1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বিএনপি নেতা আহত, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ উর্দুভাষী বাংলাদেশিদের পুনর্বাসন নিয়ে ভাবছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী ইসরায়েলি কায়দায় ছাত্রদলের আদুভাইয়েরা হলের সিট দখল করছেন: ডাকসু নেতা মুসাদ্দিক বাল্যবিবাহে না বলায় স্কুলছাত্রী তহমিনাকে জেলা প্রশাসকের ‘কন্যা সাহসিকতা’ সম্মাননা কেন্দুয়ায় জমির বিরোধে সংঘর্ষ :১ নারী নিহত ঢাকার প্রথম নারী ডিসি ফরিদা খানম সংরক্ষিত আসনের নির্বাচন এনসিপি নেত্রী তাবাসসুমের মনোনয়নপত্রও বাতিল তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ ও যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার : শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে ছুরিকাঘাত: নদীতে ঝাঁপ দিয়েও রক্ষা পেল না আসামী, নিয়ামতপুরে একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যা: জমিজমা বিরোধের সূত্র, জিজ্ঞাসাবাদে ৫ জন

নিউজ প্রকাশের জের ধরে সাংবাদিককে হত্যা চেষ্টার পর মিথ্যা মামলা

মোঃ উজ্জল বাদশা
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৪ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৬৪১ বার পড়া হয়েছে
ধর্মের কল বাতাসে নড়ে, সত্যের জয় সর্বদা, মিথ্যার ঢোল বাজে ঢাকঢোল, মিথ্যা মিলিয়ে যায় চির অন্ধকারে। সত্য জ্বলে চাঁদের আলোয়।
কৈখালীতে রেশন কার্ডে স্বজনপ্রীতি অনিয়ম শিরোনামে নিউজ প্রকাশ হওয়ায়,চেয়ারম্যান শেখ আব্দুর রহিম ক্ষিপ্ত হয়ে এ রকম একটি সাজানো হত্যা চেষ্টায় ব্যর্থ্য হয়ে মোবাইল ছিনতাইয়ের দীর্ঘ দিন পর মিথ্যা হয়রানি মূলক সাইবার নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করেন চেয়ারম্যান শেখ আব্দুর রহিম।
এমন ঘটনায় ,যা এলাকাবাসী সহ সাংবাদিক সমাজের মাঝে চরম ক্ষোভের দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলায় ৫ নং কৈখালী ইউনিয়নে একটা নিউজ প্রকাশিত কে জড়িয়ে সাংবাদিককে মোবাইল ফোনে ডেকে হত্যা চেষ্টা করার উদ্দেশ্যে ব্যর্থ্য হয়ে নষ্টা চরিত্রের মহিলা দিয়ে মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়,এবং ধর্ষণ ও নারী শিশু নির্যাতনের মামলার ভয় দেখিয়ে সাংবাদিক মোঃ আলফাত হোসেন নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করার চেষ্টা চালাচ্ছেন চেয়ারম্যান শেখ আব্দুর রহিম।
এ ঘটনায় জেলা জুড়ে সাংবাদিক মহলসহ সর্বস্তরে তোলপাড় শুরু হয়েছে। ঘটনার সূত্র ধরে অনুসন্ধান চালালে কথিত এই সাংবাদিককে নিয়ে হত্য চেষ্টার নাটকীয় ঘটনার তথ্য ধীরে ধীরে ফাঁস হয়ে পড়ছে। ঘটনার দিন সকালে ০১৯৪৬২২৩৭১৩ নাম্বার হতে ফোন দিয়ে ডেকে নিয়ে হত্যা করতে না পেরে তারা ঘটনাস্থলে ইসমাইল হোসেন মেজরের নিজ বাড়িতে তার নষ্টা চরিত্রের বোন কে দিয়ে ফাঁসিয়ে দেন একপর্যায়ে মোবাইল ফোন কেড়ে নেই।
এ ব্যাপারে সাংবাদিক আলফাত হোসেন প্রতিবেদককে জানান রেশন কার্ডে অনিয়ম স্বজনপ্রীতি একটা নিউজ প্রকাশিত হওয়ায় ইসমাইল হোসেন মেজর নামে ০১৯৪৬২২৩৭১৩ এই নাম্বার হতে আমাকে নিউজ সংক্রান্ত বিষয়ে আলাপ আলোচনা করবে বলে ও চেয়ারম্যানের উপস্থিত থাকবে বলে আমাকে তার নিজ বাড়িতে ডাকে একপর্যায়ে আমি সহ আমার সাথে আমার সহায়ক একজনকে নিয়ে গেলে এমন ঘটনা ঘটিয়েছিল এবং আমি কৌশলে সেখান থেকে পালিয়ে ৯৯৯ কল দিলে শ্যামনগর থানা পুলিশ আমাকে উদ্ধার করে থানায় প্রেরণ করে, এবং দীর্ঘ ১৫ ঘন্টা পরে ৫ নং কৈখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শেখ আব্দুর রহিম ও ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মেম্বার শেখ শাহানুর আলমের থেকে শ্যামনগর থানা পুলিশ মোবাইল দুটি উদ্ধার করেন।
সাংবাদিক আলফাত হোসেন জানান,গত ৯ ই জুন ২০২৩ আমি ফেসবুকে কৈখালী চেয়ারম্যান শেখ আব্দুর রহিমকে নিয়ে গাজী নুরইসলাম নামে একজনকে কটুক্তি করতে দেখি এবং তারই প্রতিবাদ মূলক ও ঘটনা সত্যতার জন্য ফেসবুক স্টিম লাইভে ১১ই জুন ২০২৩ আমন্ত্রণ জানিয়ে আমার নিজের ফেসবুকে যুক্ত করে বিষয়টি জানতে চাই এবং সেখানে প্রতিবাদ মূলক প্রশ্ন করি,চেয়ারম্যান শেখ আব্দুর রহিম সেই ফেসবুক ভিডিও টা তার পূর্বের পরিকল্পিত অনুযায়ী নিউজ প্রকাশের জের ধরে ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসা মূলক গত ৩/১০/২০২৩ সাইবার ট্রাইবুনাল খুলনা আদালতে সাংবাদিক আলফাত কে ১ নং আসামি করে একটি হয়রানি মিথ্যা ষড়যন্ত্র মূলক মামলা দায়ের করেন।
কৈখালী ইউনিয়নের জনসাধারণ বেশ কিছু এলাকাকাবাসী নাম প্রকাশে অনৈচ্ছুক শর্তে বলেন, ঘটনাটি পরিকল্পিত ও নাটকীয় ভাবে সাংবাদিক আলফাতকে হত্যার চেষ্টা সহ মিথ্যা ভিত্তিহীন হয়রানি মামলা করেছেন।
স্থানীয় সাংবাদিক সহ সাতক্ষীরার বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের সাংবাদিক নেতারা বলেন, চেয়ারম্যান শেখ আব্দুর রহিম সাংবাদিক আলফাতের বিরুদ্ধে আদালতে যে ফেসবুক ভিডিওর অভিযোগে মামলা দায়ের করেছেন সেটা সম্পুর্ণ ভিত্তিহীন হয়রানি মূলক মামলা,প্রশাসনের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে তদন্ত করা হউক, এতে প্রকৃত ঘটনা বেড়িয়ে আসবে, এবং মিথ্যা বানোয়াট ও সাজানো এ নাটকীয় ঘটনার সত্যতা উৎঘাটন করে ষড়যন্ত্রের সাথে লিপ্ত চেয়ারম্যান শেখ আব্দুর রহিমকে আইনের আওতায় এনে তাদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নিতে জোর দাবী জানান।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com