1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বিএনপি নেতা আহত, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ উর্দুভাষী বাংলাদেশিদের পুনর্বাসন নিয়ে ভাবছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী ইসরায়েলি কায়দায় ছাত্রদলের আদুভাইয়েরা হলের সিট দখল করছেন: ডাকসু নেতা মুসাদ্দিক বাল্যবিবাহে না বলায় স্কুলছাত্রী তহমিনাকে জেলা প্রশাসকের ‘কন্যা সাহসিকতা’ সম্মাননা কেন্দুয়ায় জমির বিরোধে সংঘর্ষ :১ নারী নিহত ঢাকার প্রথম নারী ডিসি ফরিদা খানম সংরক্ষিত আসনের নির্বাচন এনসিপি নেত্রী তাবাসসুমের মনোনয়নপত্রও বাতিল তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ ও যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার : শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে ছুরিকাঘাত: নদীতে ঝাঁপ দিয়েও রক্ষা পেল না আসামী, নিয়ামতপুরে একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যা: জমিজমা বিরোধের সূত্র, জিজ্ঞাসাবাদে ৫ জন

বগুড়া জিলা স্কুল মানবিক মূল্যবোধ সমৃদ্ধ মানুষ গড়ে তোলে

ফাহিম মাহাদী
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৩১০ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক ওয়াই এম বেলালুর রহমান বলেন, বগুড়া জিলা স্কুল শুধু বিদ্যালয়ই নয় এটি একটি মানুষ তৈরি করার কারখানা। বগুড়া জিলা স্কুল মানবিক মূল্যবোধ সমৃদ্ধ মানুষ গড়ে তোলে বগুড়া জিলা স্কুল। ১৮৫৩ সালে প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তুলেছে হাজারো মানবিক মুল্যবোধ সম্পন্ন শিক্ষার্থী। যারা সমাজের বিভিন্ন স্তরে অবস্থান করে সমাজ, দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। বগুড়া জিলা স্কুল এমন একটি প্রতিষ্ঠান যে প্রতিষ্ঠান থেকে হাজারো শিক্ষার্থী সারাদেশে বিচরণ করছে সুনামের সাথে। বিদ্যালয়টি অতীতের যেমন মেধার স্বাক্ষর রেখেছে বর্তমানেও তেমনি মেধার স্বাক্ষর রেখে চলেছে। রাজশাহী বিভাগের মধ্যে তথা সারাদেশের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিদ্যালয়টি শিক্ষার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিনত হয়েছে। যার ফলে স্কুলের সুনাম চারিদিকে ছড়িয়ে পড়েছে। আমরা এমন একটি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী হিসাবে গর্ববোধ করি।

২৭ জানুয়ারি শনিবার দিনব্যাপী বগুড়া জেলা স্কুল মাঠে ১৯৮৩ ব্যাচের এসএসসি’র ৪০ বছর পূর্তিতে শিক্ষার্থীদের মহাপূনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।১৯৮৩ পুনর্মিলনী ব্যাচের শিক্ষার্থী আব্দুলাহ ওয়াফির সভাপতিত্বে এবং ১৯৮৩ ব্যাচ শিক্ষার্থী ফিরোজ হামিদ খান রিজভীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন বগুড়া জিলা স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষক সামছুল হুদা ও বর্তমান প্রধান শিক্ষক শ্যামপদ মোস্তাফি, ৯৩ ব্যাচের শিক্ষার্থী বাবু বসুধা, সাজেদুল বারি লিখন, আব্দুল লতিফ পশারী ববি, এম আর সাইলাম স্বাধীন, হারুন অর রশিদ, আব্দুলাহেল কাফি তারা, সাখাওয়াত শিপন। দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের মধ্যে ছিল সকালে জাতীয় সংগীত পরিবেশন শেষে প্যারট, শপথ গ্রহণ শেষে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে পুনর্মিণনী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়।একই রঙের জ্যাকেট এবং গেঞ্জি পড়ে বর্ণাঢ্য রেলি বগুড়া শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‌্যালি শেষে ১৯৮৩ ব্যাচের প্রয়াত শিক্ষার্থীদের স্মরণে নীরবতা পালন করা হয়। পরে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়।
খেলায় প্রয়াত প্রধান শিক্ষক তাজমিলুর রহমান একাদশ ও প্রয়াত শিক্ষক রকিম উদ্দিন একাদশ টুর্ণামেন্টে তাজমিলুর রহমান একাদশ জয়লাভ করে।পরে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার হিসেবে মডেল বিতরণ করা হয়। পরে গল্প আড্ডা বিনোদনমূলক হাউজি খেলায় মেতে উঠে প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা। এরপর সন্ধ্যায় জিলা স্কুল মাঠে আতশবাজি ফোটানো হয়। পরে ৮৩ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের পরিবারবর্গের আগমন পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান নতুন মাত্রা পায় আগত শিক্ষার্থীদের সহধর্মিনীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয় বালিশ খেলা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে রাফেল ড্র অনুষ্ঠিত হয়।নৈশ ভোজের মাধ্যমে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষনা করা হয়।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com