1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মুফতি আমীর হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দেশের গ্যাস সরবরাহে বড় ঘাটতি আমি এই মন্ত্রী, এই মন্ত্রণালয়ে যে দুর্নীতি করবে, ২৪ ঘণ্টা থাকতে পারবে না: শিক্ষামন্ত্রী ধামইরহাটে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন সাতক্ষীরার কলারোয়ার পুত্রবধূ তুলি বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনীত বাংলাদেশ কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট সমিতি ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার সমাবেশ অনুষ্ঠিত পুলিশের বিশেষ অভিযান: ২৪ ঘণ্টায় ২৭ আসামি গ্রেফতার মাদারীপুর শিবচরে তেলবাহী ট্রাক ডাকাতি মামলায় দুইজন গ্রেফতার জ্বালানি পেতে সেচ পাম্প নিয়ে ফিলিং স্টেশনে কৃষকের ভিড় মাদারীপুরে বেকারিকে নিরাপদ খাদ্য আইনে এক লাখ টাকা জরিমানা

নাশকতা রুখতে বেনাপোল আন্তর্জাতিক রেলস্টেশনে নিরাপত্তা জোরদার

কিশোর কুমার দেবনাথ
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৩ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ১৯৬ বার পড়া হয়েছে
নির্বাচন বিরোধীদের রেলপথে নাশকতা রুখতে বেনাপোল আন্তর্জাতিক রেল স্টেশনে নেওয়া হয়েছে বাড়তি সতর্কতা। নিয়মিত রেল স্টেশন প্ল্যাটফর্ম, রেল লাইন ও রেল কোচে টহল ও যাত্রীদের সন্দেহভাজন ব্যাগ তল্লাশি করছেন নিরাপত্তাকর্মীরা। এতে অনেকটা স্বস্তি ফিরেছে যাত্রীদের মধ্যে।আন্তর্জাতিক এ রেল স্টেশন দিয়ে পাসপোর্টধারী যাত্রী যাতায়াত ও পণ্য পরিবহন হয়ে থাকে। আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। তবে  বিরোধীরা নির্বাচন বানচাল করতে আগে থেকেই সড়কে অবরোধ, হরতাল ডেকে বাস, ট্রাক জ্বালিয়ে নাশকতা চালিয়ে আসছে। এখন সড়ক পথের পাশাপাশি তারা এ নাশকতা রেল পথে বিস্তৃতি ঘটিয়েছে। এমন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ফলে জনজীবন এবং জনগণের নিরাপদ ট্রেন যাত্রায় বড় ধরনের হুমকির মধ্যে ফেলেছে।
রেল বিভাগ সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি দেশে নির্বাচন বিরোধীরা রেলে বড় ধরনের পাঁচটি নাশকতার ঘটনা ঘটেছে। এতে দেশের রেল সম্পদ নষ্ট ও ৫ জনের প্রাণ গেছে। এসব নাশকতায় সরকারের সম্পদ যেমন ক্ষতি হয়েছে তেমনি নিরীহ মানুষের জীবন হানি ঘটেছে। এতে সাধারণ যাত্রীরা অনেকটা ভীত। তবে সরকার নাশকতা প্রতিহত করে যাত্রীদের যাত্রা নিরাপদ করতে ইতিমধ্যে কঠিন পদক্ষেপ নিয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সারা দেশে ২ হাজার ৭০০ আনসার সদস্য রেলের নিরাপত্তায় কাজ করছে।
 এ ছাড়া রেল পুলিশ, রেল নিরাপত্তা কর্মীরাও নিরাপত্তায় অংশ নিয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় বেনাপোল রেল স্টেশন প্ল্যাটফর্ম, রেল লাইন ও রেল কোচে নিয়মিত টহল ও যাত্রীদের সন্দেহ ভাজন ব্যাগ তল্লাশি করছেন আনসার, রেল পুলিশসহ অনন্যা নিরাপত্তাকর্মীরা। এতে স্বস্তি ফিরেছে যাত্রীদের মধ্যে।
রেল যাত্রী ভারত থেকে আগত অনিতা বিশ্বাস বলেন, ‘রেলে নাশকতা কর্মকাণ্ডে আমরা অনেকটা আতঙ্কিত। তবে
সরকারের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় স্বস্তি ফিরেছে।
নিরীহ মানুষের জীবন নিয়ে কখন দাবি আদায় হয় না।’ আমদানি কারক আমিনুর রহমান বলেন, ‘বেনাপোল বন্দর দিয়ে রেলে দুই দেশের মধ্যে যাত্রী যাতায়াত ও পণ্য পরিবহন হয়। রেলে নাশকতার ঝুঁকি রয়েছে। তবে বর্তমান নিরাপত্তা ব্যবস্থায় অনেকটা নিরাপদ মনে হচ্ছে। বেনাপোল পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (নিরস্ত্র) আব্দুর রশিদ বলেন, রেলে নাশকতা রুখতে সব ধরনের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। আনসার, রেল পুলিশ ও রেল নিরাপত্তাকর্মীরা সজাগ রয়েছে। বেনাপোল রেল স্টেশন মাস্টার সাইদুর রহমান বলেন, বেনাপোল আন্তর্জাতিক রেল পথে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে যাত্রীবাহী বন্ধন রেল, ঢাকা-বেনাপোল রুটে বেনাপোল এক্সপ্রেস ছাড়াও লোকাল বেদনা বেশ কটি রেল যাত্রী পরিবহন করছে। এ ছাড়া পণ্য পরিবহনে যুক্ত রয়েছে কার্গো রেল, পার্সেল ভ্যান ও রেল ওয়াগন।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com