1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০১:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মুফতি আমীর হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দেশের গ্যাস সরবরাহে বড় ঘাটতি আমি এই মন্ত্রী, এই মন্ত্রণালয়ে যে দুর্নীতি করবে, ২৪ ঘণ্টা থাকতে পারবে না: শিক্ষামন্ত্রী ধামইরহাটে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন সাতক্ষীরার কলারোয়ার পুত্রবধূ তুলি বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনীত বাংলাদেশ কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট সমিতি ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার সমাবেশ অনুষ্ঠিত পুলিশের বিশেষ অভিযান: ২৪ ঘণ্টায় ২৭ আসামি গ্রেফতার মাদারীপুর শিবচরে তেলবাহী ট্রাক ডাকাতি মামলায় দুইজন গ্রেফতার জ্বালানি পেতে সেচ পাম্প নিয়ে ফিলিং স্টেশনে কৃষকের ভিড় মাদারীপুরে বেকারিকে নিরাপদ খাদ্য আইনে এক লাখ টাকা জরিমানা

প্রচণ্ড শীতে রাবিতে ভ্রাম্যমাণ কাপড়ের দোকানগুলোতে জমে উঠেছে বেচাকেনা

ফজলে রাব্বী পরশ 
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৪০৩ বার পড়া হয়েছে
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) গত কয়েকদিন ধরে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। প্রচন্ড শীতের পাশাপাশি বইছে মৃদু বাতাস ফলে শীতের তীব্রতা যেন আরও জেঁকে বসেছে। শীতের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় বেড়েছে গরম কাপড়ের চাহিদাও। স্বল্প মূল্যে শীতের গরম কাপড় কিনতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভ্রাম্যমাণ দোকানগুলোতে ভিড় জমাচ্ছেন নারী শিক্ষার্থীরা। এদিকে শীত বেড়ে যাওয়ায় বেচাকেনাও বেড়েছে দোকানীদের।
বুধবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের পশ্চিম পাড়ায় মন্নুজান হলের সামনে এমন চিত্র দেখা যায়। সকাল ১০টা থেকে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত চলে এসব বেচাকেনা। তবে প্রতিদিন বিকেল নারী শিক্ষার্থীদের ভিড় থাকে বলে জানিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ দোকানের বিক্রেতারা।
সরে জমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের মন্নুজান হলের সামনে ও মেয়েদের হলে যাওয়ার রাস্তার আশেপাশে শীতের গরম কাপড় নিয়ে প্রায় ২০টি ভ্রাম্যমাণ দোকান বসেছেন। এসব দোকানে শীতের বিভিন্ন ধরনের গরম কাপড় উঠেছে। ফলে শিক্ষার্থীরা তাদের পছন্দ অনুযায়ী গরম কাপড় স্বল্প মূল্যে ক্রয় করতে এসব ভ্রাম্যমাণ দোকানগুলো থেকে। নারী শিক্ষার্থীদের ভিড়ে জমে উঠেছে গরম কাপড়ের এসব দোকান। এদিকে শীতের তীব্রতা কিছুটা বেশি হওয়ায় বেচাকেনাও বেড়েছে বলে জানান বিক্রেতারা। তবে আগের থেকে এবার কিছুটা গরম কাপড়ের দাম বেড়েছে বলে জানান তারা।
নারী শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাহেব বাজার ও নিউমার্কেট অনেকটা দূর হওয়ায় ক্যাম্পাসের ভ্রাম্যমাণ দোকানগুলো থেকেই তারা গরম কাপড় কিনছেন। এবং এখানে মার্কেটের তুলনায় পছন্দের শীতের পোশাক স্বল্পমূল্যে পাচ্ছেন তারা। কাপড় পছন্দ হলে ক্রেতাদের সাথে দাম চুকিয়ে ৫০ টাকা থেকে শুরু করে ৫০০-১০০০ টাকা দামের মধ্যেও ভালো মানের কাপড় কিনতে পারছেন বলে জানান তারা।
গরম কাপড় ক্রয় করতে আসা লোক প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী জান্নাতুন নাঈম তুহিনা নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে গত কয়েকদিন ধরে খুব বেশি ঠান্ডা পড়েছে। তাই গরম কাপড় কিনতে এখানে এসেছি। এখানে প্রায় অনেকগুলো গরম কাপড়ের দোকান এখানে বসেছে। পছন্দ মতো কাপড় স্বল্প মূল্যে এখানে পাওয়া যাচ্ছে। পছন্দ হলে একটি শীতের কাপড় নিবো বলে জানান এ শিক্ষার্থী।
এ বিষয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী সাথী আক্তার বলেন, এখানে শিক্ষার্থীবান্ধব বাজেটে বেশ ভালো ভালোমানের শীতের গরম কাপড় পাওয়া যায়। এই দোকানগুলোতে সবসময়ই ভিড় লেগে থাকে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিংহভাগ মেয়েরা এখান থেকে কাপড় কিনেন বলে আমার মনে হয়। মেয়েদের হলগুলোর সামনে দোকান গড়ে উঠায় একদিকে যেমন শিক্ষার্থীরা উপকৃত হচ্ছে অন্যদিকে মামারাও উপার্জনের একটি উৎস পেয়েছে। এসব দোকানে মধ্যবিত্ত বা নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে আসা শিক্ষার্থীরা অতীব প্রয়োজনীয় শীতের কাপড় স্বল্পমূল্যে ক্রয় করতে পারেন বলে জানান তিনি।
আগের থেকে বেচাকেনা অনেকটাই বেড়েছে জানিয়ে বিল্লাল হোসেন নামের এক বিক্রেতা বলেন, শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ার বেচাকেনা আগের তুলনায় অনেকটাই বেড়েছে। কাপড় ক্রয় করতে আসা শিক্ষার্থীদের সংখ্যাটাও বেড়েছে তবে এ বছর গরম কাপড়ের দাম কিছুটা বেড়েছে বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. আসাবুল হক বলেন, শীতে এসব ভ্রাম্যমাণ দোকানগুলো শিক্ষার্থীদের জন্য সুবিধা হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশের জন্য খারাপ। ভ্রাম্যমাণ দোকান মালিকদের বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিকট জায়গার জন্য আবেদন করে প্রশাসন কর্তৃক নিদিষ্ট জায়গায় বসতে আহবান জানান তিনি।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com