1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ০৫:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চাঁদপুরে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ, তদন্তে উঠে এলো হ/ত্যা/র আলামত পাইকগাছা রিপোর্টার্স ইউনিটির আয়োজনে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ঝালকাঠির নলছিটিতে কিস্তির ঋণের চাপ সহ্য করতে না পেরে যুবকের আত্মহত্যা চাঁদপুরে কোস্ট গার্ডের অভিযানে প্রায় ৩৬ লক্ষ টাকার জাটকা জব্দ টেকনাফে র‍্যাবের ওপর হামলা, আহত ৯ ‎কুমারখালী প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহের ভালুকায় ২ নং মেদুয়ারী ইউনিয়নে সরকারি চাল বরাদ্দের অনিয়ম আসন্ন বকশীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জামায়াতের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এডভোকেট মাওলানা ইলিয়াস হোসাইন! জামালপুরে স্বামীকে গাছে বেঁধে স্ত্রীকে ধ*র্ষণ, ৩ জনের মৃ*ত্যুদণ্ড! ফরিদপুরে ৪ হাজার ই*য়া*বাসহ দুই মা-দক কার*বারি গ্রে*ফ*তার!

মাদ্রাসা শিক্ষার নামে ভিক্ষাবৃত্তি

সাজ্জাদ কবির
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ৪৪৫ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশ  বিশ্বে  মুসলিম রাস্ট্র  হিসেবে  অন্যতম  সুপরিচিত একটি   দেশ।  আমাদের সমাজ ব্যবস্থায়  ইসলামিক  শিক্ষাকে  সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব. দিয়ে থাকে।প্রত্যেক  অভিবাবক  চান, তাদের  সন্তান-সন্তত্তিকে  মাদ্রাসা, বা হাফেজখানায়  পাঠিয়ে  ধর্নীয়  শিক্ষায় শিক্ষিত  করে  নিজেদের   ও তাদের সন্তানদের  ইহকালের  সুখ ও সমৃদ্ধি   এবং  পরালের  মুক্তির  পথ  নিশ্চিত করতে।  উপযুক্ত  শিক্ষায়  সুশিক্ষিত  একজন ব্যক্তিই  পারে৷ সমাজকে  শিক্ষার আলোয় আলোকিত করতে এবং বিশ্ব দরবারে  নিজের দেশের  শিক্ষা ও সংস্কৃতিকে  তুলে ধরতে।
সে শিক্ষাটা যদি হয় ধর্মীয় শিক্ষা , গর্বে  বুক ভরে যায়।  দুবাই ও সৌদিয়া সহ  বিশ্ব কোরান  প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের হয়ে  অংশ গ্রহণ করে   দুইবার প্রথম স্থান অধিকার করে  সেই  গৌরবের ও সফলতার হাসি ও কৃতিত্ব নিয়ে এসেছেন  আমাদেরই  ১৫ বছর বয়সী  সন্তান হাফেজ  সালেহ আহামদ তাকরীম।
তাকরীমের এ কৃতিত্বকে  অব্যাহত  রাখতে গেলে  আমাদেরকে  দৃষ্টি দিতে হবে  বর্তমান   বিশেষ করে  গ্রামাঞ্চলের  মাদ্রাসা বা হাফেজী শিক্ষা ব্যবস্থার পদ্ধতির দিকে। সেখানে  আমরা যা দেখছি,  তা হলো,  মাদ্রাসার  শিক্ষক  বা হাফেজ খানার সন্মানিত   শিক্ষক মন্ডলী  তাদের  ছাত্রদের  ৪/৫ জনের   একেকটি  টিম  করে  মানুষের  ঘরে ঘরে, দেকানে দোকানে  চাল  বা টাকা যাই হোক  আদায় করার জন্য  রাস্তাা নামিয়ে  দিয়েছে বা দিচ্ছে।  যেটা  আমরা সোজা ভাষায় বলতে গেলে,  বলা যায় ” ভিক্ষাবৃত্তি “। ঐ  ছাত্র কি  মানসিক ভাবে  ভিক্ষাবৃত্তির  দিকে  ধাবিত  হচ্ছে  না ?  এখন  প্রশ্ন  হচ্ছে ,,  কোন অভিবাবক  কি তার  সন্তানকে  শিক্ষার নামে ভিক্ষা করার জন্য  মাদ্রাাসা বা  হাফেজখানায় পাঠাচ্ছেন  ?  নিশ্চয় উত্তর হবে,৷ “” না “”।আমরা  দেখেছি,  নিকোষকালো রাতে এক মা  হাতে ভাতের  বাটি নিয়ে  হাফেজখানার সামনে দাড়িয়ে আছে,  সন্তাানকে  রাতের খাবার পৌছে দেয়ার জন্য, আর এটা তার দীর্ঘ  দিনের  রুটিন।  আলাপকালে  জানা যায়,  আর সেই  মা বা অভিবাবক যদি দেখে , তাদের  সন্তান দিনের বেলায়   মাদ্রাাসা বা  হাফেজখানার নামে  রাস্তায়,  দোকানে বা বাসা- বাড়ীতে  ভিক্ষা  করছে,  তার  মানসিক অবস্থাাটা কি  হতে পারে,  একবার ভেবে দেখুন তো।   তাই  এসব  অপশিক্ষা থেকে আমাদের সমাজ ব্যবস্থা  মুক্ত করে আনতে হবে এবং সচেতনতা মূলক ব্যবস্থা  হিসেবে,  যে  যেখানে এই রকম  মাদ্রাাসা বা  হাফেজখানার  ছাত্রদেরকে  টাকা বা চাল আদায় করতে দেখবেন,  সাথে সাথে স্থাানীয়  পরিষদের মাধ্যমে  উল্লেখিত  প্রতিষ্ঠান সমূহের  শিক্ষকদেরকে  ডেকে এনে  প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিলেই,  আমাদের  জাতির  মেরুদন্ড  শিক্ষার  আলোয় আলোকিত হবে  আমাদের সমাজ,  এই  মতামত সুশীল সমাজের।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঝিনাইদহে পানির দরে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ, ঋণের দায়ে ঘরছাড়া হওয়ার আতঙ্কে কৃষকমাকসুদুল হক, ঝিনাইদহ- ১১ মার্চ, মঙ্গলবার ঝিনাইদহের বেশিরভাগ কৃষক এনজিও বা মহাজনের কাছ থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে পেঁয়াজ চাষ করেছেন। এখন সেই ঋণের কিস্তি শোধ করার চাপে তারা অনেকটা বাধ্য হয়েই লোকসানে ফসল বিক্রি করছেন। পবিত্র রমজান ও সামনে ঈদ। পরিবারের নতুন পোশাক কেনা তো দূরের কথা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতেই হিমশিম খাচ্ছেন তারা। ঝিনাইদহের মাঠজুড়ে এখন পেঁয়াজ তোলার কর্মযজ্ঞ। জেলার শৈলকূপা ও হরিণাকুণ্ডু উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠে মাঠে আগাম জাতের পেঁয়াজ উত্তোলনে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। বাজারে পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ এর অর্ধেক ঘরে আসছে। কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলায় এ বছর রেকর্ড প্রায় ১৩ হাজার হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষ হয়েছে, যা থেকে প্রায় দেড় লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে হরিণাকুণ্ডু উপজেলাতে ২৫০০ হেক্টর জমিতে এবার পেঁয়াজের ব্যাপক ফলন হয়েছে। কিন্তু পেঁয়াজের বর্তমান দামে চাষীর কপালে চিন্তার ভাঁজ। প্রতি মণে উৎপাদন খরচ ১৫০০ টাকার বেশি হলেও বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৭০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে। সরেজমিনে বিভিন্ন মাঠ ও হাট ঘুরে দেখা যায়, চাষিরা দল বেঁধে জমি থেকে পেঁয়াজ তুলছেন। কেউ পরিষ্কার করছেন, কেউ বা বস্তাবন্দি করে হাটে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায় এক চরম সত্য—পেঁয়াজ চাষে যে পরিমাণ হাড়ভাঙা খাটুনি আর অর্থ ব্যয় হয়েছে, বর্তমান বাজার দরে তার অর্ধেকও উঠে আসছে না। সার, বীজ, সেচ আর শ্রমিকের মজুরি মিলিয়ে উৎপাদন খরচ আকাশচুম্বী হলেও হাটে গিয়ে পেঁয়াজ বিক্রি করতে হচ্ছে পানির দরে। চাষিদের অভিযোগ। বর্তমানে পেঁয়াজ উত্তোলনের ভরা মৌসুম হওয়ায় সব কৃষক একসাথে পেঁয়াজ বাজারে নিয়ে আসছেন। হাটে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কয়েকগুণ বেশি হওয়ায় দাম কমে গেছে । ভরা মৌসুমে পেঁয়াজ আমদানির ফলে স্থানীয় বাজারের দেশি পেঁয়াজের কদর কমছে। পাইকাররা আমদানিকৃত পেঁয়াজের দোহাই দিয়ে দেশি পেঁয়াজের দাম কমিয়ে রাখছেন । স্থানীয় পর্যায়ে পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত হিমাগার নেই। ফলে পচে যাওয়ার ভয়ে এবং ঋণের কিস্তি শোধের চাপে কৃষকরা পানির দরেই পেঁয়াজ ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন । প্রান্তিক চাষি ও পাইকারি বাজারের মাঝখানে থাকা আড়তদার ও মধ্যস্বত্বভোগীদের একটি বড় অংশ বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। হরিণাকুণ্ডুর কৃষকরা বলছেন, বীজ, সার ও শ্রমিকের যে আকাশচুম্বী দাম, সেই তুলনায় বাজারের এই দর তাদের পথে বসিয়ে দেবে। বিশেষ করে সামনে রমজান ও ঈদ থাকায় পরিবারের বাড়তি খরচ মেটাতে তারা চরম সংকটে পড়েছেন। কৃষকদের দাবি, পেঁয়াজ আমদানি সাময়িকভাবে স্থগিত রেখে এবং সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে সরকারিভাবে পেঁয়াজ সংগ্রহের ব্যবস্থা করলে এই সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব। অন্যথায় লোকসানের ভারে ধসে পড়বে এই অঞ্চলের কৃষি অর্থনীতি।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com