1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মুফতি আমীর হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দেশের গ্যাস সরবরাহে বড় ঘাটতি আমি এই মন্ত্রী, এই মন্ত্রণালয়ে যে দুর্নীতি করবে, ২৪ ঘণ্টা থাকতে পারবে না: শিক্ষামন্ত্রী ধামইরহাটে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন সাতক্ষীরার কলারোয়ার পুত্রবধূ তুলি বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনীত বাংলাদেশ কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট সমিতি ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার সমাবেশ অনুষ্ঠিত পুলিশের বিশেষ অভিযান: ২৪ ঘণ্টায় ২৭ আসামি গ্রেফতার মাদারীপুর শিবচরে তেলবাহী ট্রাক ডাকাতি মামলায় দুইজন গ্রেফতার জ্বালানি পেতে সেচ পাম্প নিয়ে ফিলিং স্টেশনে কৃষকের ভিড় মাদারীপুরে বেকারিকে নিরাপদ খাদ্য আইনে এক লাখ টাকা জরিমানা

মানিকগঞ্জে কৃষকদের মানববন্ধন

আল আমিন সরকার সোহাগ
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৫ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ১৯৮ বার পড়া হয়েছে
মানিকগঞ্জে বিএডিসির সেচ ব্যবস্থা ধ্বংস করে তিন ফসলি জমি থেকে মাটিকাটা ও কৃষি জমিতে ইটভাটা বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। এর আগে এসিল্যান্ড ও ইউএনও বরাবর আবেদন করেছিল তারা।
বুধবার(২৪ জানুয়ারি) দুপুরে সিংগাইর উপজেলার বলধারা ইউনিয়নের পূর্ব জইল্যা চকে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
‘জইল্যা গ্রামের কৃষক পরিবার ও এলাকাবাসী’র ব্যানারে ঘন্টা ব্যাপী এ মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত বছর আমরা মাটিকাটা বন্ধের দাবিতে প্রশাসনের কাছে গণ স্বাক্ষর করেছিলাম। এ বছরও আমরা গণ স্বাক্ষর করেছি। তারপরও ভূমি খেকোরা ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে ইটভাটায় নিয়ে যাচ্ছে। গতবছর রাতের আঁধারে মাটি কাটলেও এবার তারা প্রকাশ্যে দিনের বেলায় মাটি কাটছে। মাটি কাটতে নিষেধ ও প্রতিবাদ করলে তারা বিভিন্ন রকমের হুমকিধামকি দিচ্ছে।
সুলতানা বিবি বলেন, জইল্যার চকে আমাদের ফসলি জমে রয়েছে। বর্তমানে সেখানে ভুট্টার চাষ করেছি। আমাদের জমি ঘেঁষে মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে ইটভাটা মালিকেরা। এভাবে মাটি কাটলে আমাদের জমিও ভেঙে পরবে। আমরা অবৈধ মাটিকাটা বন্ধ চাই।
মানববন্ধনে সোলেমান মিয়া বলেন, জইল্যার চকে আমার চার বিঘা জমি রয়েছে। গতবছরও ভূমি খেকোরা আমার জমির পাশ থেকে কেটে নিয়ে গেছে। প্রতিবাদ করেও মাটিকাটা বন্ধ করতে পারি নাই। এবারও ভূমি দস্যুরা আমার জমির পাশ থেকে মাটিকাটা শুরু করেছে। মাটি কাটার ফলে এর মধ্যেই জইল্যার চকে কয়েকটি ফসলি জমি পুকুরে পরিণত হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আকুল আবেদন তিনি যেন আমাদের কৃষিজমি রক্ষার একটা ব্যবস্থা করে দেন।
সাকিবুল হাসান বলেন, অবৈধভাবে মাটি কাটার জন্য বিএডিসির সরকারি সেচ ব্যবস্থা ধ্বংস করা হয়েছে। তারা দিনে রাতে জইল্যার চক থেকে মাটি কেটে ইটভাটায় নিয়ে যাচ্ছে। আমরা আমাদের কৃষি জমি রক্ষার জন্য মানববন্ধনে দাঁড়িয়েছি। এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে প্রশাসনের কাছে লিখিতভাবে আবেদন করেছি। আশা করি প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
সিংগাইর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পলাশ কুমার বসু বলেন, এ বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। যারা অবৈধ মাটি কাটার সাথে জড়িত তাদেরকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com