1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ০৩:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চাঁদপুরে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ, তদন্তে উঠে এলো হ/ত্যা/র আলামত পাইকগাছা রিপোর্টার্স ইউনিটির আয়োজনে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ঝালকাঠির নলছিটিতে কিস্তির ঋণের চাপ সহ্য করতে না পেরে যুবকের আত্মহত্যা চাঁদপুরে কোস্ট গার্ডের অভিযানে প্রায় ৩৬ লক্ষ টাকার জাটকা জব্দ টেকনাফে র‍্যাবের ওপর হামলা, আহত ৯ ‎কুমারখালী প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহের ভালুকায় ২ নং মেদুয়ারী ইউনিয়নে সরকারি চাল বরাদ্দের অনিয়ম আসন্ন বকশীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জামায়াতের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এডভোকেট মাওলানা ইলিয়াস হোসাইন! জামালপুরে স্বামীকে গাছে বেঁধে স্ত্রীকে ধ*র্ষণ, ৩ জনের মৃ*ত্যুদণ্ড! ফরিদপুরে ৪ হাজার ই*য়া*বাসহ দুই মা-দক কার*বারি গ্রে*ফ*তার!

লালমনিরহাট জেলা আদিতমারী থানায় অফিসার ইনচার্জ জনাব মোঃ মোজাম্মেল হক বদলি

সুমন চন্দ্র রায় 
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ৮০৫ বার পড়া হয়েছে
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সারা দেশে ৩৩৮ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের (ওসি) বদলির অনুমোদন দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ওসি)।
এই ধারা অনুযায়ী  বদলি হয়েছে লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব মোঃ মোজাম্মেল হক। তিনি আদিতমারী থানায় গত ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ খ্রিঃ যোগদান করেন। সরকারি চাকরিতে বদলির ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সম্প্রতি আদিতমারী থানা থেকে  বোদা থানা পঞ্চগড় এর অফিসার ইনচার্জ হিসেবে বদলি করা হয়েছে। তিনি আদিতমারী থানায় প্রায় ০৯ মাস ২০ দিন চাকুরিতে নিযুক্ত ছিলেন। আদিতমারী থানায় যোগদান করায় কঠোর পরিশ্রম করেন তিনি অন্যায়, অপরাধ, দুর্নীতি, ও মাদকদ্রব্য উপর বিশেষ করে তিনি নজরদারি করে মাদক মুক্ত এলাকা হিসাবে গড়ে তোলার লক্ষে তিনি  আদিতমারী  থানায় কাজ করেন।  এ বিষয়ে আদিতমারী থানায় অফিসার ইনচার্জ (ওসি)  জনাব মোঃ মোজাম্মেল হক বলেন ,
এই ক্ষণিক সময়ে আমার সাধ্যের মধ্যে চেষ্টা করেছি আপনাদের যর্থাথ সেবা করে বাংলাদেশ পুলিশ সম্পর্কে আদিতমারী থানাবাসীর কাছে পজিটিভ ধারণা তৈরি করতে। আমার এই স্বল্প সময়ের পথচলায় আদিতমারী থানা এলাকার সম্মানিত অধিবাসী, বীর মুক্তিযোদ্ধা,  শিক্ষক মন্ডলী, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিকস মিডিয়ার সাংবাদিক ও সংবাদ কর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশাজীবীর সকল সদস্য, লালমনিরহাট জেলা সহ আদিতমারী থানার সকল পুলিশ সদস্য, সুশীল সমাজসহ এলাকাবাসি সকলের অকৃত্রিম ভালবাসা ও সহায়তা পেয়েছি। আপনাদের সহযোগিতা ও সমর্থন আমার পথচলাকে করেছে অনাবিল স্বাচ্ছন্দময় ও সাবলীল। যাদের সহযোগিতা ছাড়া আমার এই পথচলা সম্ভব হতো না- সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি রংপুর রেঞ্জ এর মান্যবর ডিআইজি জনাব মোঃ আব্দুল বাতেন বিপিএম, পিপিএম স্যার, অতিরিক্ত ডিআইজি জনাব এসএম রশিদুল হক পিপিএম স্যার ও অন্যান্য সিনিয়র স্যারদের প্রতি। শ্রদ্ধেয় স্যারদের নির্দেশনা, অনুপ্রেরনা ও  অকুন্ঠ সমর্থনে বোদা থানা, পঞ্চগড় মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অফিসার ইনচার্জ হিসেবে মানুষের সেবা করার সুযোগ পেয়েছি। পাশাপাশি আদিতমারী থানায় স্বল্প সময়ে কর্মরত থাকাকালে সাবেক ও বর্তমান যে সকল সিনিয়র স্যারদের আন্তরিক সহযোগিতা, পরামর্শ ও অকুন্ঠ সমর্থনে আমার এ মসৃন পথচলা, তাদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
সর্বোপরি আদিতমারী থানায় আমার সাথে কর্মরত সহকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা পোষন করছি, যাদের ভালবাসা, একাগ্রতা ও নিষ্ঠায় আদিতমারী থানার জনসাধারণের আস্থা অর্জন করা সম্ভব হয়েছে। এর ক্রেডিট আমার সকল অফিসার ফোর্স দের এবং আদিতমারী বাসীর। তবে বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার মধ্যে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব নিয়ে চেষ্টা করেছি আইনী কাঠামোর মধ্যে মানুষকে সেবা দিতে। জানিনা কতটুকু পেরেছি। আইনি বাধ্যবাধকতা কিংবা আমার আচরনে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করছি ও সকলের নিকট দোয়া/আর্শীবাদ এবং বরাবরের মত সহযোগিতা কামনা করছি । মহান আল্লাহ তায়ালা এর নিকট সবার অনাগত দিনগুলো যেন আরো সুন্দর, উজ্জ্বল ও নিরাপদ হয় সেই প্রার্থনা করছি। আমি চলে যাচ্ছি, কিন্তু বার বার আদিতমারীবাসীর ভালোবাসার টানে এবং মানুষকে ভালোবেসে ফিরে আসবো আদিতমারীর মাটিতে। সেই প্রত্যাশায় আপাতত শেষ করছি আদিতমারীর ০৯ মাসের পথচলা।
বিদায় মূহুর্তে সকলের জন্য অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও সার্বিক মঙ্গলসহ সুস্বাস্থ্য কামনা  করছি। সময় সল্পতার কারণে অনেকের সাথে যোগাযোগ করতে পারি নাই, এ জন্য ক্ষমা প্রার্থী। সর্বদাই ভালো থাকুক প্রিয় মানুষ গুলো। আমিন! আমার  পরবর্তী  কর্মস্থল  বোদা থানা,  পঞ্চগড়ে  সবার  আমন্ত্রণ  রইল।
মোর নাম এই বলে খ্যাত হউক,আমি তোমাদেরই লোক’ আর কিছু নয়, এই হউক শেষ পরিচয়।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঝিনাইদহে পানির দরে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ, ঋণের দায়ে ঘরছাড়া হওয়ার আতঙ্কে কৃষকমাকসুদুল হক, ঝিনাইদহ- ১১ মার্চ, মঙ্গলবার ঝিনাইদহের বেশিরভাগ কৃষক এনজিও বা মহাজনের কাছ থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে পেঁয়াজ চাষ করেছেন। এখন সেই ঋণের কিস্তি শোধ করার চাপে তারা অনেকটা বাধ্য হয়েই লোকসানে ফসল বিক্রি করছেন। পবিত্র রমজান ও সামনে ঈদ। পরিবারের নতুন পোশাক কেনা তো দূরের কথা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতেই হিমশিম খাচ্ছেন তারা। ঝিনাইদহের মাঠজুড়ে এখন পেঁয়াজ তোলার কর্মযজ্ঞ। জেলার শৈলকূপা ও হরিণাকুণ্ডু উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠে মাঠে আগাম জাতের পেঁয়াজ উত্তোলনে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। বাজারে পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ এর অর্ধেক ঘরে আসছে। কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলায় এ বছর রেকর্ড প্রায় ১৩ হাজার হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষ হয়েছে, যা থেকে প্রায় দেড় লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে হরিণাকুণ্ডু উপজেলাতে ২৫০০ হেক্টর জমিতে এবার পেঁয়াজের ব্যাপক ফলন হয়েছে। কিন্তু পেঁয়াজের বর্তমান দামে চাষীর কপালে চিন্তার ভাঁজ। প্রতি মণে উৎপাদন খরচ ১৫০০ টাকার বেশি হলেও বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৭০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে। সরেজমিনে বিভিন্ন মাঠ ও হাট ঘুরে দেখা যায়, চাষিরা দল বেঁধে জমি থেকে পেঁয়াজ তুলছেন। কেউ পরিষ্কার করছেন, কেউ বা বস্তাবন্দি করে হাটে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায় এক চরম সত্য—পেঁয়াজ চাষে যে পরিমাণ হাড়ভাঙা খাটুনি আর অর্থ ব্যয় হয়েছে, বর্তমান বাজার দরে তার অর্ধেকও উঠে আসছে না। সার, বীজ, সেচ আর শ্রমিকের মজুরি মিলিয়ে উৎপাদন খরচ আকাশচুম্বী হলেও হাটে গিয়ে পেঁয়াজ বিক্রি করতে হচ্ছে পানির দরে। চাষিদের অভিযোগ। বর্তমানে পেঁয়াজ উত্তোলনের ভরা মৌসুম হওয়ায় সব কৃষক একসাথে পেঁয়াজ বাজারে নিয়ে আসছেন। হাটে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কয়েকগুণ বেশি হওয়ায় দাম কমে গেছে । ভরা মৌসুমে পেঁয়াজ আমদানির ফলে স্থানীয় বাজারের দেশি পেঁয়াজের কদর কমছে। পাইকাররা আমদানিকৃত পেঁয়াজের দোহাই দিয়ে দেশি পেঁয়াজের দাম কমিয়ে রাখছেন । স্থানীয় পর্যায়ে পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত হিমাগার নেই। ফলে পচে যাওয়ার ভয়ে এবং ঋণের কিস্তি শোধের চাপে কৃষকরা পানির দরেই পেঁয়াজ ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন । প্রান্তিক চাষি ও পাইকারি বাজারের মাঝখানে থাকা আড়তদার ও মধ্যস্বত্বভোগীদের একটি বড় অংশ বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। হরিণাকুণ্ডুর কৃষকরা বলছেন, বীজ, সার ও শ্রমিকের যে আকাশচুম্বী দাম, সেই তুলনায় বাজারের এই দর তাদের পথে বসিয়ে দেবে। বিশেষ করে সামনে রমজান ও ঈদ থাকায় পরিবারের বাড়তি খরচ মেটাতে তারা চরম সংকটে পড়েছেন। কৃষকদের দাবি, পেঁয়াজ আমদানি সাময়িকভাবে স্থগিত রেখে এবং সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে সরকারিভাবে পেঁয়াজ সংগ্রহের ব্যবস্থা করলে এই সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব। অন্যথায় লোকসানের ভারে ধসে পড়বে এই অঞ্চলের কৃষি অর্থনীতি।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com