1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বিএনপি নেতা আহত, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ উর্দুভাষী বাংলাদেশিদের পুনর্বাসন নিয়ে ভাবছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী ইসরায়েলি কায়দায় ছাত্রদলের আদুভাইয়েরা হলের সিট দখল করছেন: ডাকসু নেতা মুসাদ্দিক বাল্যবিবাহে না বলায় স্কুলছাত্রী তহমিনাকে জেলা প্রশাসকের ‘কন্যা সাহসিকতা’ সম্মাননা কেন্দুয়ায় জমির বিরোধে সংঘর্ষ :১ নারী নিহত ঢাকার প্রথম নারী ডিসি ফরিদা খানম সংরক্ষিত আসনের নির্বাচন এনসিপি নেত্রী তাবাসসুমের মনোনয়নপত্রও বাতিল তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ ও যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার : শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে ছুরিকাঘাত: নদীতে ঝাঁপ দিয়েও রক্ষা পেল না আসামী, নিয়ামতপুরে একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যা: জমিজমা বিরোধের সূত্র, জিজ্ঞাসাবাদে ৫ জন

রাজধানীর বনানীতে খুররম বাহিনীর বেপরোয়া চাঁদাবাজি, খোলা চিঠিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ

সোহেল রানা
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬
  • ৪৯৬ বার পড়া হয়েছে
 
রাজধানীর বনানী থানাধীন বেলতলা বস্তিতে খুররম আলী নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে দখল রাজত্ব কায়েম ও বিদ্যুৎ চুরির অভিযোগ তুলেছেন বনানী থানা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ আল মামুন খাঁন। এছাড়াও অভিযোগ রয়েছে খুররমের ভয়ংকর সন্ত্রাসী বাহিনী বনানী এলাকায় অপরাধ সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছে।
তিনি অভিযোগ করেন, খুররম আলী আগে আওয়ামী লীগ-এর রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বর্তমানে তিনি বিএনপির নাম ভাঙিয়ে বেলতলা বস্তির বাজার ও ময়লা টেন্ডার দখল করেছেন। পাশাপাশি বিএনপির দুঃসময়ে ত্যাগী নেতাকর্মীদের নানাভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এসব অভিযোগ প্রকাশ করেন মোহাম্মদ আল মামুন খাঁন।
পোস্টে মোহাম্মদ আল মামুন খাঁন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর , যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী অ্যামিনুল হকসহ দলটির নীতিনির্ধারকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এবং বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান -এর প্রতি বিষয়টি অবগত করার আহ্বান জানান।
পোস্টে তিনি দাবি করেন, ৫ আগস্টের পর বিএনপির নাম ব্যবহার করে খুররম আলী বেলতলা বস্তির প্রায় শতাধিক ঘর দখল করেছেন এবং অবৈধভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে কোটি টাকার বেশি অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। তার ভাষ্যমতে, স্বৈরাচার পতনের পর বিদ্যুৎ খাতে যেখানে বকেয়া ছিল প্রায় ৬০ লাখ টাকা, তা এখন বেড়ে দেড় কোটির বেশি হয়েছে।
এছাড়া মেইন লাইনে হুক লাগিয়ে বিদ্যুৎ চুরি, বস্তির বাজার ও ময়লা টেন্ডার দখল এবং বিএনপির ত্যাগী নেতাকর্মীদের ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগও তোলা হয় পোস্টে।
পোস্টের এক অংশে উল্লেখ করা হয়, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কয়েক দিন আগে বকেয়া বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ না করায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হলে দুই দিন বিদ্যুৎ না থাকায় ঢাকা-১৭ আসনের দুটি কেন্দ্রে বিএনপির ভোটে প্রভাব পড়ে বলে দাবি করা হয়।
মোহাম্মদ আল মামুন খাঁন বিএনপির নীতিনির্ধারকদের কাছে বিষয়টি সঠিক তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানান।
এ বিষয়ে অনুসন্ধানে আরও বেরিয়ে এসেছে, খুররম বাহিনীর অন্যতম সদস্য বনানী থানা পুলিশের কথিত সোর্স সহিদ। তাঁর বিরুদ্ধে আগে থেকেই অভিযোগের পাহাড়। সে নিয়ন্ত্রণ করে গোডাউন বস্তির চাঁদাবাজি। সহিদ আগে যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয় থাকলেও বর্তমানে স্থানীয় কয়েকজন বিএনপি নেতার সঙ্গে আঁতাত করে বিএনপি নেতা বনে গেছে। বিএনপির নাম ভাঙিয়ে বস্তিতে নতুন করে জায়গা দখল করে পিকআপ স্ট্যান্ড গড়ে তুলেছে। সেখান থেকে লাখ লাখ টাকা চাঁদা তুলছে। অভিযোগ এসেছে, সহিদ গোডাউন বস্তিতে রাতের আঁধারে অবৈধভাবে গ্যাস সংযোগ স্থাপন করছে। অন্যদিকে সহিদের একসময়ের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ফারুক অভিযোগ করেন, প্রতিদিন মদ খাওয়ার চাঁদা যোগাতে সহিদ বস্তির ব্যবসায়ীদের হুমকি ধামকি দিয়ে চাঁদা আদায় করে। এছাড়া সহিদ কড়াইল বস্তির মাদক ব্যবসার মহাজন হিসেবে বহুল আলোচিত!
খুররমের আরেক সহযোগী নাম ভাঙারি সানোয়ার। সে আগে ছিল ২০নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি জুনায়েদ মনিরের ক্যাশিয়ার। বর্তমানে খুররমের আধিপত্য ধরে রাখতে সানোয়ারের সক্রিয় ভূমিকা রয়েছে। আরো রয়েছে খুররমের ছোট ভাই অপু।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত খুররম আলীর বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তাকে পাওয়া যায়নি।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com