1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নাহিদের জোড়া আঘাত, পাওয়ার প্লেতে নিউজিল্যান্ডকে চাপে রেখেছে বাংলাদেশ মঙ্গলবার এসএসসি পরীক্ষা শুরু, পরীক্ষার্থীদের মানতে হবে ১৪টি নির্দেশনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অ*ভি*যা*নে ‌দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রে’ফ’তা’র কেন্দুয়ায় ব্রি ধান ৮৮ বীজে মিশ্রণে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক: প্রতারণার অভিযোগ বীজ ব্যবসায়ির বিরুদ্ধে শতবর্ষের খাল দখলে বন্ধ পানিপ্রবাহ, জলাবদ্ধতায় চরম দুর্ভোগে ঈশ্বরগঞ্জের নাগরিকবৃন্দ কাজিপুর সরকারি মনসুর আলী কলেজে একাডেমিক ভবন ও ছাত্রাবাসের উদ্বোধন তারাগঞ্জে জ্বালানি সংকটে জনজীবন অতিষ্ঠ; ফুয়েল কার্ডে মিলছে না কাঙ্খিত সেবা মহাখালীতে রাজউকের নকশা তোয়াক্কা না করেই বহুতল ভবন: জননিরাপত্তা চরম ঝুঁকিতে বগুড়া সিটি করপোরেশন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের ব্যর্থতায় দেশ অনেকটা পিছিয়ে আছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

রক্তাক্ত প্রবাসী আমির

ওমর ফারুক
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ২৫৭ বার পড়া হয়েছে
লক্ষ্মীপুর সদরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই জুয়াড়ির হামলার শিকার হয়েছেন (ডুবাই) প্রবাসী মো. আমির হোসেন (৩১)। তিনি জেলা সদর হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে ভুক্তভোগী আমির হোসেন মডেল থানায় সুবিচার পেতে থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন।
এর-আগে, বিকেলে উপজেলার লাহারকান্দি ইউনিয়নের (৫নং ওয়ার্ড) পশ্চিম সৈয়দপুর গ্রামের নরুল ইসলাম মেম্বারের বাড়ীর সামনে এ হামলার শিকার হন আমির হোসেন।
প্রবাসী আমির হোসেন পশ্চিম সৈয়দপুর গ্রামের ধনু মিয়ার ছেলে। হামলাকারীরা হলেন- একই গ্রামের মৃত রুহুল আমিনের ছেলে মো. রনি (৩৭) ও মৃত ইব্রাহিমের ছেলে মনির হোসেন (৩৮)। তারা এলাকায় জুয়াড়ি ও খারাপ প্রকৃতির লোক হিসেবে পরিচিত।
ভুক্তভোগী আমির হোসেন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাংবাদিকদের জানান, পশ্চিম সৈয়দপুর গ্রামের ইব্রাহিমের স্ত্রী মনি বেগমের সঙ্গে তার (আমির) কথা কাটাকাটি হয়। ১৫ বছর পূর্বের একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে আমির হোসেন ও মনি বেগমের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। হঠাৎ পাশে থাকা দোকান থেকে উঠে এসে অভিযুক্ত রনি ও মনির হোসেন (প্রবাসী) আমির হোসেনকে এলোপাতাড়ি মারধর করে। এতে প্রবাসীর বাম-চোখের ওপরের অংশ ফেটে যায়। রনি ও মনির দিনে-রাতে ২৪টি ঘন্টায় জুয়ার আসর বসায় এলাকায়। এ ঘটনায় সঠিক বিচারের দাবি করছে প্রবাসী।
বিট পুলিশিং লাহারকান্দি ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত (এ.এস আই) আশিকুর রহমান বলেন- রনি একজন চিহ্নিত জুয়াড়ি প্রধান। সম্প্রীতি তাকে মোটরসাইকেলসহ গ্রেফতার করা হয়। জামিনে এসে ফের জুয়ার আসর বসায় এলাকার বিভিন্ন নির্জন জায়গা।লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক আবু ছালাম সৌরভ বলেন- হামলার শিকার হয়ে আমির হোসেন নামে এক ব্যক্তি হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়েছে। তার বাম-চোখের ওপরের অংশ ফেটে যায়। সেলাই করে দেওয়া হয়েছে।লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুদ্দিন আনোয়ার বলেন- এবিষয়ে প্রবাসী একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com