1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১১:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে জামায়াতের গণমিছিলের ডাক লোডশেডিং ইস্যুতে গুজব নয়, ধৈর্য ও সচেতনতার আহ্বান; গৌরনদী পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম কাউখালীতে আইন-শৃঙ্খলা ও মাদক প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা ঈশ্বরদীতে শিক্ষক পেটানোর ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত গাছ লাগিয়ে জলবায়ু সুরক্ষার বার্তা দিল বাগেরহাটের শিক্ষার্থীরা ফরিদপুরে ঘুমন্ত স্বামীর গোপনাঙ্গ কাটার অভিযোগ, স্ত্রী আটক ৩ মামলায় শিল্পী মমতাজের জামিন কালো টাকা সাদা করার বিধান প্রত্যাহারসহ একাধিক প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর বিরোধী দলের আসনে প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থে‌কে ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ: ফখরুল বিরোধী দলে থেকে কানাকড়িও পাইনি, জেলে গেছি পাঁচবার: স্পিকার

জাতীয় ফুল শাপলা বিক্রি করে সংসার চালাচ্ছেন নিন্ম আয়ের মানুষ

জামাল উদ্দিন
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৪
  • ২১০ বার পড়া হয়েছে
দেশ ব্যাপী খাল বিল থেকে শাপলা তুলে সংসার চালাচ্ছেন নিন্ম আয়ের সাধারণ মানুষ। লক্ষ্মীপুরে বিভিন্ন ইউনিয়ন ও উপজেলায় বন্যার পানি থাকার কারণে অনেকে কৃষি উৎপাদন করতে পারেনি,তার কারণে ঐ কৃষি জমি গুলোতে জাতীয় ফুল শাপলা প্রচুর দেখা দিয়েছে আর মানুষ জমিতে কৃষি উৎপাদন করতে না পেরে সংসার চালেতে হিমসিম খাচ্ছে প্রায় লক্ষাধিক পরিবার।কথায় আছে পেটের জালা বড়ো জালা, তারি ধারাবাহিকতায় সংসার চালাতে খাল বিল থেকে জাতীয় ফুল শাপলা তুলে বিক্রি করে কোনো রকম সংসার চালাচ্ছেন নিন্ম আয়ের সাধারণ মানুষ। জাতীয় ফুল শাপলা প্রায় দুই যুগ পরে সবজি হিসাবে বাজারে খুবই পরিচিত পেয়েছেন। শাপলার পাশাপাশি, গ্রামের আগান বাগান থেকে কচুশাক, কচুড়ী,কলমি শাক থানকুঁড়ি, হেলেঞ্চা শাক, পিপুল শাক,তুলে জীবিকা নির্বাহ করতে দেখা যাচ্ছে নিন্ম আয়ের মানুষের। সারা দিন এসব সবজী তুলে দুই থেকে তিনশো টাকা আয় করছেন বলে জানায় কমলনগর উপজেলার চর কাদিরা ইউনিয়ন এর আলতাফ হোসেন, চর বসু গ্রামের আজিজুর রহমান, অবেদ আলী, চর পাগলা গ্রামের রাহুল চন্দ্র দাস,নিমাই দাস,অনন্য দাস,রুপালী দাস,সহ আরো অনেক পরিবার। অন্যান্য সবজীর মুল্য আকাশ ছোয়া বৃদ্ধি হওয়ায় কারণে, শাপলাসহ কদর বেড়েছে এই সবজী গুলার। কম দাম থাকায় খেটে খাওয়া ভ্যান চালক, রিক্সা চালক,কৃষি শ্রমিক, সহ নিন্ম আয়ের মানুষের তরকারি এখন জাতীয় ফুল শাপলাসহ বাগানের বিভিন্ন তরকারির।রুপালি দাস জানায় বর্তমানে আমরা না খেয়ে দিন পার করছি। আগে আমার স্বামী কৃষি কাজ করে সংসার চালাইতো। এই বছর বন্যার পানি এসে সবার ফসলি জমি নষ্ট করে দেওয়ার কারণে আমাদের পরিবারের কাজ কাম বন্ধ থাকার কারণে খুব বিপদে আছি।তরিতরকারি, চাউল ডাউল, সব কিছুর দাম পাঁচ গুন বৃদ্ধি হয়েছে। দিনে আয় দুই শত,একশত টাকা যা দিয়ে চাউল কেনা যায় না, তা দিয়ে সংসার চালাবো কি করে। না খেয়ে মরছি এখন। ছেলে মেয়েদের মুখে তিনবেলা না হলেও দুই বেলা দুটো ভাত তুলে দেওয়ার জন্য শাপলা তুলে বিক্রি করছি। সরকার দেশ সংস্কার করছে বলছে, কিন্তু আমাদের মতো হাজার হাজার গরীব মানুষ না খেয়ে থাকি হয়তো তাদের জানা নেই।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com