1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ০২:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাগাতিপাড়ায় আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন মাগুরার শ্রীপুরে জেলা প্রশাসকের বিভিন্ন দপ্তর ও উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন টানা ১৭ দিনের ছুটি পাচ্ছে পবিপ্রবির শিক্ষার্থীরা পেঁয়াজের অধিক ফলনেও কৃষকের লাভ নেই উৎপাদন খরচই উঠছে না ঝিনাইদহে বরগুনা পরীরখাল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে টয়লেটের ময়লা ফেলার অভিযোগ ইরানের মিসাইল হামলায় সখীপুরের সৌদি প্রবাসীর মৃত্যু ‎গৌরনদীতে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত ‎গৌরনদীতে গণহত্যা দিবস ও স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঈশ্বরদীতে গভীর রাতে ছিনতাই, পিস্তল ও অস্ত্র ফেলে পালাল দুর্বৃত্তরা ‎হাসপাতাল পরিষ্কার অভিযানে এমপি আফজাল হোসেন: ‘নীট অ্যান্ড ক্লিন কুমারখালী’ গড়ার আশ্বাস

দরিদ্র শীতার্তদের মাঝে রাতে কম্বল নিয়ে পাশে দাড়াঁলেন ভোলা বেড়িবাঁধে, ভোলার জেলা প্রশাসক আরিফুজ্জামান

জহিরুল ইসলাম লিটন
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ২৬৭ বার পড়া হয়েছে

উপকূলীয় দ্বীপ জেলা ভোলাতে বেশ কয়েকদিন ধরে জেঁকে বসেছে শীত। সেই শীতের হাত থেকে ভোলার নিম্ন আয়ের মানুষদের কিছুটা রক্ষা করতে রাতের আঁধারে বেড়িঁবাধ ঘুরে ঘুরে শীতবস্ত্র হিসাবে কম্বল বিতরণ করেছেন ভোলা জেলা প্রশাসক আরিফুজ্জামান।

কনিবার (১৩ জানুয়ারী) রাতে ভোলার ধনিয়ার কোরারকাট বেড়িঁবাধ, শিবপুর শান্তিরহাটসহ বেশ কয়েকটি এলাকা ঘুরে দুই শতাধিক পরিবারের মাঝে নিজে শীতবস্ত্র হিসাবে কম্বল তুলে দেন। এসময় তিনি বেড়িঁবাধে থাকা নি¤œ আয়ের মানুষের খোঁজ খবর নেন জেলা প্রশাসক।রাতের আঁধারে ঘরের দুয়ারে জেলা প্রশাসককে কম্বল নিয়ে হাজির হতে দেখে আবেগে আপ্লুত হন অনেক বেড়িঁবাধ এলাকার অসহায় শীতার্ত মানুষগুলো। তীব্র শীতের মধ্যে শীতবস্ত্র পেয়ে খুশিতে আত্মহারা বেড়িঁবাধ এলাকার অসহায় মানুষগুলো।

কম্বল পাওয়া ধনিয়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের কোররাহাট এলাকার রিকসাচালক আবুল বাশার বলেন, আমি রিকশা চালক। রাত হলে ছেলে মেয়ে নিয়ে শীতে খুব কষ্ট করি। রোজগার করে যে টাকা পাই তাদিয়ে একটা ভালো কম্বল কিনার সাদ্য নেই।অনেকের কাছে একটা কম্বল চাইচিলাম কেউ দেয়নি। আজ ডিসি স্যার আমার বাড়ীতে এসে নিজে শীতবস্ত্র দিয়েছেন। এটা আমার জীবনের সব থেকে বড় পাওয়া।মনে হয় আল্লাহ আমার চাওয়া কবুল করছে। এখন রাতে শান্তিতে ঘুমাতে পারব।৬০ বছরে বৃদ্ধা সালেহা বেগম বলেন, শীতে রাতে ঘুমাতে অনেক কষ্ট হতো। অনেক সময় শীতের কারণে ঘুম ভেঙে যেত কিন্তু আজকে স্যার আমাকে একটা শীতবস্ত্র হিসাবে কম্বল দিয়েছেন। আজ আমি শান্তিতে ঘুমাতে পারব।

শীতে কম্বল পাওয়া মরিয়ম বলেন, আমার স্বামী একজন জেলে। নদীতে তেমন কোন মাছ নাথাকায় আয়রোজগার তেমন হয়না। পোলাপাইনরে দুইটা শীতের পোশাকও কিনে দিতে পারতেছেনা। এই শীতের মধ্যে রাতে অনেক কষ্টে ছেলে-মেয়ে নিয়া ঘুমাই। জেলা প্রশাসন থেকে আমাকে একটা কম্বল দিয়েছে। এখন ভালো করে ঘুমাতে পারব।

ভোলা জেলা প্রশাসক আরিফুজ্জামান বলেন, গত কয়েকদিন ধরে খুব কনকনে শীত পড়েছে। এই জেলায় ছিন্নমূল মানুষের পাশাপাশি বেড়িঁবাধ এলাকায় নিম্ন আয়ের মানুষ বসবাস করে থাকেন। শীত বেড়ে যাওয়ায় এসব মানুষ শীতে অনেক কষ্ট পাচ্ছে। তাই তাদের কষ্ট কিছুটা লাগব করার জন্য এই শীত বস্ত্র নিয়ে নিজে ছুটে এসেছি তাদের কষ্ট লাগব করার জন্য। আমরা এবছর দুযোর্গ ব্যবস্থপনা মন্ত্রণালয় ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ত্রান ভান্ডার থেকে ৪৩ হাজার ৫শ কম্বল পেয়েছি। যেগুলো আমরা উপজেলা ও ইউনিয়ন ভিত্তিক বিবাজন করেছি। ইতিমধ্যে স্ব-স্ব উপজেলা দুস্থ ও শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরন করেছে।এই কার্যক্রম চলমান থাকবে।

এসময় জেলা প্রশাসকের সাথে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রিপন কুমার সাহা, ভোলা সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার সজল চন্দ্র শীল, ভোলা সদর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইউনুছ, সিনিয়র সহকারী কমিশনার (নেজারত শাখা) মো: আবু সাঈদ, সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ জিয়াউল হকসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জনপ্রতিনিধি সাংবাদিকরা এসময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com