1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ০৪:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চাঁদপুরে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ, তদন্তে উঠে এলো হ/ত্যা/র আলামত পাইকগাছা রিপোর্টার্স ইউনিটির আয়োজনে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ঝালকাঠির নলছিটিতে কিস্তির ঋণের চাপ সহ্য করতে না পেরে যুবকের আত্মহত্যা চাঁদপুরে কোস্ট গার্ডের অভিযানে প্রায় ৩৬ লক্ষ টাকার জাটকা জব্দ টেকনাফে র‍্যাবের ওপর হামলা, আহত ৯ ‎কুমারখালী প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহের ভালুকায় ২ নং মেদুয়ারী ইউনিয়নে সরকারি চাল বরাদ্দের অনিয়ম আসন্ন বকশীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জামায়াতের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এডভোকেট মাওলানা ইলিয়াস হোসাইন! জামালপুরে স্বামীকে গাছে বেঁধে স্ত্রীকে ধ*র্ষণ, ৩ জনের মৃ*ত্যুদণ্ড! ফরিদপুরে ৪ হাজার ই*য়া*বাসহ দুই মা-দক কার*বারি গ্রে*ফ*তার!

ফরিদপুরে পল্লী কবির স্মরণে জসীম পল্লী মেলা

নাজিম বকাউল
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ২৪৫ বার পড়া হয়েছে
ফরিদপুরে আগামীকাল (২ ফেব্রুয়ারি) থেকে  শুরু হচ্ছে জসীম পল্লী মেলা। পল্লী কবি জসীম উদদীন এর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত পক্ষকালব্যাপী এ মেলা চলবে ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ফরিদপুর জেলার শহরতলীর গোবিন্দপুর গ্রামে পল্লী কবির বাড়ির আঙ্গিনায় কুমার নদের পাড়ে বসছে জসীম পল্লী মেলা। মেলাকে ঘিরে ফরিদপুরে চলছে উৎসবের আমেজ। জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে জসীম ফাউন্ডেশনের আয়োজনে মেলার প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন। প্রতিদিন সন্ধ্যায় মেলার মূল মঞ্চে পরিবেশিত হবে পল্লী কবির রচিত গান, গীতিনাট্যসহ লোকসংস্কৃতি।  মেলায় দেশীয় বিভিন্ন পন্যের পাশাপাশি বিনোদনের জন্য থাকছে সার্কাস, নাগরদোলাসহ নানা আয়োজন।
বৃহস্পতিবার সরেজমিনে গেলে দেখা যায়,  স্টল তৈরীর কাজ শেষ।  কবির বাড়ি, মাজার, পথ ঘাট রং ও সাজসজ্জার কাজ শেষ পর্যায়ে। মেলায় ২শ’ টি স্টলে থাকবে গ্রামীন সংস্কৃতির সাথে মিশে থাকা নিত্য প্রয়োজনীয় নানা পণ্য। বিনোদনের জন্য সার্কাস, নাগরদোলা, নৌকা, মৃত্যু কুপসহ শিশুদের জন্য বিভিন্ন রাইডস।
 স্থানীয়রা জানান, মেলা প্রাঙ্গনে যাওয়ার রাস্তাটি অন্যান্য রাস্তার তুলনায় সরু হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়তে হয় আগত দর্শনার্থীদের।  সড়কটি মেরামত ও প্রসস্থ করার দাবি তাদের।
জসীম ফাউন্ডেশন এর সভাপতি  এবং ফরিদপুর  জেলা প্রশাসক কামরুল আহসান তালুকদার জানান, মেলায় আগতদের নিরাপত্তা নিশ্চিত ও আয়োজন সফল করতে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।  ২রা ফেব্রুয়ারী থেকে পল্লীকবির স্মরণে ১৯ দিন ব্যাপী জসিম পল্লী মেলা অনুষ্ঠিত হবে। যেখানে গ্রামীন সংস্কৃতির নানা আয়োজনসহ বিভিন্ন ধরণের পন্যের স্টল বসবে। এ উপলক্ষে আশেপাশে ১৫টি জেলা থেকে ব্যবসায়ীরা তাদের পন্য নিয়ে আসবে। বিগত বছর গুলোর তুলনায় সেরা আয়োজন হবে এ বছর। মেলা চলাকালীন  ৮০ লক্ষ থেকে প্রায় কোটি লোকের সমাগম ঘটবে । সাধারনত প্রতিবছর পহেলা জানুয়ারী কবির জন্মদিনের স্মরণে এই মেলার আয়োজিত  হয়ে থাকতো। তবে এবছর নির্বাচনের কারণে সেটা সম্ভব হয়নি। তাই আগামী বছর থেকে কবির জন্মদিন থেকে ১ মাস ব্যাপী মেলার আয়োজন করা হবে। মেলায় আগতদের জন্য সকল ধরনের নিরাপত্তার ব্যবস্থা থাকবে। যাতে সকলে নির্বিঘ্নে মেলাটি উপভোগ করতে পারে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঝিনাইদহে পানির দরে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ, ঋণের দায়ে ঘরছাড়া হওয়ার আতঙ্কে কৃষকমাকসুদুল হক, ঝিনাইদহ- ১১ মার্চ, মঙ্গলবার ঝিনাইদহের বেশিরভাগ কৃষক এনজিও বা মহাজনের কাছ থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে পেঁয়াজ চাষ করেছেন। এখন সেই ঋণের কিস্তি শোধ করার চাপে তারা অনেকটা বাধ্য হয়েই লোকসানে ফসল বিক্রি করছেন। পবিত্র রমজান ও সামনে ঈদ। পরিবারের নতুন পোশাক কেনা তো দূরের কথা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতেই হিমশিম খাচ্ছেন তারা। ঝিনাইদহের মাঠজুড়ে এখন পেঁয়াজ তোলার কর্মযজ্ঞ। জেলার শৈলকূপা ও হরিণাকুণ্ডু উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠে মাঠে আগাম জাতের পেঁয়াজ উত্তোলনে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। বাজারে পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ এর অর্ধেক ঘরে আসছে। কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলায় এ বছর রেকর্ড প্রায় ১৩ হাজার হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষ হয়েছে, যা থেকে প্রায় দেড় লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে হরিণাকুণ্ডু উপজেলাতে ২৫০০ হেক্টর জমিতে এবার পেঁয়াজের ব্যাপক ফলন হয়েছে। কিন্তু পেঁয়াজের বর্তমান দামে চাষীর কপালে চিন্তার ভাঁজ। প্রতি মণে উৎপাদন খরচ ১৫০০ টাকার বেশি হলেও বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৭০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে। সরেজমিনে বিভিন্ন মাঠ ও হাট ঘুরে দেখা যায়, চাষিরা দল বেঁধে জমি থেকে পেঁয়াজ তুলছেন। কেউ পরিষ্কার করছেন, কেউ বা বস্তাবন্দি করে হাটে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায় এক চরম সত্য—পেঁয়াজ চাষে যে পরিমাণ হাড়ভাঙা খাটুনি আর অর্থ ব্যয় হয়েছে, বর্তমান বাজার দরে তার অর্ধেকও উঠে আসছে না। সার, বীজ, সেচ আর শ্রমিকের মজুরি মিলিয়ে উৎপাদন খরচ আকাশচুম্বী হলেও হাটে গিয়ে পেঁয়াজ বিক্রি করতে হচ্ছে পানির দরে। চাষিদের অভিযোগ। বর্তমানে পেঁয়াজ উত্তোলনের ভরা মৌসুম হওয়ায় সব কৃষক একসাথে পেঁয়াজ বাজারে নিয়ে আসছেন। হাটে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কয়েকগুণ বেশি হওয়ায় দাম কমে গেছে । ভরা মৌসুমে পেঁয়াজ আমদানির ফলে স্থানীয় বাজারের দেশি পেঁয়াজের কদর কমছে। পাইকাররা আমদানিকৃত পেঁয়াজের দোহাই দিয়ে দেশি পেঁয়াজের দাম কমিয়ে রাখছেন । স্থানীয় পর্যায়ে পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত হিমাগার নেই। ফলে পচে যাওয়ার ভয়ে এবং ঋণের কিস্তি শোধের চাপে কৃষকরা পানির দরেই পেঁয়াজ ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন । প্রান্তিক চাষি ও পাইকারি বাজারের মাঝখানে থাকা আড়তদার ও মধ্যস্বত্বভোগীদের একটি বড় অংশ বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। হরিণাকুণ্ডুর কৃষকরা বলছেন, বীজ, সার ও শ্রমিকের যে আকাশচুম্বী দাম, সেই তুলনায় বাজারের এই দর তাদের পথে বসিয়ে দেবে। বিশেষ করে সামনে রমজান ও ঈদ থাকায় পরিবারের বাড়তি খরচ মেটাতে তারা চরম সংকটে পড়েছেন। কৃষকদের দাবি, পেঁয়াজ আমদানি সাময়িকভাবে স্থগিত রেখে এবং সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে সরকারিভাবে পেঁয়াজ সংগ্রহের ব্যবস্থা করলে এই সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব। অন্যথায় লোকসানের ভারে ধসে পড়বে এই অঞ্চলের কৃষি অর্থনীতি।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com