1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বিএনপি নেতা আহত, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ উর্দুভাষী বাংলাদেশিদের পুনর্বাসন নিয়ে ভাবছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী ইসরায়েলি কায়দায় ছাত্রদলের আদুভাইয়েরা হলের সিট দখল করছেন: ডাকসু নেতা মুসাদ্দিক বাল্যবিবাহে না বলায় স্কুলছাত্রী তহমিনাকে জেলা প্রশাসকের ‘কন্যা সাহসিকতা’ সম্মাননা কেন্দুয়ায় জমির বিরোধে সংঘর্ষ :১ নারী নিহত ঢাকার প্রথম নারী ডিসি ফরিদা খানম সংরক্ষিত আসনের নির্বাচন এনসিপি নেত্রী তাবাসসুমের মনোনয়নপত্রও বাতিল তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ ও যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার : শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে ছুরিকাঘাত: নদীতে ঝাঁপ দিয়েও রক্ষা পেল না আসামী, নিয়ামতপুরে একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যা: জমিজমা বিরোধের সূত্র, জিজ্ঞাসাবাদে ৫ জন

পরিবারের শূন্যতা পূরণে রাবি শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত ইফতার

ফজলে রাব্বী পরশ 
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৪ মার্চ, ২০২৪
  • ৫৫৬ বার পড়া হয়েছে
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের প্রায় ৫৯টি বিভাগের আয়োজনে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর অ্যাকাডেমিক ভবনের ছাদে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
পরিবারের শূন্যতা পূরণে নিজেদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ সুদৃঢ়করণ ও মুসলিম সংস্কৃতিকে তুলে ধরার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের (৭০তম ব্যাচ) উদ্যোগে এমন ইফতারের আয়োজন করা হয়েছে। এতে শিক্ষার্থীরা আনন্দ প্রকাশ করে প্রতিবছরই এমন আয়োজন চান বলে জানান তারা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী শাহ পরান বলেন, নিজেদের মধ্যে ভাতৃত্ববোধ সুদৃঢ়করণ ও মুসলিম সংস্কৃতিকে হাইলাইট করাই ছিলো আমাদের প্রধান উদ্দেশ্য। অনেক বিভাগের ক্লাস শেষ হওয়ায় শিক্ষার্থীরা বাড়ি চলে গিয়েছে এবং অধিকাংশ বিভাগের পরীক্ষা চলছে বিধায় অনেকে আগ্রহী থাকা সত্বেও অংশগ্রহণ করতে পারেনি। তবুও প্রায় সব বিভাগের উপস্থিতিই সন্তোষজনক ছিলো। আমরা প্রতিবছরই এভাবে ভাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হতে চাই।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী তানভীর হোসেন তাহসিন বলেন, পরিবারের বাইরে এমন সম্মিলিত ইফতার আমাদের সকলের সাথে পরিচয় হবার সুযোগ করে দেয়। এই ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে ভবিষ্যতে আমরা আরো বড় পরিসরে আয়োজন করার চেষ্টা করবো।
আরবি বিভাগের শিক্ষার্থী নুরুল্লাহ আলম নুর বলেন, আজকের ইফতারে ৭০তম ব্যাচের পক্ষ থেকে ৫৯টি ডিপার্টমেন্টের অনেকেই ছিলো। বিষয়টি অনেক আনন্দের। সবার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আয়োজনটাকে আরো ফুটিয়ে তুলেছে, এমন আয়োজন বারবার চাই। নিরঙ্কুশ ৭০ এগিয়ে চলুক।
ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের শিক্ষার্থী বদরুল ইসলাম জামিল বলেন, এমন একটি ইফতারের আয়োজন করতে পেরে আমরা আনন্দিত ও উচ্ছ্বসিত। সবাই একত্রিত হতে পেরেছি এমনকি আয়োজনে সবাই স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেছি। আমরা চাই পরবর্তী দিনগুলোতে নিজেদের ভিতরে ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় রেখে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে একসাথে চলতে।
উল্লেখ্য, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭০তম ব্যাচের নাম ‘নিরঙ্কুশ-৭০’ রাখা হয়েছে। প্রথমবারের মতো তাদের এই আয়োজনে সবাই মুগ্ধ। প্রতিবছরই এমন আয়োজন হবে বলে আশাবাদী তারা।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com