1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
‘জাতিসংঘের সমুদ্র আইন মানতে বাধ্য নয় ইরান’ সাতক্ষীরায় লস্কর ফিলিং স্টেশনে অনিয়ম ও হামলার অভিযোগ, তদন্তের দাবি কলাপাড়া হাসপাতালে বিদ্যুৎ না থাকলে মোমবাতি রোগীদের একমাত্র ভরসা বাংলাদেশে নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী, শিগগিরই দায়িত্ব গ্রহণ নেত্রকোনায় ৯৪০ পিস ইয়াবাসহ তিন নারী মাদক কারবারি আটক ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে জেলেদের বড়শিতে ধরা পড়ল কুমির মেলান্দহে কালবৈশাখী ঝড়ে ঘরের উপর গাছ পড়ে মা ও ২ মেয়ের মৃত্যু ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ায় যুবককে গণপিটুনি মসজিদের ইমামের কাছে যুবদলের দুই নেতার লাখ টাকা চাঁদা দাবি আওয়ামী ভূত এখন অন্য একটি দলের কাঁধে চেপেছে: তারেক রহমান

জাতীয় ফুল শাপলা বিক্রি করে সংসার চালাচ্ছেন নিন্ম আয়ের মানুষ

জামাল উদ্দিন
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৪
  • ১৭১ বার পড়া হয়েছে
দেশ ব্যাপী খাল বিল থেকে শাপলা তুলে সংসার চালাচ্ছেন নিন্ম আয়ের সাধারণ মানুষ। লক্ষ্মীপুরে বিভিন্ন ইউনিয়ন ও উপজেলায় বন্যার পানি থাকার কারণে অনেকে কৃষি উৎপাদন করতে পারেনি,তার কারণে ঐ কৃষি জমি গুলোতে জাতীয় ফুল শাপলা প্রচুর দেখা দিয়েছে আর মানুষ জমিতে কৃষি উৎপাদন করতে না পেরে সংসার চালেতে হিমসিম খাচ্ছে প্রায় লক্ষাধিক পরিবার।কথায় আছে পেটের জালা বড়ো জালা, তারি ধারাবাহিকতায় সংসার চালাতে খাল বিল থেকে জাতীয় ফুল শাপলা তুলে বিক্রি করে কোনো রকম সংসার চালাচ্ছেন নিন্ম আয়ের সাধারণ মানুষ। জাতীয় ফুল শাপলা প্রায় দুই যুগ পরে সবজি হিসাবে বাজারে খুবই পরিচিত পেয়েছেন। শাপলার পাশাপাশি, গ্রামের আগান বাগান থেকে কচুশাক, কচুড়ী,কলমি শাক থানকুঁড়ি, হেলেঞ্চা শাক, পিপুল শাক,তুলে জীবিকা নির্বাহ করতে দেখা যাচ্ছে নিন্ম আয়ের মানুষের। সারা দিন এসব সবজী তুলে দুই থেকে তিনশো টাকা আয় করছেন বলে জানায় কমলনগর উপজেলার চর কাদিরা ইউনিয়ন এর আলতাফ হোসেন, চর বসু গ্রামের আজিজুর রহমান, অবেদ আলী, চর পাগলা গ্রামের রাহুল চন্দ্র দাস,নিমাই দাস,অনন্য দাস,রুপালী দাস,সহ আরো অনেক পরিবার। অন্যান্য সবজীর মুল্য আকাশ ছোয়া বৃদ্ধি হওয়ায় কারণে, শাপলাসহ কদর বেড়েছে এই সবজী গুলার। কম দাম থাকায় খেটে খাওয়া ভ্যান চালক, রিক্সা চালক,কৃষি শ্রমিক, সহ নিন্ম আয়ের মানুষের তরকারি এখন জাতীয় ফুল শাপলাসহ বাগানের বিভিন্ন তরকারির।রুপালি দাস জানায় বর্তমানে আমরা না খেয়ে দিন পার করছি। আগে আমার স্বামী কৃষি কাজ করে সংসার চালাইতো। এই বছর বন্যার পানি এসে সবার ফসলি জমি নষ্ট করে দেওয়ার কারণে আমাদের পরিবারের কাজ কাম বন্ধ থাকার কারণে খুব বিপদে আছি।তরিতরকারি, চাউল ডাউল, সব কিছুর দাম পাঁচ গুন বৃদ্ধি হয়েছে। দিনে আয় দুই শত,একশত টাকা যা দিয়ে চাউল কেনা যায় না, তা দিয়ে সংসার চালাবো কি করে। না খেয়ে মরছি এখন। ছেলে মেয়েদের মুখে তিনবেলা না হলেও দুই বেলা দুটো ভাত তুলে দেওয়ার জন্য শাপলা তুলে বিক্রি করছি। সরকার দেশ সংস্কার করছে বলছে, কিন্তু আমাদের মতো হাজার হাজার গরীব মানুষ না খেয়ে থাকি হয়তো তাদের জানা নেই।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com