1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মিঠাপুকুরে উপজেলা নাগরিক ফোরামের ত্রৈমাসিক সভা ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের বিরুদ্ধে আবারও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ নন্দীগ্রামে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে ডিবির অভিযানে তিন নারী ১৭ পিস ইয়াবাসহ আটক ভাঙ্গুড়ায় এমআর টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত নিখোঁজের একদিন পর ইটভাটার পুকুরে ভেসে উঠেছে কিশোরীর মরদেহ স্বাধীনতা পদক গ্রহণ করলেন হানিফ সংকেত মুঘল সম্রাট বাবরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তুলনা করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেলে কার্ডে অনিয়ম ও ভুয়া সাংবাদিকতার প্রতিবাদে লক্ষ্মীপুরে জেলেদের মানববন্ধন সাতক্ষীরায় মোজাহেরের তেলের পাম্পে তীব্র জ্বালানি সংকট, ভোগান্তিতে বাস মালিক ও যাত্রীরা

গভীর রাতে এতিম শিশুদের কম্বল জড়িয়ে দিলেন ডিসি

জামিল হাসান জামিল
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৩ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ২৩২ বার পড়া হয়েছে

রাত ১২ টা বেজে ১০ মিনিট। পড়াশোনা খাওয়া-দাওয়াসহ সব ব্যস্ততা সেড়ে ঘুমিয়ে পড়েছিলো মাদরাসার শিশু শিক্ষার্থীরা। বেশ কয়েকদিন থেকে সূর্যের দেখা না মেলায় শীতের প্রকোপতা প্রখর। সে কারণে সকলে আগেভাগে ঘুমিয়ে পড়ে। হঠাৎ করেই রাতের বেলা এসে শীতবস্ত্র হিসেবে তাদের মাঝে কম্বল জড়িয়ে দেন জেলা প্রশাসক।

বৃহস্পতিবার (১২ জানুয়ারি) রাতে ঠাকুরগাঁওয়ের সদর উপজেলার নারগুন ইউনিয়নের পশ্চিম নারগুন দারুল কোরআন ওয়াস সুন্নাহ কওমি মাদরাসার শিক্ষার্থীদের শীতবস্ত্র দেন জেলা প্রশাসক মাহবুবুর রহমান।

কম্বল পেয়ে মাদরাসা শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ বলেন, ‘আমরা ঘুমিয়ে গেছিলাম। হুজুর বললেন ডিসি স্যার আসছেন। আমরা বের হওয়া মাত্র আমাদের মোটা কম্বল দিলেন। আমরা অনেক খুশি হয়েছি। এখন রাতে ঠান্ডায় বেশি কষ্ট হবে না।’

অত্র মাদরাসার মুহতামিম হাফেজ ইব্রাহিম খলিল বলেন, তাদের সবসময় অযু করে থাকতে হয়। শীতে তাদের কষ্টটা বেশি হয়। আজকে কম্বল পেয়ে তারা সকলে খুশি। আর ভালো করে ঘুমাতে পারবে।

ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মাহবুবুর রহমান বলেন, হিমালয়ের কাছাকাছি হওয়ায় জেলার মানুষদের বরাবরে শীতের সময় বেশ কষ্ট হয়। এবারেও তার ব্যতিক্রম নয়। বেশ কয়েকদিন থেকে শীতের প্রকোপতা বেড়েছে। আর শীতে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের সচরাচর বেশি কষ্ট হয়। যেহেতু তাদের সবসময় অযু করে থাকতে হয়। সে কারণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শীতের উপহার হিসেবে আমরা কম্বলগুলো তাদের হাতে তুলে দিয়েছি।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com