1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ০৫:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চাঁদপুরে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ, তদন্তে উঠে এলো হ/ত্যা/র আলামত পাইকগাছা রিপোর্টার্স ইউনিটির আয়োজনে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ঝালকাঠির নলছিটিতে কিস্তির ঋণের চাপ সহ্য করতে না পেরে যুবকের আত্মহত্যা চাঁদপুরে কোস্ট গার্ডের অভিযানে প্রায় ৩৬ লক্ষ টাকার জাটকা জব্দ টেকনাফে র‍্যাবের ওপর হামলা, আহত ৯ ‎কুমারখালী প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহের ভালুকায় ২ নং মেদুয়ারী ইউনিয়নে সরকারি চাল বরাদ্দের অনিয়ম আসন্ন বকশীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জামায়াতের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এডভোকেট মাওলানা ইলিয়াস হোসাইন! জামালপুরে স্বামীকে গাছে বেঁধে স্ত্রীকে ধ*র্ষণ, ৩ জনের মৃ*ত্যুদণ্ড! ফরিদপুরে ৪ হাজার ই*য়া*বাসহ দুই মা-দক কার*বারি গ্রে*ফ*তার!

টেন্ডার ছাড়াই স্কুলের পুরাতন ভবন ও টিনসেড ঘরের মালামাল বিক্রি

মোঃ ওমর ফারুক
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ২০০ বার পড়া হয়েছে
টেন্ডার ছাড়াই স্কুলের পুরাতন ভবনও টিনসেট ঘর ভেঙ্গে মালামাল বিক্রি করে  দিয়েছেন,উপজেলার গুলিশাখালী ইসহাক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান  শিক্ষক মো. শাহাদাৎ হোসেন সেলিম সরকারের নিয়মনীতিকে উপক্ষো করে প্রকাশ্য নিলাম ডাক ছাড়াই  স্কুলের  পুরাতন ভবন টিনসেট ঘরের  মালামাল বিক্রি করে দিয়েছেন তিনি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, গুলিশাখালী ইসহাক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান  শিক্ষক মো. শাহাদাৎ হোসেন সেলিম  খেয়ালখুশি মতো বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবন ভেঙ্গে ভবনের ভেতর থেকে বের হওয়া পুরাতন ইট, টিনসহ অন্যান্য মালামাল বিক্রি করে দিয়েছেন।
সরেজমিনে ঘটনাস্থলে  গিয়ে দেখা যায় বিদ্যালয়ের ১টি পুরাতন ভবন ও ১টি লম্বা টিনসেট ভবন  ভেঙ্গে এর  মালামাল  লক্ষাধিক  টাকায় বিক্রি করে দেয়। এমন অভিযোগ শুধু স্থানীয়দেররই নয়,সংশ্লিষ্ট স্কুলের কতিপয় শিক্ষকও এই অভিযোগ তুলেছেন। তবে প্রধান শিক্ষকের চাপের কারণে তারা প্রকাশ্যে মুখ খুলতে পারছেন না।
প্রধান শিক্ষক মো. শাহাদাৎ হোসেন সেলিম বলেন  একটি চক্রান্তকারি মহল বিদ্যালয়ের উন্নয়ন দেখে ঈর্শ্বাণিত হয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। স্কুলের পুরতন ভবন বিক্রি করে প্রধান শিক্ষকের অফিস কক্ষে ও শিক্ষকদের রুমে বাথ রুম নির্মান করেছেন। টেন্ডার ছাড়াই পুরাতন ভবন ভাঙ্গাও বিক্রি করা যায় কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন বিষয়টি তার জানা  নাই।
 স্কুলের  ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট এইচ এম মনিরুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি তার জানা নেই।
বরগুনা জেলা  শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিন  বলেন, বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবন ভাঙ্গতে হলে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রকৌশলীর মাধ্যমে  পুরাতন ভবনের মালামালের মূল্য নির্ধারণসহ কর্তৃপক্ষের  অনুমতি সাপেক্ষে টেন্ডার কমিটির মাধ্যমে টেন্ডারের মাধ্যমে অথবা প্রকাশ্যে নিলাম ডাকের মাধ্যমে বিক্রি করতে হবে। তবে সরকারি নিময়নীতি অনুসরণ না করে বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবন ভেঙ্গে ফেলা  বিক্রয় করা অনিয়মের পর্যায়ে পড়ে। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।এদিকে বিষয়টি জানার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশ্রাফুল আলম বলেন ঘটনা সত্য হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঝিনাইদহে পানির দরে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ, ঋণের দায়ে ঘরছাড়া হওয়ার আতঙ্কে কৃষকমাকসুদুল হক, ঝিনাইদহ- ১১ মার্চ, মঙ্গলবার ঝিনাইদহের বেশিরভাগ কৃষক এনজিও বা মহাজনের কাছ থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে পেঁয়াজ চাষ করেছেন। এখন সেই ঋণের কিস্তি শোধ করার চাপে তারা অনেকটা বাধ্য হয়েই লোকসানে ফসল বিক্রি করছেন। পবিত্র রমজান ও সামনে ঈদ। পরিবারের নতুন পোশাক কেনা তো দূরের কথা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতেই হিমশিম খাচ্ছেন তারা। ঝিনাইদহের মাঠজুড়ে এখন পেঁয়াজ তোলার কর্মযজ্ঞ। জেলার শৈলকূপা ও হরিণাকুণ্ডু উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠে মাঠে আগাম জাতের পেঁয়াজ উত্তোলনে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। বাজারে পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ এর অর্ধেক ঘরে আসছে। কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলায় এ বছর রেকর্ড প্রায় ১৩ হাজার হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষ হয়েছে, যা থেকে প্রায় দেড় লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে হরিণাকুণ্ডু উপজেলাতে ২৫০০ হেক্টর জমিতে এবার পেঁয়াজের ব্যাপক ফলন হয়েছে। কিন্তু পেঁয়াজের বর্তমান দামে চাষীর কপালে চিন্তার ভাঁজ। প্রতি মণে উৎপাদন খরচ ১৫০০ টাকার বেশি হলেও বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৭০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে। সরেজমিনে বিভিন্ন মাঠ ও হাট ঘুরে দেখা যায়, চাষিরা দল বেঁধে জমি থেকে পেঁয়াজ তুলছেন। কেউ পরিষ্কার করছেন, কেউ বা বস্তাবন্দি করে হাটে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায় এক চরম সত্য—পেঁয়াজ চাষে যে পরিমাণ হাড়ভাঙা খাটুনি আর অর্থ ব্যয় হয়েছে, বর্তমান বাজার দরে তার অর্ধেকও উঠে আসছে না। সার, বীজ, সেচ আর শ্রমিকের মজুরি মিলিয়ে উৎপাদন খরচ আকাশচুম্বী হলেও হাটে গিয়ে পেঁয়াজ বিক্রি করতে হচ্ছে পানির দরে। চাষিদের অভিযোগ। বর্তমানে পেঁয়াজ উত্তোলনের ভরা মৌসুম হওয়ায় সব কৃষক একসাথে পেঁয়াজ বাজারে নিয়ে আসছেন। হাটে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কয়েকগুণ বেশি হওয়ায় দাম কমে গেছে । ভরা মৌসুমে পেঁয়াজ আমদানির ফলে স্থানীয় বাজারের দেশি পেঁয়াজের কদর কমছে। পাইকাররা আমদানিকৃত পেঁয়াজের দোহাই দিয়ে দেশি পেঁয়াজের দাম কমিয়ে রাখছেন । স্থানীয় পর্যায়ে পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত হিমাগার নেই। ফলে পচে যাওয়ার ভয়ে এবং ঋণের কিস্তি শোধের চাপে কৃষকরা পানির দরেই পেঁয়াজ ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন । প্রান্তিক চাষি ও পাইকারি বাজারের মাঝখানে থাকা আড়তদার ও মধ্যস্বত্বভোগীদের একটি বড় অংশ বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। হরিণাকুণ্ডুর কৃষকরা বলছেন, বীজ, সার ও শ্রমিকের যে আকাশচুম্বী দাম, সেই তুলনায় বাজারের এই দর তাদের পথে বসিয়ে দেবে। বিশেষ করে সামনে রমজান ও ঈদ থাকায় পরিবারের বাড়তি খরচ মেটাতে তারা চরম সংকটে পড়েছেন। কৃষকদের দাবি, পেঁয়াজ আমদানি সাময়িকভাবে স্থগিত রেখে এবং সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে সরকারিভাবে পেঁয়াজ সংগ্রহের ব্যবস্থা করলে এই সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব। অন্যথায় লোকসানের ভারে ধসে পড়বে এই অঞ্চলের কৃষি অর্থনীতি।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com