1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
হরমুজ প্রণালি অতিক্রমকারী জাহাজ থেকে প্রথমবার টোল আদায় করল ইরান সেই বিচারপতি মান্নানকে বিচারকাজ থেকে সরিয়ে দিলেন প্রধান বিচারপতি সংরক্ষিত নারী আসনে মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাতিল সেই বিচারপতি মান্নানকে বিচারকাজ থেকে সরিয়ে দিলেন প্রধান বিচারপতি হরমুজে সাবমেরিন ইন্টারনেট ক্যাবল নিয়ে সতর্ক বার্তা ইরানের মার্কিন নৌবাহিনীর সচিব বরখাস্ত প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হলেন ড. সাইমুম পারভেজ নলডাঙ্গায় নশরৎপুরে অগ্নিকাণ্ডে ভূমিভূত বসতবাড়ি দিশেহারা কৃষক পরিবার লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, অচল জেনারেটরে চরম ভোগান্তি—পরিদর্শনে প্রতিনিধি দল পটুয়াখালীতে জ্বালানি তেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ করতে জেলা প্রশান এর মনিটরিং কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে

ভূমিহীন জব্বারের দোকান ঘর দখল করে নিল জেবু চৌধুরী

মোঃ শাহজালাল
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৪
  • ১৯০ বার পড়া হয়েছে
জেলার পাথরঘাটা পৌর শহরে এক ভূমিহীন পরিবারের একটি দোকান ঘর দখল করে নিয়েছে জেবু চৌধুরী নামের বিএনপির স্থানীয় এক প্রভাবশালী নেত্রী । ১০ আগস্ট’২৪ পাথরঘাটা শহরের পাল পট্টি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী আঃ জব্বার জেলা প্রশাসন ও পাথরঘাটা থানায়  লিখিত অভিযোগ দিয়েও কোনো প্রতিকার পাননি বলে জানিয়েছেন।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতনের পর  পাথরঘাটা বড় বাজারের মনিহারী মালামালের ব্যবসায়ী আঃ জব্বারের পাকা দোকানঘর দখল করে তালা দেন উপজেলা বিএনপির মহিলা নেত্রী সাবেক কাউন্সিলর জেবু চৌধুরী। এ সময় দোকানে থাকা প্রায় ১০ লাখ টাকার মালামাল  লুট করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন আব্দুল জব্বার। বিষয়টি স্থানীয়রা কয়েক দফা মীমাংসা করে দিলেও দোকানের তালা খুলে দেননি জেবু চৌধুরী।এ ব্যাপারে বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী। কিন্তু থানা পুলিশ এখন পর্যন্ত অভিযুক্ত জেবু চৌধুরীর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। বরং থানায় অভিযোগ দেওয়ার পর থেকে ওই বিএনপি নেতার পক্ষে বিভিন্ন ব্যক্তি আঃ জব্বারকে হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন।ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী আঃ জব্বার বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে পাথরঘাটা বড় বাজারের পালপট্টিতে অবস্থিত সরকারি জমিতে তার পিতার নামে পেরি পেরি বন্দোবস্ত রয়েছে। তার বাবার আমল থেকে উক্ত জমিতে দোকানঘর নির্মাণ করে মনিহরী ব্যবসা করে আসছেন। তিনি বলেন,১০ আগস্ট দোকানের সামনে এসে বিএনপির স্থানীয় প্রভাবশালী নেত্রী জেবু চৌধুরী তার দলবল নিয়ে   তাকে দোকান থেকে বের করে দেন। এসময় সে  বের হতে না চাইলে তাকে গালাগাল ও মারপিট করা হয় । পরে  জেবু চৌধুরী তার সন্ত্রাসী বাহিনীকে নিয়ে দোকানের মালামাল লুট করে নিয়ে যায় এবং দোকানে  তালা মেরে দেন।এ ব্যাপারে সাবেক কমিশনার বিএনপি নেত্রী জেবু চৌধুরীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এ দোকান ঘর তার নিজের।  তার বন্দোবস্তকৃত জমিতে জব্বার সাবেক সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম সবুর টুলুর পরিবারের ছত্রছায়ায় অবৈধভাবে থাকতেন । আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আমাদের জায়গা প্রশাসনের সহায়তায় পুনরুদ্ধার করেছি।এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী আঃ জব্বার বরগুনা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, আমি একজন ভূমিহীন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী । আমি দীর্ঘ দিন যাবৎ পাথরঘাটা বাজারের ১নং ওয়ার্ডে  অবস্থিত আল-মদিনা ষ্টোর নামক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে মনিহরী মালামাল এর ব্যবসা করিয়া আসিতেছি। যাহার হোল্ডিং নং ১৭৬। আমি উক্ত দোকান ঘর বিগত ৪০ বছর যাবৎ ভোগ দখল করিয়া আসিতেছি। উক্ত জমি খাশ খতিয়ানে থাকায় আমি পাথরঘাটা ভূমি অফিসে ডিসিআর পাওয়ার আবেদন করি। পেরিফেরি লিস্টে আমার বাবার নাম উল্লেখ আছে। উক্ত জমিতে আমি সরকারি ট্যাক্স প্রদান করি, আমার নামে বিদ্যুতের মিটারয় রয়েছে  ঘটনার দিন হতে মানবেতর জীবন যাপন করতেছি। আমার দোকান ছাড়া আর কোন আয়ের উৎস নাই। তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com