু উপজেলাতে ২৫০০ হেক্টর জমিতে এবার পেঁয়াজের ব্যাপক ফলন হয়েছে। কিন্তু পেঁয়াজের বর্তমান দামে চাষীর কপালে চিন্তার ভাঁজ। প্রতি মণে উৎপাদন খরচ ১৫০০ টাকার বেশি হলেও বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৭০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে। সরেজমিনে বিভিন্ন মাঠ ও হাট ঘুরে দেখা যায়, চাষিরা দল বেঁধে জমি থেকে পেঁয়াজ তুলছেন। কেউ পরিষ্কার করছেন, কেউ বা বস্তাবন্দি করে হাটে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায় এক চরম সত্য—পেঁয়াজ চাষে যে পরিমাণ হাড়ভাঙা খাটুনি আর অর্থ ব্যয় হয়েছে, বর্তমান বাজার দরে তার অর্ধেকও উঠে আসছে না। সার, বীজ, সেচ আর শ্রমিকের মজুরি মিলিয়ে উৎপাদন খরচ আকাশচুম্বী হলেও হাটে গিয়ে পেঁয়াজ বিক্রি করতে হচ্ছে পানির দরে। চাষিদের অভিযোগ। বর্তমানে পেঁয়াজ উত্তোলনের ভরা মৌসুম হওয়ায় সব কৃষক একসাথে পেঁয়াজ বাজারে নিয়ে আসছেন। হাটে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কয়েকগুণ বেশি হওয়ায় দাম কমে গেছে । ভরা মৌসুমে পেঁয়াজ আমদানির ফলে স্থানীয় বাজারের দেশি পেঁয়াজের কদর কমছে। পাইকাররা আমদানিকৃত পেঁয়াজের দোহাই দিয়ে দেশি পেঁয়াজের দাম কমিয়ে রাখছেন । স্থানীয় পর্যায়ে পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত হিমাগার নেই। ফলে পচে যাওয়ার ভয়ে এবং ঋণের কিস্তি শোধের চাপে কৃষকরা পানির দরেই পেঁয়াজ ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন । প্রান্তিক চাষি ও পাইকারি বাজারের মাঝখানে থাকা আড়তদার ও মধ্যস্বত্বভোগীদের একটি বড় অংশ বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। হরিণাকুণ্ডুর কৃষকরা বলছেন, বীজ, সার ও শ্রমিকের যে আকাশচুম্বী দাম, সেই তুলনায় বাজারের এই দর তাদের পথে বসিয়ে দেবে। বিশেষ করে সামনে রমজান ও ঈদ থাকায় পরিবারের বাড়তি খরচ মেটাতে তারা চরম সংকটে পড়েছেন। কৃষকদের দাবি, পেঁয়াজ আমদানি সাময়িকভাবে স্থগিত রেখে এবং সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে সরকারিভাবে পেঁয়াজ সংগ্রহের ব্যবস্থা করলে এই সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব। অন্যথায় লোকসানের ভারে ধসে পড়বে এই অঞ্চলের কৃষি অর্থনীতি।

ঝিনাইদহে পানির দরে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ, ঋণের দায়ে ঘরছাড়া হওয়ার আতঙ্কে কৃষকমাকসুদুল হক, ঝিনাইদহ- ১১ মার্চ, মঙ্গলবার ঝিনাইদহের বেশিরভাগ কৃষক এনজিও বা মহাজনের কাছ থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে পেঁয়াজ চাষ করেছেন। এখন সেই ঋণের কিস্তি শোধ করার চাপে তারা অনেকটা বাধ্য হয়েই লোকসানে ফসল বিক্রি করছেন। পবিত্র রমজান ও সামনে ঈদ। পরিবারের নতুন পোশাক কেনা তো দূরের কথা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতেই হিমশিম খাচ্ছেন তারা। ঝিনাইদহের মাঠজুড়ে এখন পেঁয়াজ তোলার কর্মযজ্ঞ। জেলার শৈলকূপা ও হরিণাকুণ্ডু উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠে মাঠে আগাম জাতের পেঁয়াজ উত্তোলনে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। বাজারে পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ এর অর্ধেক ঘরে আসছে। কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলায় এ বছর রেকর্ড প্রায় ১৩ হাজার হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষ হয়েছে, যা থেকে প্রায় দেড় লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে হরিণাকুণ্ডু উপজেলাতে ২৫০০ হেক্টর জমিতে এবার পেঁয়াজের ব্যাপক ফলন হয়েছে। কিন্তু পেঁয়াজের বর্তমান দামে চাষীর কপালে চিন্তার ভাঁজ। প্রতি মণে উৎপাদন খরচ ১৫০০ টাকার বেশি হলেও বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৭০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে। সরেজমিনে বিভিন্ন মাঠ ও হাট ঘুরে দেখা যায়, চাষিরা দল বেঁধে জমি থেকে পেঁয়াজ তুলছেন। কেউ পরিষ্কার করছেন, কেউ বা বস্তাবন্দি করে হাটে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায় এক চরম সত্য—পেঁয়াজ চাষে যে পরিমাণ হাড়ভাঙা খাটুনি আর অর্থ ব্যয় হয়েছে, বর্তমান বাজার দরে তার অর্ধেকও উঠে আসছে না। সার, বীজ, সেচ আর শ্রমিকের মজুরি মিলিয়ে উৎপাদন খরচ আকাশচুম্বী হলেও হাটে গিয়ে পেঁয়াজ বিক্রি করতে হচ্ছে পানির দরে। চাষিদের অভিযোগ। বর্তমানে পেঁয়াজ উত্তোলনের ভরা মৌসুম হওয়ায় সব কৃষক একসাথে পেঁয়াজ বাজারে নিয়ে আসছেন। হাটে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কয়েকগুণ বেশি হওয়ায় দাম কমে গেছে । ভরা মৌসুমে পেঁয়াজ আমদানির ফলে স্থানীয় বাজারের দেশি পেঁয়াজের কদর কমছে। পাইকাররা আমদানিকৃত পেঁয়াজের দোহাই দিয়ে দেশি পেঁয়াজের দাম কমিয়ে রাখছেন । স্থানীয় পর্যায়ে পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত হিমাগার নেই। ফলে পচে যাওয়ার ভয়ে এবং ঋণের কিস্তি শোধের চাপে কৃষকরা পানির দরেই পেঁয়াজ ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন । প্রান্তিক চাষি ও পাইকারি বাজারের মাঝখানে থাকা আড়তদার ও মধ্যস্বত্বভোগীদের একটি বড় অংশ বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। হরিণাকুণ্ডুর কৃষকরা বলছেন, বীজ, সার ও শ্রমিকের যে আকাশচুম্বী দাম, সেই তুলনায় বাজারের এই দর তাদের পথে বসিয়ে দেবে। বিশেষ করে সামনে রমজান ও ঈদ থাকায় পরিবারের বাড়তি খরচ মেটাতে তারা চরম সংকটে পড়েছেন। কৃষকদের দাবি, পেঁয়াজ আমদানি সাময়িকভাবে স্থগিত রেখে এবং সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে সরকারিভাবে পেঁয়াজ সংগ্রহের ব্যবস্থা করলে এই সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব। অন্যথায় লোকসানের ভারে ধসে পড়বে এই অঞ্চলের কৃষি অর্থনীতি।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com