1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০১:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মঙ্গলবার এসএসসি পরীক্ষা শুরু, পরীক্ষার্থীদের মানতে হবে ১৪টি নির্দেশনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অ*ভি*যা*নে ‌দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রে’ফ’তা’র কেন্দুয়ায় ব্রি ধান ৮৮ বীজে মিশ্রণে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক: প্রতারণার অভিযোগ বীজ ব্যবসায়ির বিরুদ্ধে শতবর্ষের খাল দখলে বন্ধ পানিপ্রবাহ, জলাবদ্ধতায় চরম দুর্ভোগে ঈশ্বরগঞ্জের নাগরিকবৃন্দ কাজিপুর সরকারি মনসুর আলী কলেজে একাডেমিক ভবন ও ছাত্রাবাসের উদ্বোধন তারাগঞ্জে জ্বালানি সংকটে জনজীবন অতিষ্ঠ; ফুয়েল কার্ডে মিলছে না কাঙ্খিত সেবা মহাখালীতে রাজউকের নকশা তোয়াক্কা না করেই বহুতল ভবন: জননিরাপত্তা চরম ঝুঁকিতে বগুড়া সিটি করপোরেশন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের ব্যর্থতায় দেশ অনেকটা পিছিয়ে আছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী আইনের শাসনই শেষ কথা নয়, অপরাধ দমনে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রশাসন ব্যস্ত নির্বাচনে, সুযোগে বনানীতে সক্রিয় মাদক ব্যবসায়ীরা

হাবিব সরকার
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ৩০১ বার পড়া হয়েছে
আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ব্যস্ত নির্বাচন, হরতাল অবরোধ নিয়ে এই সুযোগে মাদক ব্যবসায়ীরা অবাধে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। রাজধানীর বনানীতে এতদিন আত্মগোপনে থাকা মাদক ব্যবসায়ীরাও আবার এলাকায় ফিরে এসে মাদক ব্যবসায় সক্রিয় হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বনানী থানাধীন প্রতিটি পাড়ামহল্লার অলিগলিতে অবাধে বিক্রি হচ্ছে মাদক। সমাজের উঠতি বয়সের ছেলেরা যেমন এ নেশায় আসক্ত হয়ে পড়েছে তেমনি স্কুল ও কলেজগামী ছাত্ররাও ইয়াবার নেশায় জড়িয়ে পড়ছে। প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসা চললেও প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছে। তারা এখন রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে ব্যস্ত। এই সুযোগে মাদক ব্যবসায়ীরা আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হচ্ছে। অন্যদিকে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে যুবসমাজ।
বনানী থানা পুলিশের সোর্স গোডাউন বস্তির শহীদ ও তার সহযোগি ওয়্যারলেস গেইট এলাকায় ড্রাইভার কাশেম, মহাখালী মধ্যপাড়ার শরিফ, মহাখালী পুরাতন বাজার এলাকায় মানিকসহ আরো কয়েকজন এতদিন আত্মগোপনে থাকলেও এখন তারা আবার মাদক ব্যবসায় সক্রিয় হয়েছে। প্রকাশ্যে তাদের মাদক কেনাবেচা করতে দেখা যাচ্ছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, শুধু বনানীতে নয় রাজধানীর গুলশান, বাড্ডা, নাখালপাড়া, টঙ্গী, দক্ষিণখান এলাকায় তারা হোম ডেলিভারিতে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।
মাদক ব্যবসার পাশাপাশি চুরি, দেহ ব্যবসা, চাঁদাবাজি ব্ল্যাকমেইল, অপহরন সহ এমন কোন হীন অপরাধের ঘটনা নেই যে তারা করছেনা, কিন্তু শত অপরাধ করেও তারা পুলিশের ধরা ছোঁয়ার বাহিরে।
বনানী থানাধীন বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এলাকাবাসীর সঙ্গে আলাপকরে জানা যায়, বনানী থানা পুলিশের সোর্স শহীদ এখন ঘরে ঘরে ভয়ংকর ইয়াবা ব্যবসা ছড়িয়ে দিয়েছে। তার সাথে যারা ব্যবসা করে তারা থাকে ধরা ছোঁয়ার বাহিরে। আর যারা শহীদের সাথে মাদক ব্যবসা করে না তাদের ধরিয়ে দেওয়া হয়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন বলেন, এলাকাভিত্তিক সরকারদলীয় কিছু সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ শহীদদের মতো মাদক ব্যবসায়ীদের আশ্রয় দিচ্ছে। থানা পুলিশও এদের বিরুদ্ধে নিচ্ছে না কোনো আইনগত ব্যবস্থা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এসব মাদক কারবারির কাছ থেকে মাসোয়ারা পাওয়ার কারণে পুলিশ এদের গ্রেফতার করছে না। তবে যাদের কাছ থেকে পুলিশ মাসোয়ারা পাচ্ছে না কেবল তাদেরকে ইয়াবা, গাঁজা ও ফেনসিডিলসহ আটক করছে।
সোর্স শহীদের অধীনে মহাখালী মধ্যপাড়ায় শরিফের বিল্ডিংয়ে চলে ইয়াবা, গাঁজা কেনাবেচা ও সেবন। ২০নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয়ের পাশে ভ্রাম্যমাণভাবে ইয়াবা ব্যবসা করে বুলুর ড্রাইভার কাশেম। সন্ধ্যার পর কাউন্সিলর কার্যালয়ের আশপাশে ইয়াবা সেবনকারীদের আনাগোনা বৃদ্ধি পেতে থাকে। মহাখালী ওয়্যারলেস গেইট এলাকার সব মাদক ব্যবসায়ীরা ব্যবসা ছেড়ে ভালো হয়ে গেলেও বর্তমানে ড্রাইভার কাশেম একমাত্র মাদক ব্যবসায় সক্রিয়।
এদিকে পাঠাও চালকের ছদ্দবেশে হোমডেলিভারিতে ইয়াবা ব্যবসা করছে মহাখালী পুরাতন বাজারের মানিক। ফোন করলেই ইয়াবা পৌঁছে দেয় ঘরে। মাঝে বাড্ডা থানায় বিপুল পরিমাণ ইয়াবা সহ গ্রেফতার হয় মানিক। পরে জেল থেকে জামিনে বেরিয়ে দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকে। বর্তমানে মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের ঢিলে ভাবে বনানী এলাকায় আবার মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে মানিক।
এদের সকলের মাদক ব্যবসার মূল হোতা বনানী থানা পুলিশের সোর্স শহীদ। সন্ধ্যার পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত শহীদের ঘরে চলে জুয়া খেলা, মাদক কেনাবেচা ও সেবন। এসময় তার ঘরে পুলিশের আনাগোনাও দেখা যায়। পুলিশের সাথে সখ্যতা থাকায় দীর্ঘদিন ধরে শহীদ রয়েছে ধরা ছোঁয়ার বাহিরে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com