1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বিএনপি নেতা আহত, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ উর্দুভাষী বাংলাদেশিদের পুনর্বাসন নিয়ে ভাবছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী ইসরায়েলি কায়দায় ছাত্রদলের আদুভাইয়েরা হলের সিট দখল করছেন: ডাকসু নেতা মুসাদ্দিক বাল্যবিবাহে না বলায় স্কুলছাত্রী তহমিনাকে জেলা প্রশাসকের ‘কন্যা সাহসিকতা’ সম্মাননা কেন্দুয়ায় জমির বিরোধে সংঘর্ষ :১ নারী নিহত ঢাকার প্রথম নারী ডিসি ফরিদা খানম সংরক্ষিত আসনের নির্বাচন এনসিপি নেত্রী তাবাসসুমের মনোনয়নপত্রও বাতিল তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ ও যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার : শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে ছুরিকাঘাত: নদীতে ঝাঁপ দিয়েও রক্ষা পেল না আসামী, নিয়ামতপুরে একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যা: জমিজমা বিরোধের সূত্র, জিজ্ঞাসাবাদে ৫ জন

কৃষকের স্বপ্ন যেন বৃষ্টির পানিতে ডুবে শেষ

মোঃ আনিস আলী
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৪ আগস্ট, ২০২৪
  • ৮৮৫ বার পড়া হয়েছে

নাটোর জেলা সিংড়া উপজেলার ছোট্ট একটি বিল।বিলটি হাজির বিল নামে খুবই পরিচিত।ছোট হওয়া সত্বেও বিলটিতে বছরে দুটি ফসল ফলতে দেখা যায়। বিলে চতুর ধারের কৃষকেরা ফসল ফলিয়ে জীবন জীবিকা নির্বাহ করে থাকে। হাজারো কৃষকের জীবন জীবিকা নির্বাহের জন্য বিলটি গুরুত্ব সর্বাধিক। কালের পরিবর্তনের সাথে সাথে তারও গুরুত্ব কমে যাচ্ছে।

এক সময় যেখানে চাষাবাদ করে হাজারো কৃষকের মুখে হাসি দেখা যেত। এখন সেই হাসিটাই হাসতে ভুলে গেছে কৃষকেরা। একটু বৃষ্টির পানিতেই ভরে যায় বিলটি। টানা তিনদিনের বৃষ্টির ফলে, অধিকাংশ কৃষকের জমির ফসল ডুবে গেছে। ডুবে গেছে কৃষকের স্বপ্ন ও হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রম।

ফসলের বীজ বপনের পর থেকেই কৃষকের মুখে বিপর্যয় লক্ষ্য করা যায়। এই যেন বৃষ্টির পানিতেই সবকিছু ডুবে শেষ।তবে এর আগে তেমন কোন খারাপ পরিস্থিতি ছিল না। সময়মতো বিলে পানি আসত এবং সময় মতোই তা নেমে যেত। এতে কৃষকেরা যথাসময়ে ফসল ফলিয়ে ঘরে তুলতে পারতো। তবে এখন তার উল্টো কিছুই লক্ষ্য করা যায়।

উপরের দৃশ্যপট দুটি লক্ষ্য করলে দেখা যায় বিলটিতে অপরিকল্পিতভাবে পুকুর খনন করা হয়েছে। যার ফলে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে আছে। এতে একটু বৃষ্টির পানির ফলেই নেমে আসে বন্যা। যার ফলে কৃষকেরা সঠিক সময়ে ফসল ফলাতে পারছে না। এতে বিপর্যয় নেমে আসছে কৃষকদের জীবনে। তাদের পরিশ্রম যেন বৃষ্টির পানির নিচে তলিয়ে শেষ।

যদি সুপরিকল্পিত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না করা হয়। তাহলে বছরের পর বছর সঠিকভাবে কৃষকেরা ফসল ফলাতে পারবে না।এতে নেমে আসবে কৃষকদের জীবনে বিপর্যয়। তার ধাক্কা গিয়ে লাগবে কৃষকদের জীবিকা নির্বাহে এবং অর্থনৈতিকভাবে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com