1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ০৩:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মোংলায় কোস্টগার্ড পরিচয়ে যুবককে তুলে নেওয়ার অভিযোগ বিজয়ের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে ‘প্রেমিকা’ তৃষা, স্নিগ্ধ সাজে নজর কাড়লেন অভিনেত্রী পুলিশ-জনগণের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির মানসম্মত শিক্ষা দিতে আমরা ব্যর্থ: শিক্ষামন্ত্রী আড়ালে থেকেও যুদ্ধে সক্রিয় মোজতবা খামেনি প্রণয় ভার্মার সঙ্গে আনিসুল ইসলাম মাহমুদের সাক্ষাৎ, তিস্তা চুক্তি ও ট্যুরিস্ট ভিসা চালুর দাবি কুশিয়ারা নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি জামালপুরে ১৬ বছর বয়সী কিশোরীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের দায়ে তিন যুবকের মৃত্যুদন্ড মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের ইচ্ছার প্রতিফলন ঈশ্বরদীর আবহাওয়া অফিস কাগজে-কলমে আধুনিক, বাস্তবে অচল

জাতীয় ফুল শাপলা বিক্রি করে সংসার চালাচ্ছেন নিন্ম আয়ের মানুষ

জামাল উদ্দিন
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৪
  • ১৭৯ বার পড়া হয়েছে
দেশ ব্যাপী খাল বিল থেকে শাপলা তুলে সংসার চালাচ্ছেন নিন্ম আয়ের সাধারণ মানুষ। লক্ষ্মীপুরে বিভিন্ন ইউনিয়ন ও উপজেলায় বন্যার পানি থাকার কারণে অনেকে কৃষি উৎপাদন করতে পারেনি,তার কারণে ঐ কৃষি জমি গুলোতে জাতীয় ফুল শাপলা প্রচুর দেখা দিয়েছে আর মানুষ জমিতে কৃষি উৎপাদন করতে না পেরে সংসার চালেতে হিমসিম খাচ্ছে প্রায় লক্ষাধিক পরিবার।কথায় আছে পেটের জালা বড়ো জালা, তারি ধারাবাহিকতায় সংসার চালাতে খাল বিল থেকে জাতীয় ফুল শাপলা তুলে বিক্রি করে কোনো রকম সংসার চালাচ্ছেন নিন্ম আয়ের সাধারণ মানুষ। জাতীয় ফুল শাপলা প্রায় দুই যুগ পরে সবজি হিসাবে বাজারে খুবই পরিচিত পেয়েছেন। শাপলার পাশাপাশি, গ্রামের আগান বাগান থেকে কচুশাক, কচুড়ী,কলমি শাক থানকুঁড়ি, হেলেঞ্চা শাক, পিপুল শাক,তুলে জীবিকা নির্বাহ করতে দেখা যাচ্ছে নিন্ম আয়ের মানুষের। সারা দিন এসব সবজী তুলে দুই থেকে তিনশো টাকা আয় করছেন বলে জানায় কমলনগর উপজেলার চর কাদিরা ইউনিয়ন এর আলতাফ হোসেন, চর বসু গ্রামের আজিজুর রহমান, অবেদ আলী, চর পাগলা গ্রামের রাহুল চন্দ্র দাস,নিমাই দাস,অনন্য দাস,রুপালী দাস,সহ আরো অনেক পরিবার। অন্যান্য সবজীর মুল্য আকাশ ছোয়া বৃদ্ধি হওয়ায় কারণে, শাপলাসহ কদর বেড়েছে এই সবজী গুলার। কম দাম থাকায় খেটে খাওয়া ভ্যান চালক, রিক্সা চালক,কৃষি শ্রমিক, সহ নিন্ম আয়ের মানুষের তরকারি এখন জাতীয় ফুল শাপলাসহ বাগানের বিভিন্ন তরকারির।রুপালি দাস জানায় বর্তমানে আমরা না খেয়ে দিন পার করছি। আগে আমার স্বামী কৃষি কাজ করে সংসার চালাইতো। এই বছর বন্যার পানি এসে সবার ফসলি জমি নষ্ট করে দেওয়ার কারণে আমাদের পরিবারের কাজ কাম বন্ধ থাকার কারণে খুব বিপদে আছি।তরিতরকারি, চাউল ডাউল, সব কিছুর দাম পাঁচ গুন বৃদ্ধি হয়েছে। দিনে আয় দুই শত,একশত টাকা যা দিয়ে চাউল কেনা যায় না, তা দিয়ে সংসার চালাবো কি করে। না খেয়ে মরছি এখন। ছেলে মেয়েদের মুখে তিনবেলা না হলেও দুই বেলা দুটো ভাত তুলে দেওয়ার জন্য শাপলা তুলে বিক্রি করছি। সরকার দেশ সংস্কার করছে বলছে, কিন্তু আমাদের মতো হাজার হাজার গরীব মানুষ না খেয়ে থাকি হয়তো তাদের জানা নেই।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com