1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ০১:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চাঁদপুরে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ, তদন্তে উঠে এলো হ/ত্যা/র আলামত পাইকগাছা রিপোর্টার্স ইউনিটির আয়োজনে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ঝালকাঠির নলছিটিতে কিস্তির ঋণের চাপ সহ্য করতে না পেরে যুবকের আত্মহত্যা চাঁদপুরে কোস্ট গার্ডের অভিযানে প্রায় ৩৬ লক্ষ টাকার জাটকা জব্দ টেকনাফে র‍্যাবের ওপর হামলা, আহত ৯ ‎কুমারখালী প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহের ভালুকায় ২ নং মেদুয়ারী ইউনিয়নে সরকারি চাল বরাদ্দের অনিয়ম আসন্ন বকশীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জামায়াতের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এডভোকেট মাওলানা ইলিয়াস হোসাইন! জামালপুরে স্বামীকে গাছে বেঁধে স্ত্রীকে ধ*র্ষণ, ৩ জনের মৃ*ত্যুদণ্ড! ফরিদপুরে ৪ হাজার ই*য়া*বাসহ দুই মা-দক কার*বারি গ্রে*ফ*তার!

পিচ রাস্তার নিচে হতে মাটি ধ্বশে গেছে দুর্ঘটনার আশংকা

মেহেদী হাসান শিপলু
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ২১১ বার পড়া হয়েছে

যশোরের চৌগাছা-কোটচাঁদপুর মেইন সড়কে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি বৃষ্টিতে পানির স্রোত  নামায় ভাঙ্গনের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা বাড়তি সতর্কতায় সেখানে লাল কাপড় ঝুলিয়ে পথচারীসহ যানবাহন চালকদের সতর্ক করছেন। দ্রুত মেরামত করা না হলে দুর্ঘটনার আশংকা করছেন এলাকাবাসি। পৌর এলাকার ইছাপুর বটতলা মোড়ের কাছেই কোটচাঁদপুর সড়কের পশ্চিম পাশে হঠাৎ ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। সড়কের পাশে বেশ কিছু জায়গা নিয়ে মাটি ধ্বশে গেছে, শুধু পাশের মাটিই না পিচ রাস্তার নিচ হতেও মাটি ধ্বশে গেছে।

স্থানীয়রা জানান, গত বৃহস্পতিবার হালকা বৃষ্টির পানির স্রোত  এসে ভাঙ্গা স্থান দিয়ে সড়কের পাশে পড়েছে। পানির স্রোতের কারনে এক দিনেই সৃষ্টি হয়েছে ভাঙ্গন।প্রথমে সড়কের পাশে কাঁচা রাস্তা ভাঙতে থাকে পরে তা পিচ রাস্তার নিচে হতেও মাটি সরে যেতে শুরু করেছে। গতকাল সরেজমিন ঘটনাস্থলে যেয়ে দেখা যায়, ভয়ানক এক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। উপর থেকে কোন ভাবেই বুঝা সম্ভব না পিচ রাস্তার নিচ হতে মাটি ধ্বসে গেছে। স্থান দিয়ে সব ধরনের যানবাহন এমনকি পথচারীরা বেশ সতর্কতার সাথে চলাচল করছেন। ¯’ানীয় বাসিন্দা মহিদুল ইসলাম বলেন, সড়কটি ইছাপুর বটতলা হতে সিএমআইটি কলেজ পর্যন্ত পশ্চিম পাশ বেশ ঢালু। বটতলাসহ ওই এলাকার পানি এসে ভাঙ্গাস্থান দিয়ে সড়কের পাশে পড়ে। বেশ আগে অল্প ভাঙ্গা দেখা গেলেও সম্প্রতি বৃষ্টিতে ভাঙ্গন বেড়েছে। ব্যবসায়ী বিল্লাল হোসেন বলেন, বৃষ্টির পানিতে ভাঙ্গন বেড়েছে ঠিকই কিন্তু এখন মনে হচ্ছে পিচ রাস্তার নিচে হতে মাটি ধ্বসে পড়ছে। প্রতি দিনই সড়কটি ঝুকিপূর্ণ হয়ে উঠছে মেরামত করা জরুরী। পথচারী শওকত আলী, আব্দুল আজিজ বলেন, পিচ রস্তার মাটি ধ্বশে যাওয়ায় সাধারন মানুষের বুঝে উঠা কষ্ট জায়গাটি ভাঙ্গা। অপরিচিতদের দুর্ঘটনায় পড়ার আশংকা বেশি। বাস চালক কালু মিয়া বলেন, ভাঙ্গা জায়গায় এসে সতর্কতার সাথে পার হতে হচ্ছে। এলাকাবসি জানান, সড়কটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ, সপ্তাহের শুক্র, সোম বুধবার চৌগাছার প্রধান কাঁচাবাজারসহ পশুহাট বসে। ঝিনাইদাহ জেলাসহ ওই এলাকার ট্রাক ও অন্যান্য যানবাহন এই তিন দিনে ব্যাপক চাপ থাকে সড়কে। এছাড়া সড়কের পাশে অন্তত ৪/৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। কোমলমতি শিক্ষার্থীরা নিয়মিত চলাচল করছে সড়ক দিয়ে। সড়কের চোরা ভাঙনের কারনে যে কোন সময় ঘটে যেতে পারে দুর্ঘটনা। দ্রুত সড়কটি মেরামদের দাবি স্থানীয়দের।

উপজেলা প্রকৌশলী রিসায়াত ইমতিয়াজ বলেন, ভাঙ্গার খবরটি জানা ছিল না, দ্রুতই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মেরামতের উদ্যোগ গ্রহন করা হবে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঝিনাইদহে পানির দরে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ, ঋণের দায়ে ঘরছাড়া হওয়ার আতঙ্কে কৃষকমাকসুদুল হক, ঝিনাইদহ- ১১ মার্চ, মঙ্গলবার ঝিনাইদহের বেশিরভাগ কৃষক এনজিও বা মহাজনের কাছ থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে পেঁয়াজ চাষ করেছেন। এখন সেই ঋণের কিস্তি শোধ করার চাপে তারা অনেকটা বাধ্য হয়েই লোকসানে ফসল বিক্রি করছেন। পবিত্র রমজান ও সামনে ঈদ। পরিবারের নতুন পোশাক কেনা তো দূরের কথা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতেই হিমশিম খাচ্ছেন তারা। ঝিনাইদহের মাঠজুড়ে এখন পেঁয়াজ তোলার কর্মযজ্ঞ। জেলার শৈলকূপা ও হরিণাকুণ্ডু উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠে মাঠে আগাম জাতের পেঁয়াজ উত্তোলনে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। বাজারে পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ এর অর্ধেক ঘরে আসছে। কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলায় এ বছর রেকর্ড প্রায় ১৩ হাজার হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষ হয়েছে, যা থেকে প্রায় দেড় লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে হরিণাকুণ্ডু উপজেলাতে ২৫০০ হেক্টর জমিতে এবার পেঁয়াজের ব্যাপক ফলন হয়েছে। কিন্তু পেঁয়াজের বর্তমান দামে চাষীর কপালে চিন্তার ভাঁজ। প্রতি মণে উৎপাদন খরচ ১৫০০ টাকার বেশি হলেও বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৭০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে। সরেজমিনে বিভিন্ন মাঠ ও হাট ঘুরে দেখা যায়, চাষিরা দল বেঁধে জমি থেকে পেঁয়াজ তুলছেন। কেউ পরিষ্কার করছেন, কেউ বা বস্তাবন্দি করে হাটে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায় এক চরম সত্য—পেঁয়াজ চাষে যে পরিমাণ হাড়ভাঙা খাটুনি আর অর্থ ব্যয় হয়েছে, বর্তমান বাজার দরে তার অর্ধেকও উঠে আসছে না। সার, বীজ, সেচ আর শ্রমিকের মজুরি মিলিয়ে উৎপাদন খরচ আকাশচুম্বী হলেও হাটে গিয়ে পেঁয়াজ বিক্রি করতে হচ্ছে পানির দরে। চাষিদের অভিযোগ। বর্তমানে পেঁয়াজ উত্তোলনের ভরা মৌসুম হওয়ায় সব কৃষক একসাথে পেঁয়াজ বাজারে নিয়ে আসছেন। হাটে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কয়েকগুণ বেশি হওয়ায় দাম কমে গেছে । ভরা মৌসুমে পেঁয়াজ আমদানির ফলে স্থানীয় বাজারের দেশি পেঁয়াজের কদর কমছে। পাইকাররা আমদানিকৃত পেঁয়াজের দোহাই দিয়ে দেশি পেঁয়াজের দাম কমিয়ে রাখছেন । স্থানীয় পর্যায়ে পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত হিমাগার নেই। ফলে পচে যাওয়ার ভয়ে এবং ঋণের কিস্তি শোধের চাপে কৃষকরা পানির দরেই পেঁয়াজ ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন । প্রান্তিক চাষি ও পাইকারি বাজারের মাঝখানে থাকা আড়তদার ও মধ্যস্বত্বভোগীদের একটি বড় অংশ বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। হরিণাকুণ্ডুর কৃষকরা বলছেন, বীজ, সার ও শ্রমিকের যে আকাশচুম্বী দাম, সেই তুলনায় বাজারের এই দর তাদের পথে বসিয়ে দেবে। বিশেষ করে সামনে রমজান ও ঈদ থাকায় পরিবারের বাড়তি খরচ মেটাতে তারা চরম সংকটে পড়েছেন। কৃষকদের দাবি, পেঁয়াজ আমদানি সাময়িকভাবে স্থগিত রেখে এবং সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে সরকারিভাবে পেঁয়াজ সংগ্রহের ব্যবস্থা করলে এই সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব। অন্যথায় লোকসানের ভারে ধসে পড়বে এই অঞ্চলের কৃষি অর্থনীতি।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com