1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ১০:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চাঁদপুরে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ, তদন্তে উঠে এলো হ/ত্যা/র আলামত পাইকগাছা রিপোর্টার্স ইউনিটির আয়োজনে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ঝালকাঠির নলছিটিতে কিস্তির ঋণের চাপ সহ্য করতে না পেরে যুবকের আত্মহত্যা চাঁদপুরে কোস্ট গার্ডের অভিযানে প্রায় ৩৬ লক্ষ টাকার জাটকা জব্দ টেকনাফে র‍্যাবের ওপর হামলা, আহত ৯ ‎কুমারখালী প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহের ভালুকায় ২ নং মেদুয়ারী ইউনিয়নে সরকারি চাল বরাদ্দের অনিয়ম আসন্ন বকশীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জামায়াতের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এডভোকেট মাওলানা ইলিয়াস হোসাইন! জামালপুরে স্বামীকে গাছে বেঁধে স্ত্রীকে ধ*র্ষণ, ৩ জনের মৃ*ত্যুদণ্ড! ফরিদপুরে ৪ হাজার ই*য়া*বাসহ দুই মা-দক কার*বারি গ্রে*ফ*তার!

বান্দরবানের রুমার হতাহতদের পরিচয় মিলেছে

রিটন কুমার নাথ
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৩ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ২৮৭ বার পড়া হয়েছে
গত শনিবার ২০( জানুয়ারি) সকাল ১১ টার সময় বান্দরবান রুমা উপজেলার সদর ইউনিয়নের সাত নম্বর ওয়ার্ডের দার্জিলিং পাড়ায় এক পর্যটক বাহি চাঁদের গাড়ি ঢালু রাস্তায় নামতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলে দুজন মারা গেলেও আহত হয়েছে আরো ১১ পর্যটক। নিহতরা হলেন ঢাকার বাসিন্দা ফিরোজ খাতুন (৫৩) ও জয়নব(২৪)।
আহতরা হলেন উষসী নাগ(১৫),রাফান (১২), ডাক্তার জবা রায় (৪৫), আমেনা বেগম(৬০), মাহাফুফা ইসলাম রুপা, (৪৫) তাহমিনা তানজিম তালুকদার(১৯),তান্নিম (২১), রিজভী (৩৪), আঞ্জুমান হক (৩৫), ইতু  (১৬) এবং স্বর্ণ (২৩)।
রুমা উপজেলা কর্মকর্তা সৈয়দ মাহাবুবুল হক সড়ক দুর্ঘটনা সংক্রান্ত স্বাক্ষরিত এক প্রতিবেদন  এ তথ্য নিশ্চিত হয়ওা গেছে। তথ্যসূত্রে জানা যায় হতাহত পর্যটকরা “নারীর চোখে বিশ্ব দেখা “ভ্রমণ সংগঠনের সদস্য ৫৭ জনের দলটি  পাঁচটি চাঁদের করে ১৯ জানুয়ারি রোজ শুক্রবার বান্দরবানের কেওক্রাড়ং ভ্রমণ করতে গিয়েছিল। ভ্রমণ শেষে ফেরার পথে ২০ জানুয়ারি এই দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে স্থানীয় জনসাধারণ, রুমার ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ, সেনাবাহিনী ও উপজেলা প্রশাসনের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে রুমা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যায় এ সময় কর্তব্যরত ডাক্তার দুজনকে মৃত ঘোষণা করে এবং আহতদের সেনাবাহিনীর অ্যাম্বুলেন্স করে বান্দরবান সদর হাসপাতালে পাঠানো হলে তারমধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় পাঁচজনকে চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। ৬ জন সদর হাসপাতালে জরুরী বিভাগে চিকিৎসাধীন থাকলেও আশঙ্কা জনিতদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ  হাসপাতালে পাঠানোর কথা জানান বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। এদিকে সদর হাসপাতালে আহতদের দেখতে ছুটে যান বান্দরবান ৩০০ নং আসনের সংসদ সদস্য বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি। এ সময় বান্দরবান জেলা প্রশাসক শাহ মোজাহিদ উদ্দিন, সিভিল সার্জন ডাক্তার মাহবুবুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ফজলুর রহমান সহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তরা উপস্থিত ছিলেন।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঝিনাইদহে পানির দরে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ, ঋণের দায়ে ঘরছাড়া হওয়ার আতঙ্কে কৃষকমাকসুদুল হক, ঝিনাইদহ- ১১ মার্চ, মঙ্গলবার ঝিনাইদহের বেশিরভাগ কৃষক এনজিও বা মহাজনের কাছ থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে পেঁয়াজ চাষ করেছেন। এখন সেই ঋণের কিস্তি শোধ করার চাপে তারা অনেকটা বাধ্য হয়েই লোকসানে ফসল বিক্রি করছেন। পবিত্র রমজান ও সামনে ঈদ। পরিবারের নতুন পোশাক কেনা তো দূরের কথা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতেই হিমশিম খাচ্ছেন তারা। ঝিনাইদহের মাঠজুড়ে এখন পেঁয়াজ তোলার কর্মযজ্ঞ। জেলার শৈলকূপা ও হরিণাকুণ্ডু উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠে মাঠে আগাম জাতের পেঁয়াজ উত্তোলনে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। বাজারে পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ এর অর্ধেক ঘরে আসছে। কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলায় এ বছর রেকর্ড প্রায় ১৩ হাজার হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষ হয়েছে, যা থেকে প্রায় দেড় লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে হরিণাকুণ্ডু উপজেলাতে ২৫০০ হেক্টর জমিতে এবার পেঁয়াজের ব্যাপক ফলন হয়েছে। কিন্তু পেঁয়াজের বর্তমান দামে চাষীর কপালে চিন্তার ভাঁজ। প্রতি মণে উৎপাদন খরচ ১৫০০ টাকার বেশি হলেও বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৭০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে। সরেজমিনে বিভিন্ন মাঠ ও হাট ঘুরে দেখা যায়, চাষিরা দল বেঁধে জমি থেকে পেঁয়াজ তুলছেন। কেউ পরিষ্কার করছেন, কেউ বা বস্তাবন্দি করে হাটে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায় এক চরম সত্য—পেঁয়াজ চাষে যে পরিমাণ হাড়ভাঙা খাটুনি আর অর্থ ব্যয় হয়েছে, বর্তমান বাজার দরে তার অর্ধেকও উঠে আসছে না। সার, বীজ, সেচ আর শ্রমিকের মজুরি মিলিয়ে উৎপাদন খরচ আকাশচুম্বী হলেও হাটে গিয়ে পেঁয়াজ বিক্রি করতে হচ্ছে পানির দরে। চাষিদের অভিযোগ। বর্তমানে পেঁয়াজ উত্তোলনের ভরা মৌসুম হওয়ায় সব কৃষক একসাথে পেঁয়াজ বাজারে নিয়ে আসছেন। হাটে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কয়েকগুণ বেশি হওয়ায় দাম কমে গেছে । ভরা মৌসুমে পেঁয়াজ আমদানির ফলে স্থানীয় বাজারের দেশি পেঁয়াজের কদর কমছে। পাইকাররা আমদানিকৃত পেঁয়াজের দোহাই দিয়ে দেশি পেঁয়াজের দাম কমিয়ে রাখছেন । স্থানীয় পর্যায়ে পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত হিমাগার নেই। ফলে পচে যাওয়ার ভয়ে এবং ঋণের কিস্তি শোধের চাপে কৃষকরা পানির দরেই পেঁয়াজ ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন । প্রান্তিক চাষি ও পাইকারি বাজারের মাঝখানে থাকা আড়তদার ও মধ্যস্বত্বভোগীদের একটি বড় অংশ বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। হরিণাকুণ্ডুর কৃষকরা বলছেন, বীজ, সার ও শ্রমিকের যে আকাশচুম্বী দাম, সেই তুলনায় বাজারের এই দর তাদের পথে বসিয়ে দেবে। বিশেষ করে সামনে রমজান ও ঈদ থাকায় পরিবারের বাড়তি খরচ মেটাতে তারা চরম সংকটে পড়েছেন। কৃষকদের দাবি, পেঁয়াজ আমদানি সাময়িকভাবে স্থগিত রেখে এবং সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে সরকারিভাবে পেঁয়াজ সংগ্রহের ব্যবস্থা করলে এই সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব। অন্যথায় লোকসানের ভারে ধসে পড়বে এই অঞ্চলের কৃষি অর্থনীতি।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com