1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বিএনপি নেতা আহত, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ উর্দুভাষী বাংলাদেশিদের পুনর্বাসন নিয়ে ভাবছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী ইসরায়েলি কায়দায় ছাত্রদলের আদুভাইয়েরা হলের সিট দখল করছেন: ডাকসু নেতা মুসাদ্দিক বাল্যবিবাহে না বলায় স্কুলছাত্রী তহমিনাকে জেলা প্রশাসকের ‘কন্যা সাহসিকতা’ সম্মাননা কেন্দুয়ায় জমির বিরোধে সংঘর্ষ :১ নারী নিহত ঢাকার প্রথম নারী ডিসি ফরিদা খানম সংরক্ষিত আসনের নির্বাচন এনসিপি নেত্রী তাবাসসুমের মনোনয়নপত্রও বাতিল তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ ও যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার : শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে ছুরিকাঘাত: নদীতে ঝাঁপ দিয়েও রক্ষা পেল না আসামী, নিয়ামতপুরে একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যা: জমিজমা বিরোধের সূত্র, জিজ্ঞাসাবাদে ৫ জন

গবেষণা প্রকল্পে ৩৯ লাখ টাকা অনুদান পাচ্ছেন জবির ১৪ শিক্ষক

আরাফাতুল হক চৌধুরী
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ২৫৮ বার পড়া হয়েছে
গবেষণা প্রকল্পে ৩৯ লাখ টাকা অনুদান পাচ্ছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ১৪ জন শিক্ষক। জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে গবেষণা প্রকল্পে এ অনুদান পেতে যাচ্ছেন তারা।
সোমবার (২৫ ডিসেম্বর) অনুদানের জন্য মনোনীত একাধিক শিক্ষক বিষয়টি জানান। এর আগে গত ১৮ ডিসেম্বর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব বিদ্যুৎ চন্দ্র আইচ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতেও বিষয়টি জানানো হয়। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কর্মসূচির আওতায় গবেষকদের ৬৯৬টি বিশেষ গবেষণা প্রকল্প স্থান পেয়েছে।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ‘বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কর্মসূচি’ খাত হতে যেসব প্রকল্প প্রস্তাবের পিয়ার রিভিউ কমিটি কর্তৃক বিশেষ গবেষণা অনুদান দেওয়ার লক্ষ্যে সুপারিশ এবং অনুমোদন করা হয়েছে সেসব প্রকল্পে নিযুক্ত ফেলোশিপ প্রাপ্ত শিক্ষকদের নাম প্রকাশ করে। এতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭ জন শিক্ষক ৭টি প্রকল্পে ২১ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং আরও ৭ জন শিক্ষক অপর ৭টি প্রকল্পে ১৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দের জন্য মনোনীত হয়েছেন।
শিক্ষকদের মধ্যে গবেষণা অনুদানে সর্বোচ্চ বরাদ্দ (৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা) পাচ্ছেন ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুল কাদের। আর রসায়ন বিভাগ থেকে সর্বোচ্চ সংখ্যক শিক্ষক এঅর্থবছরে গবেষণা অনুদান জন্য মনোনীত হয়েছেন(৬জন)।
বরাদ্দের জন্য মনোনীত শিক্ষকরা হলেন- অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. জাকারিয়া মিয়া, রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আমিনুল হক, একই বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ জামির হোসেন, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আওলাদ হোসেন, ড. মোহাম্মদ মাহমুদুর রহমান, ড. মো. দেলোয়ার হোসেন এবং ড. জগদীশ চন্দ্র দাস,ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুল কাদের একই বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মনিরুজ্জামান। পাশাপাশি গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. রবীন্দ্রনাথ মন্ডল,কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ড. আবু লায়েক ও একই বিভাগের ড. মো. মনোয়ারুল ইসলাম, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. শাহরিয়ার আহম্মদ এবং প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. শিল্পী সাহা অনুদানের জন্য মনোনীত হয়েছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুল কাদের বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা ও জ্ঞান বিতরণের জায়গা। যেই গবেষণা প্রপোজালগুলো তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে সেগুলোতে অনুদানের পরিমাণ আরও বাড়ানো প্রয়োজন। অনুদানের জন্য মনোনীত শিক্ষকদের পাশে বিশ্ববিদ্যালয় থাকলে তারা আরও উৎসাহিত হবেন।
প্রসঙ্গত, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি’ বিষয়ক প্রকল্পের গবেষণার জন্য ১৯৭৭-৭৮ অর্থবছর থেকে বিশেষ গবেষণা অনুদান দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হয়। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত, গবেষণারত এমএস, এমফিল, পিএইচডি এবং পোস্ট-ডক্টরাল পর্যায়ের শিক্ষার্থী ও গবেষকদের এই অনুদান দেওয়া হয়। সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এই ফেলোশিপ দিয়ে থাকে। সাধারণত তিনটি ক্ষেত্রে শিক্ষার্থী ও গবেষকদের এই ফেলোশিপ দেওয়া হয়। প্রতি বছর বায়োলজিক্যাল সায়েন্স, মেডিকেল সায়েন্স, এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড অ্যাপ্লাইড সায়েন্স, ফিজিক্যাল সায়েন্স ও ইন্টার-ডিসিপ্লিনারি গ্রুপসহ ছয়টি গ্রুপে গবেষণা অনুদান দেওয়া হয়। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় উৎসাহ দেওয়াই এই ফেলোশিপের মূল উদ্দেশ।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com