1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ০৩:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঈদে নৌ-যাত্রায় নিরাপত্তা নিশ্চিতে মোংলায় কোস্ট গার্ডের বিশেষ টহল নাটোরের সিংড়ায় পথচারী ও শ্রমজীবীদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ ‎খতিব ও মুয়াজ্জিনদের সম্মানে কুমারখালীতে বিশেষ ঈদ উপহার বিতরণ পিরোজপুরে প্রযুক্তিনির্ভর সহিংসতা প্রতিরোধে প্রেস ব্রিফিং হরিপুরে ইউএনও’র কক্ষে নথিপত্র ছিনতাই উপজেলা প্রশাসনের হৃৎপিণ্ডে আঘাত জসীমউদ্দীন ইতি ঠাকুরগাঁও । পাইকগাছায় জ্বালানী তেলের তীব্র সংকট: ব্লাকে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ খুচরা ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে পশুর নদীসহ সুন্দরবন সংলগ্ন নদ-নদীর জীবন্ত সত্তা ফিরিয়ে আনতে হবে-প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল ইসলাম কেন্দুয়া উপজেলা বিএনপি ও সকল অঙ্গ সংগঠনের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান : বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যক্রমমের অংশ হিসেবে বাগীশিক পদুয়া ইউনিয়ন সংসদ এর বার্ষিক বনভোজন ও মিলনমেলা। নগরকান্দায় নববধূর গলায় ওড়না পেচিয়ে আত্মহত্যা, স্বামী-শ্বশুর পরিবার পলাতক!

ফরিদপুরে অস্ত্র মামলায় ২ জনের ১৭ বছরের কারাদন্ড

নাজিম বকাউল
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ১৬৯ বার পড়া হয়েছে
ফরিদপুরের বহুল আলোচিত ইতিয়াজ হাসান রুবেলসহ ২ জনকে অস্ত্র মামলায়১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।  ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক অশোক কুমার দত্ত এ রায় দেন।রোববার দুপুরে  এ রায় ঘোষণা করা হয়।  অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইনে পিস্তল রাখার দায়ে দুজনকে ১০ বছর করে এবং গুলি রাখায় ৭ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।
মামলায় সাজাপ্রাপ্ত অপর আসামি হলেন শহরের শোভারামপুর এলাকার বাসিন্দা রেজাউল করিম বিপুল।  রায় ঘোষণার সময় তারা আদালতে হাজির ছিলেন।  পরে পুলিশ পাহারায় তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।ইমতিয়াজ হাসান রুবেল ফরিদপুরের শহর আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন বরকতের ভাই। তাদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত আলোচিত ২ হাজার কোটি টাকার মানি লন্ডারিংয়ের মামলাসহ বিচারাধীন ৯ মামলার মধ্যে এই ১ম কোনো মামলার রায় ঘোষণা করা হলো।
সত্যতা নিশ্চিত করে আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) নওয়াব আলী রায়ের  জানান, ক্ষমতার ছত্রছায়ায় থেকে অপরাধ করেও যে পার পাওয়া যায় না, এ রায়ে সেটি প্রমাণিত হলো।
সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও তার ভাই ইমতিয়াজ হাসান রুবেলকে ২০২০ সালের ৭ জুন রাতে আটক করা হয়। জেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি সুবল চন্দ্র সাহার বাড়িতে হামলার মামলার আসামি হিসেবে ওই রাতে তাদের সহযোগী হিসেবে আরো সাতজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।  এরপর দুটি অস্ত্র মামলা এবং ২ হাজার কোটি টাকার মানি লন্ডারিংয়ের মামলাসহ বরকত-রুবেল ও তাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধে মোট ১১টি মামলা দায়ের করা হয়।
জানা যায়, ওই সময় অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইনে সাজ্জাদ হোসেন, ইমতিয়াজ হাসান ও রেজাউলের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা হয়।  এর মধ্যে একটি অস্ত্র মামলার আসামি হচ্ছেন সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও ইমতিয়াজ হাসান রুবেল।  অপর একটি অস্ত্র মামলায় আসামি হচ্ছেন ইমতিয়াজ হাসান ও তার সহযোগী রেজাউল করিম। এর মধ্যে রুবেল ও বিপুলের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত অস্ত্র মামলাতে প্রথম বিচারকাজ শেষে রায় ঘোষণা করা হয়।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঝিনাইদহে পানির দরে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ, ঋণের দায়ে ঘরছাড়া হওয়ার আতঙ্কে কৃষকমাকসুদুল হক, ঝিনাইদহ- ১১ মার্চ, মঙ্গলবার ঝিনাইদহের বেশিরভাগ কৃষক এনজিও বা মহাজনের কাছ থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে পেঁয়াজ চাষ করেছেন। এখন সেই ঋণের কিস্তি শোধ করার চাপে তারা অনেকটা বাধ্য হয়েই লোকসানে ফসল বিক্রি করছেন। পবিত্র রমজান ও সামনে ঈদ। পরিবারের নতুন পোশাক কেনা তো দূরের কথা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতেই হিমশিম খাচ্ছেন তারা। ঝিনাইদহের মাঠজুড়ে এখন পেঁয়াজ তোলার কর্মযজ্ঞ। জেলার শৈলকূপা ও হরিণাকুণ্ডু উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠে মাঠে আগাম জাতের পেঁয়াজ উত্তোলনে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। বাজারে পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ এর অর্ধেক ঘরে আসছে। কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলায় এ বছর রেকর্ড প্রায় ১৩ হাজার হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষ হয়েছে, যা থেকে প্রায় দেড় লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে হরিণাকুণ্ডু উপজেলাতে ২৫০০ হেক্টর জমিতে এবার পেঁয়াজের ব্যাপক ফলন হয়েছে। কিন্তু পেঁয়াজের বর্তমান দামে চাষীর কপালে চিন্তার ভাঁজ। প্রতি মণে উৎপাদন খরচ ১৫০০ টাকার বেশি হলেও বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৭০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে। সরেজমিনে বিভিন্ন মাঠ ও হাট ঘুরে দেখা যায়, চাষিরা দল বেঁধে জমি থেকে পেঁয়াজ তুলছেন। কেউ পরিষ্কার করছেন, কেউ বা বস্তাবন্দি করে হাটে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায় এক চরম সত্য—পেঁয়াজ চাষে যে পরিমাণ হাড়ভাঙা খাটুনি আর অর্থ ব্যয় হয়েছে, বর্তমান বাজার দরে তার অর্ধেকও উঠে আসছে না। সার, বীজ, সেচ আর শ্রমিকের মজুরি মিলিয়ে উৎপাদন খরচ আকাশচুম্বী হলেও হাটে গিয়ে পেঁয়াজ বিক্রি করতে হচ্ছে পানির দরে। চাষিদের অভিযোগ। বর্তমানে পেঁয়াজ উত্তোলনের ভরা মৌসুম হওয়ায় সব কৃষক একসাথে পেঁয়াজ বাজারে নিয়ে আসছেন। হাটে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কয়েকগুণ বেশি হওয়ায় দাম কমে গেছে । ভরা মৌসুমে পেঁয়াজ আমদানির ফলে স্থানীয় বাজারের দেশি পেঁয়াজের কদর কমছে। পাইকাররা আমদানিকৃত পেঁয়াজের দোহাই দিয়ে দেশি পেঁয়াজের দাম কমিয়ে রাখছেন । স্থানীয় পর্যায়ে পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত হিমাগার নেই। ফলে পচে যাওয়ার ভয়ে এবং ঋণের কিস্তি শোধের চাপে কৃষকরা পানির দরেই পেঁয়াজ ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন । প্রান্তিক চাষি ও পাইকারি বাজারের মাঝখানে থাকা আড়তদার ও মধ্যস্বত্বভোগীদের একটি বড় অংশ বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। হরিণাকুণ্ডুর কৃষকরা বলছেন, বীজ, সার ও শ্রমিকের যে আকাশচুম্বী দাম, সেই তুলনায় বাজারের এই দর তাদের পথে বসিয়ে দেবে। বিশেষ করে সামনে রমজান ও ঈদ থাকায় পরিবারের বাড়তি খরচ মেটাতে তারা চরম সংকটে পড়েছেন। কৃষকদের দাবি, পেঁয়াজ আমদানি সাময়িকভাবে স্থগিত রেখে এবং সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে সরকারিভাবে পেঁয়াজ সংগ্রহের ব্যবস্থা করলে এই সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব। অন্যথায় লোকসানের ভারে ধসে পড়বে এই অঞ্চলের কৃষি অর্থনীতি।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com