1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ১২:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কাল থেকে শুরু এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা, অংশ নেবে সাড়ে ১৮ লাখ শিক্ষার্থী ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৬৫ মাদারীপুরে বিজ্ঞান মেলা উদ্বোধন করলেন এমপি জাহান্দার জীবননগরে ঘুমন্ত অবস্থায় গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা প্রবাসী রাজনে বিরুদ্ধে মামলা খুলনা বিএনএসবি হাসপাতাল ( চক্ষু হাসপাতাল) ট্রাস্টি বোর্ডের দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে মানববন্ধন গৌরনদীতে ‘দারসুল কুরআন সুন্নাহ্ ফাউন্ডেশন’ আত্মপ্রকাশ: দ্বীনের দাওয়াত ঘরে ঘরে পৌঁছানোর প্রত্যয় নেত্রকোনায় উৎসব মুখর পরিবেশে মেছুয়া বাজার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন সোনালী ব্যাংক জিয়ানগর শাখা ম্যানেজার মশিউর রহমান গাজীর কৃতিত্ব অর্জন, সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান টেকনাফে বিশেষ অভিযানে ২২ আসামী গ্রেফতার জামালপুরে জামিন নিতে এসে পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতিসহ আ’লীগের ১০ নেতাকর্মী কারাগারে

চট্টগ্রামে কালুরঘাট ফেরিঘাটে দিশেহারা জনজীবন।

মোঃ জসীম উদ্দিন নিরব 
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৬ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৪৩১ বার পড়া হয়েছে
রবিবার (১৪ জানুয়ারি ২০২৪) দিকে রাত ১১ টার দিকে বোয়ালখালী কর্ণফুলী নদীর উপর দিয়ে কালুরঘাট ফেরিঘাটে পথচারী যাত্রীদের  দিশেহারা দুর্ভোগে পরেন।
গত (১ আগস্ট) থেকে কালুরঘাট সেতুর সংস্কার কাজ শুরু হয়। দোহাজারী-কক্সবাজার রুটে ট্রেন যোগাযোগ চালুর আগেই সেতুটির শক্তি বৃদ্ধির লক্ষ্যে কালুরঘাট সেতুটির সংস্কার করা হচ্ছে। বর্তমানে সেতু দিয়ে যানচলাচল বন্ধ রয়েছে। সেতুর নিচে ফেরি দিয়ে যানবাহন চলাচল করছে। এতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে চালক ও যাত্রীদেরকে।
(৩১ অক্টোবর)২০২৩ইংরেজি তারিখে  মধ্যে সেতুর সংস্কার কাজ শেষ করার কথা ছিল। তবে এখন আরও কয়েকমাস বাড়তি সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু জাফর মিঞা।চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেল যোগাযোগ শুরুর আগে
সংস্কার কাজের জন্য তিন মাসের জন্য কালুরঘাট সেতু
বন্ধ করে দেওয়া হয় গত মঙ্গলবার (২৫জুলাই ২০২৩) দুপুরে নদীর ওই
অংশ পারাপারের জন্য চালু করা হয় ফেরি।
এমধ্যে ৩টি ফেরি সেতুর নিচে রাখা হয়েছে। দুইটি ফেরি
চলাচল করবে। অপরটি রিজার্ভে থাকবে।
দিনেই ২টি ফেরি চালু থাকলে
এবং রাত ১০টার পর ১টি ফেরি চালু রাখে এই ফেরি পূর্ব পাড় থেকে যানবাহন পুরো করে আনতে এক থেকে দের ঘন্টা সময় লাগে, পরে শহর ফেরার বিভিন্ন পেশাদার কর্মজীবী, ব্যবসায়িক জনসাধারণগন ফেরিঘাটে এসে দুর্ভোগে পরেন। পরে দেখা যায় ফেরি অন্য পাড় থেকে ফেরি আসতে দেরি হলে পদচারীরা পানির বোটের করে চলে যাওয়া সুযোগ সুবিধা ছিলো।
 ফেরিঘাটে পানির বোটের মাঝি আলী হোসেন বলেন, ফেরির কতৃপক্ষের ইজারাদার  আমরিন এন্ড ব্রাদার্সের প্রতিষ্টাতা আলহাজ্ব মুনছুর আলম পাপপি সাহেবে সিদ্ধান্ত মতে পানির বোট চলাচলের সময় সকাল ১০ টা হতে রাত ১০টার প্রযন্ত নির্ধারিত সময় করা হয়েছে। একারণে পানির বোট বন্ধ থাকায়  পথচারীরা দিশেহারা হয়ে শত লোকজন নিজের ঝুকিপূর্ণ নিয়ে অনিরাপদ ভাবে  সংস্কারকৃত কালুরঘাটে সেতুর উপর দিয়ে যাত্রীদের চলাচল করতে থাকে।
রেলওয়ের সূত্রে আরো জানা গেছে, গত ১৮ জুন বুয়েটের পরামর্শ অনুযায়ী সেতুটি মেরামতের জন্য রেলওয়ের সাথে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ম্যাক্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেডের চুক্তি স্বাক্ষর হয়। ৫৫ কোটি টাকা ব্যয়ে শতবর্ষী জরাজীর্ণ এই সেতু সংস্কার
করা হবে। এবং সেতু সংস্কার ও নবায়নের পাশাপাশি নির্মাণ করা হবে পথচারী যাত্রীদের পারাপারের জন্য নতুন ভাবে পৃথক একটি ওয়াকওয়ে।
৩ মাসে যেখানে সেতুর সংস্কার  নির্মাণ কাজ শেষ করার কথা ছিল। প্রায় ৭ মাসেও সেতুর পথচারীদের পারাপারের ওয়াকওয়ে চলাচল রাস্তা হয়নি।
পথচারীরা বলেন
কালুঘাটে সংস্কারের নির্মাণকৃত সেতুর উপর দিয়ে বর্তমানে চট্টগ্রাম হতেই দোহাজারী,কক্সবাজার ভারি ট্রেন চলাচল করেন এবং চাঁদগাঁও, বোয়ালখালী, পটিয়া দক্ষিণ চট্রলার প্রতিদিন হাজারও মানুষ চলাচল করে।
কিন্তু এখনও পযন্ত সেতুর পাশাপাশি পথচারীদের চালাচলে ওয়াকওয়ে রাস্তা করা হয়নি জনজীবনে অনেক কষ্টে দুর্ভোগে মধ্যে আছে বলেন।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com