1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ০৫:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চাঁদপুরে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ, তদন্তে উঠে এলো হ/ত্যা/র আলামত পাইকগাছা রিপোর্টার্স ইউনিটির আয়োজনে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ঝালকাঠির নলছিটিতে কিস্তির ঋণের চাপ সহ্য করতে না পেরে যুবকের আত্মহত্যা চাঁদপুরে কোস্ট গার্ডের অভিযানে প্রায় ৩৬ লক্ষ টাকার জাটকা জব্দ টেকনাফে র‍্যাবের ওপর হামলা, আহত ৯ ‎কুমারখালী প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহের ভালুকায় ২ নং মেদুয়ারী ইউনিয়নে সরকারি চাল বরাদ্দের অনিয়ম আসন্ন বকশীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জামায়াতের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এডভোকেট মাওলানা ইলিয়াস হোসাইন! জামালপুরে স্বামীকে গাছে বেঁধে স্ত্রীকে ধ*র্ষণ, ৩ জনের মৃ*ত্যুদণ্ড! ফরিদপুরে ৪ হাজার ই*য়া*বাসহ দুই মা-দক কার*বারি গ্রে*ফ*তার!

বাংলাদেশ – মিয়ানমার সীমান্তে আবারো উত্তেজনা

সাজ্জাদ কবির
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ২২৩ বার পড়া হয়েছে

মিয়ানমারের  অভ্যন্তরে   আরাকান  বিদ্রোহী গ্রুপ  ও  মিয়ামারের সামরিক   জান্তা  বাহিনীর সাথে  গত তিন দিন  যাবৎ.   যুদ্ধ  শুরু হয়েছে।  এতে  কক্সবাজার জেলার  পালংখালী  ইউনিয়ন  ও  রহমতের বিল  এবং জলপাইতলী  এলাকায়  মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর  ছোড়া  দুইটা  মোটল সেল  আঘাত  হেনেছে।  এতে  এক মুক্তিযোদ্ধার বাড়ীর  জানালার  কাচ ভেংগে  গেছে  এবং  ৩ জন  আহত  হয়েছে। আহতদের  মধ্যে   ( নাম জানা যায়নি) ইতিমধ্যে ২ জন মারা গেছে। অন্যজনকে  উন্নত চিকিৎসার জন্য. চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে  পাাঠানো হয়েছে।

অন্যদিকে  বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড ( বিজিবি)  ও   বিভিন্নসূত্রে  থেকে  জানা  গেছে,,  মিয়ানমারের  সীমান্তবর্তী  বাংলাদেশের   পালংখালী  ও দুমদুম  এলাকা দিয়ে  এ পর্যন্ত  ২৬৪  জন মিয়ানমারের    বর্ডার  গার্ড  পুলিশ     ( বিজিপি)  বাংলাদেশে  প্রবেশ করে৷ বিজিবি,র কাছে   আত্নসর্পন করে  আশ্রয় নিয়েছে।   বিজিবি  এদেরকে  প্রাথমিকভাবে  দুমদুম  উচ্চ বিদ্যালয়ে রেখে  নিরস্ত্র করে এবং পরে   চিকিৎসার জন্য  চট্রগ্রাম  মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে।  একটি  তথ্যসূত্র  থেকে  জানা গেছে,  ২০১২  সাল থেকে  ২০১৬/১৭ সাল  পর্যন্ত  টেকনাফ ও উখিয়ার বিভিন্ন পয়েন্ট. দিয়ে বাংলাদেশে  প্রায় ১৭  লাখ  রোহিংগা প্রবেশ করে  আশ্রায় নিয়ে  উখিয়ার বিভিন্ন ক্যাম্পে  স্বপরিবারে বসবাস করছে।  সেই  হিসেবে  বর্তমানে  আবারো মিয়ানমারের  যুদ্ধ  চলেছে,  তাহলে  আবারো  কি  বাংলাদেশে রোহিংগা  অনুপ্রবেশের  প্রচেষঠা  চলছে বলে  বিজ্ঞজনেরা  মনে করছেন।

অন্য দিকে  মিয়ানমারের  যুদ্ধে আতংকিত হয়ে   দুইটি  গ্রাামের ২৭৫ টি  পরিবারের  মধ্যে  ২৫০ টি পরিবার   বান্দরবান  জেলা প্রসাশনের কাছে  আশ্রায় চাইলে,   জেলা প্রসাশন  উল্লেেখিত  পরিবারগুলোকে  প্রসাশনের  আশ্রয়ে নিয়ে আসেন এবং ঐ  পরিবারগুলো বর্তমানে নিরাপদে আছে। । বিভিন্ন.  তথ্য  ও  অনুসদ্ধানে জানা গেছে,,   বর্তমানে   বাংলাদেশ – মিয়ানমার  সীমান্তবর্তী  এলাকা  দুমদুম, পালংখালী, রহমতের বিল সহ  পার্শ্ববর্তী  আরো অনেক এলাকায়  থমথমে  পরিস্থিিতি  বিরাজ করছে এবং অত্র এলাকার সাধারণ  জনগন  ও  আতংকে  দিন অতিবাহিত করছেন।  উদ্বুদ্ধ. পরিস্থিিতি মোকাবিলা ও সমাধানকল্পে   বিজিবি  প্রধাান  সীমান্ত এলাকায় গিয়ে  বিজিবি,র  সদস্যদের  সাথে  আলাপ করেছেন এবং  দিক নির্দেশনা  দিয়েছেন।  আশারবাণী  হচ্ছে,  বাংলাদেশের  সন্মানিত পররাস্ট্রমন্ত্রী  মোহান্মদ  হাসান  মাহামুদ  মিয়ানমারের  এহেন  নেক্কারজনক  কর্মকান্ডেের জন্য নিন্দা  জানিয়েছেন  এবং  সীমান্তে  শান্ত  পরিবেশ  ফিরিয়ে  আনার জন্য এবং  বাংলাদেশে  আশ্রয় নেয়া৷ বিজিপি,র  সদস্যদের  ফিরিয়ে নেয়ার জন্য  মিয়ানমারের প্রতি৷ আহবান  জানিয়েছে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঝিনাইদহে পানির দরে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ, ঋণের দায়ে ঘরছাড়া হওয়ার আতঙ্কে কৃষকমাকসুদুল হক, ঝিনাইদহ- ১১ মার্চ, মঙ্গলবার ঝিনাইদহের বেশিরভাগ কৃষক এনজিও বা মহাজনের কাছ থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে পেঁয়াজ চাষ করেছেন। এখন সেই ঋণের কিস্তি শোধ করার চাপে তারা অনেকটা বাধ্য হয়েই লোকসানে ফসল বিক্রি করছেন। পবিত্র রমজান ও সামনে ঈদ। পরিবারের নতুন পোশাক কেনা তো দূরের কথা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতেই হিমশিম খাচ্ছেন তারা। ঝিনাইদহের মাঠজুড়ে এখন পেঁয়াজ তোলার কর্মযজ্ঞ। জেলার শৈলকূপা ও হরিণাকুণ্ডু উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠে মাঠে আগাম জাতের পেঁয়াজ উত্তোলনে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। বাজারে পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ এর অর্ধেক ঘরে আসছে। কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলায় এ বছর রেকর্ড প্রায় ১৩ হাজার হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষ হয়েছে, যা থেকে প্রায় দেড় লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে হরিণাকুণ্ডু উপজেলাতে ২৫০০ হেক্টর জমিতে এবার পেঁয়াজের ব্যাপক ফলন হয়েছে। কিন্তু পেঁয়াজের বর্তমান দামে চাষীর কপালে চিন্তার ভাঁজ। প্রতি মণে উৎপাদন খরচ ১৫০০ টাকার বেশি হলেও বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৭০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে। সরেজমিনে বিভিন্ন মাঠ ও হাট ঘুরে দেখা যায়, চাষিরা দল বেঁধে জমি থেকে পেঁয়াজ তুলছেন। কেউ পরিষ্কার করছেন, কেউ বা বস্তাবন্দি করে হাটে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায় এক চরম সত্য—পেঁয়াজ চাষে যে পরিমাণ হাড়ভাঙা খাটুনি আর অর্থ ব্যয় হয়েছে, বর্তমান বাজার দরে তার অর্ধেকও উঠে আসছে না। সার, বীজ, সেচ আর শ্রমিকের মজুরি মিলিয়ে উৎপাদন খরচ আকাশচুম্বী হলেও হাটে গিয়ে পেঁয়াজ বিক্রি করতে হচ্ছে পানির দরে। চাষিদের অভিযোগ। বর্তমানে পেঁয়াজ উত্তোলনের ভরা মৌসুম হওয়ায় সব কৃষক একসাথে পেঁয়াজ বাজারে নিয়ে আসছেন। হাটে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কয়েকগুণ বেশি হওয়ায় দাম কমে গেছে । ভরা মৌসুমে পেঁয়াজ আমদানির ফলে স্থানীয় বাজারের দেশি পেঁয়াজের কদর কমছে। পাইকাররা আমদানিকৃত পেঁয়াজের দোহাই দিয়ে দেশি পেঁয়াজের দাম কমিয়ে রাখছেন । স্থানীয় পর্যায়ে পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত হিমাগার নেই। ফলে পচে যাওয়ার ভয়ে এবং ঋণের কিস্তি শোধের চাপে কৃষকরা পানির দরেই পেঁয়াজ ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন । প্রান্তিক চাষি ও পাইকারি বাজারের মাঝখানে থাকা আড়তদার ও মধ্যস্বত্বভোগীদের একটি বড় অংশ বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। হরিণাকুণ্ডুর কৃষকরা বলছেন, বীজ, সার ও শ্রমিকের যে আকাশচুম্বী দাম, সেই তুলনায় বাজারের এই দর তাদের পথে বসিয়ে দেবে। বিশেষ করে সামনে রমজান ও ঈদ থাকায় পরিবারের বাড়তি খরচ মেটাতে তারা চরম সংকটে পড়েছেন। কৃষকদের দাবি, পেঁয়াজ আমদানি সাময়িকভাবে স্থগিত রেখে এবং সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে সরকারিভাবে পেঁয়াজ সংগ্রহের ব্যবস্থা করলে এই সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব। অন্যথায় লোকসানের ভারে ধসে পড়বে এই অঞ্চলের কৃষি অর্থনীতি।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com