1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ০৮:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চাঁদপুরে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ, তদন্তে উঠে এলো হ/ত্যা/র আলামত পাইকগাছা রিপোর্টার্স ইউনিটির আয়োজনে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ঝালকাঠির নলছিটিতে কিস্তির ঋণের চাপ সহ্য করতে না পেরে যুবকের আত্মহত্যা চাঁদপুরে কোস্ট গার্ডের অভিযানে প্রায় ৩৬ লক্ষ টাকার জাটকা জব্দ টেকনাফে র‍্যাবের ওপর হামলা, আহত ৯ ‎কুমারখালী প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহের ভালুকায় ২ নং মেদুয়ারী ইউনিয়নে সরকারি চাল বরাদ্দের অনিয়ম আসন্ন বকশীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জামায়াতের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এডভোকেট মাওলানা ইলিয়াস হোসাইন! জামালপুরে স্বামীকে গাছে বেঁধে স্ত্রীকে ধ*র্ষণ, ৩ জনের মৃ*ত্যুদণ্ড! ফরিদপুরে ৪ হাজার ই*য়া*বাসহ দুই মা-দক কার*বারি গ্রে*ফ*তার!

প্রিয় জন্মভূমির সান্দিকোনায় নৌকার ভোট চাইলেন অসীম কুমার উকিল

শামীম আহমেদ
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ৩১৫ বার পড়া হয়েছে

১৫৯ নেত্রকোনা-৩ আসনে (আটপাড়া কেন্দুয়া নির্বাচনী এলাকায় আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী অসীম কুমার উকিল নৌকার বিজয় নিশ্চিত করতে জন্মভূমি সান্দিকোনায় সকলের কাছে নৌকায় ভোট চাইলেন। রবিবার সন্ধ্যা ৬টায় সান্দিকোনা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত আওয়ামীলীগের মতবিনিময় সভায় এ ভোট চান তিনি।

এ সময় তিনি বলেন, এই সান্দিকোনার ধূলোমাটি মেখেই বড় হয়েছি। এই মাটির ঋণ কোন দিন শোধ করতে পারব না। সান্দিকোনার সন্তান হিসাবে বিগত ৫ বছর জাতীয় সংসদ সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সব মানুষের আশা ও উন্নয়ক কর্মকান্ডে চাহিদা পূরণ করতে পারিনী। এতে এই সময়ে যতটুকু সফলতা এসেছে ততটুকু সমগ্র সান্দিকোনা বাসীর আর যতটুকু ব্যর্থতা সবটুকুই আমার।

অসীম কুমার উকিল বলেন, এই সান্দিকোনার পবিত্র মাটিতে দাঁড়িয়ে বলছি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক ও দলের সাথে কোন প্রাতারণা করিনি। কাউকে

চাকুরী বা কোন কাজ পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে টাকা নেই নি। যা পারব তা করেছি যা পারব না তা না করে দিয়েছি। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অনুদানের চেক আগে ঢাকা থেকে গিয়ে আনতে হতো।

এমপির ডিওলেটারের জন্য অনেক ঘুরতে হতো এবং বিভিন্ন মিটিংয়ের নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেলেও নেতাকর্মীদের ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থাকতে হতো। কিন্তু আমি আপনাদের সান্দিকোনার অসীম উকিল হিসাবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এসব চেক এনে সংগ্রহ করে নির্বাচনী এলাকার অসহায় মানুষদেরকে কেন্দুয়ার বাসাতে এনে বিতরণ করেছি। সময়মতো মিটিংয়ে গিয়ে উপস্থিত হয়েছি। চেষ্টা করেছি একটি সিস্টেমের মাধ্যমে দলটাকে পরিচালনা করার।

এতে অনেকেরেই মনে কষ্ট আছে। সেই কষ্ট বিষয়টি প্রথমবার এমপি হিসাবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বুঝেছি। আপনাদের ভোটে যদি আবার মহান সংসদে যেতে পারি সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে সকলের মনের কষ্ট দূর করার জন্য প্রাণপণ চেষ্টা করব। তাই আপনাদের কাছে করজোরে অনুরোধ রাখছি অতীথের সব ভুলভ্রান্তি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে আবারো প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসাতে সকলে মিলেই নৌকায় ভোটদিন। নৌকা মার্কাকে জয়যুক্ত করুন। মনে রাখবেন যতদিন শেখ হাসিনার হাতে দেশ, তত দিন পথ হারাবেনা বাংলাদেশ।

সান্দিকোনা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও ছয় বারের নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: আজিজুল ইসলামের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের নেতারা নৌকার বিজয় নিশ্চিত করার অঙ্গীকারে বক্তব্য দেন।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঝিনাইদহে পানির দরে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ, ঋণের দায়ে ঘরছাড়া হওয়ার আতঙ্কে কৃষকমাকসুদুল হক, ঝিনাইদহ- ১১ মার্চ, মঙ্গলবার ঝিনাইদহের বেশিরভাগ কৃষক এনজিও বা মহাজনের কাছ থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে পেঁয়াজ চাষ করেছেন। এখন সেই ঋণের কিস্তি শোধ করার চাপে তারা অনেকটা বাধ্য হয়েই লোকসানে ফসল বিক্রি করছেন। পবিত্র রমজান ও সামনে ঈদ। পরিবারের নতুন পোশাক কেনা তো দূরের কথা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতেই হিমশিম খাচ্ছেন তারা। ঝিনাইদহের মাঠজুড়ে এখন পেঁয়াজ তোলার কর্মযজ্ঞ। জেলার শৈলকূপা ও হরিণাকুণ্ডু উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠে মাঠে আগাম জাতের পেঁয়াজ উত্তোলনে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। বাজারে পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ এর অর্ধেক ঘরে আসছে। কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলায় এ বছর রেকর্ড প্রায় ১৩ হাজার হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষ হয়েছে, যা থেকে প্রায় দেড় লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে হরিণাকুণ্ডু উপজেলাতে ২৫০০ হেক্টর জমিতে এবার পেঁয়াজের ব্যাপক ফলন হয়েছে। কিন্তু পেঁয়াজের বর্তমান দামে চাষীর কপালে চিন্তার ভাঁজ। প্রতি মণে উৎপাদন খরচ ১৫০০ টাকার বেশি হলেও বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৭০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে। সরেজমিনে বিভিন্ন মাঠ ও হাট ঘুরে দেখা যায়, চাষিরা দল বেঁধে জমি থেকে পেঁয়াজ তুলছেন। কেউ পরিষ্কার করছেন, কেউ বা বস্তাবন্দি করে হাটে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায় এক চরম সত্য—পেঁয়াজ চাষে যে পরিমাণ হাড়ভাঙা খাটুনি আর অর্থ ব্যয় হয়েছে, বর্তমান বাজার দরে তার অর্ধেকও উঠে আসছে না। সার, বীজ, সেচ আর শ্রমিকের মজুরি মিলিয়ে উৎপাদন খরচ আকাশচুম্বী হলেও হাটে গিয়ে পেঁয়াজ বিক্রি করতে হচ্ছে পানির দরে। চাষিদের অভিযোগ। বর্তমানে পেঁয়াজ উত্তোলনের ভরা মৌসুম হওয়ায় সব কৃষক একসাথে পেঁয়াজ বাজারে নিয়ে আসছেন। হাটে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কয়েকগুণ বেশি হওয়ায় দাম কমে গেছে । ভরা মৌসুমে পেঁয়াজ আমদানির ফলে স্থানীয় বাজারের দেশি পেঁয়াজের কদর কমছে। পাইকাররা আমদানিকৃত পেঁয়াজের দোহাই দিয়ে দেশি পেঁয়াজের দাম কমিয়ে রাখছেন । স্থানীয় পর্যায়ে পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত হিমাগার নেই। ফলে পচে যাওয়ার ভয়ে এবং ঋণের কিস্তি শোধের চাপে কৃষকরা পানির দরেই পেঁয়াজ ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন । প্রান্তিক চাষি ও পাইকারি বাজারের মাঝখানে থাকা আড়তদার ও মধ্যস্বত্বভোগীদের একটি বড় অংশ বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। হরিণাকুণ্ডুর কৃষকরা বলছেন, বীজ, সার ও শ্রমিকের যে আকাশচুম্বী দাম, সেই তুলনায় বাজারের এই দর তাদের পথে বসিয়ে দেবে। বিশেষ করে সামনে রমজান ও ঈদ থাকায় পরিবারের বাড়তি খরচ মেটাতে তারা চরম সংকটে পড়েছেন। কৃষকদের দাবি, পেঁয়াজ আমদানি সাময়িকভাবে স্থগিত রেখে এবং সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে সরকারিভাবে পেঁয়াজ সংগ্রহের ব্যবস্থা করলে এই সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব। অন্যথায় লোকসানের ভারে ধসে পড়বে এই অঞ্চলের কৃষি অর্থনীতি।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com