1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ০৫:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঈদে নৌ-যাত্রায় নিরাপত্তা নিশ্চিতে মোংলায় কোস্ট গার্ডের বিশেষ টহল নাটোরের সিংড়ায় পথচারী ও শ্রমজীবীদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ ‎খতিব ও মুয়াজ্জিনদের সম্মানে কুমারখালীতে বিশেষ ঈদ উপহার বিতরণ পিরোজপুরে প্রযুক্তিনির্ভর সহিংসতা প্রতিরোধে প্রেস ব্রিফিং হরিপুরে ইউএনও’র কক্ষে নথিপত্র ছিনতাই উপজেলা প্রশাসনের হৃৎপিণ্ডে আঘাত জসীমউদ্দীন ইতি ঠাকুরগাঁও । পাইকগাছায় জ্বালানী তেলের তীব্র সংকট: ব্লাকে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ খুচরা ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে পশুর নদীসহ সুন্দরবন সংলগ্ন নদ-নদীর জীবন্ত সত্তা ফিরিয়ে আনতে হবে-প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল ইসলাম কেন্দুয়া উপজেলা বিএনপি ও সকল অঙ্গ সংগঠনের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান : বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যক্রমমের অংশ হিসেবে বাগীশিক পদুয়া ইউনিয়ন সংসদ এর বার্ষিক বনভোজন ও মিলনমেলা। নগরকান্দায় নববধূর গলায় ওড়না পেচিয়ে আত্মহত্যা, স্বামী-শ্বশুর পরিবার পলাতক!

শীতজনিত রোগে আক্রান্ত শিশুরা হাসপাতালে, নেই চিকিৎসক

কবির আহাম্মেদ পাভেল 
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৩০৫ বার পড়া হয়েছে
লালমনিরহাটে তাপমাত্রা ক্রমেই হ্রাস পাচ্ছে। ফলে হাসপাতালগুলোতে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা। প্রতিদিন অসংখ্যা শিশু ও বৃদ্ধা শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে সরকারী ও বে-সরকারী স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র গুলোতে চিকিৎসা সেবা নিচ্ছেন।
রোববার (১৪ জানুয়ারী) সকালে হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায়, ওই  স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শিশু চিকিৎসক হিসাবে ডা: শাহানা আফরীন কর্মরত থাকলেও তিনি বসেন সদর হাসপাতালে। সপ্তাহে একদিন প্রতি শনিবার আসার কথা থাকলে বেশ কিছু দিন ধরে তাও আসেন না। তার রুমে ঝুলছে তারা ফলে শিশু রোগীরা চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হয়ে পড়েছে।
গত এক সপ্তাহে শীতজনিত রোগে প্রায় দেড়শ’ রোগী জেলা হাসপাতালসহ বিভিন্ন সরকারি  স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বে-সরকারী স্বাস্থ্য কেন্দ্র গুলোতে ভর্তি হয়েছেন। যার অধিকাংশই শিশু ও বৃদ্ধ। গত ২৪ ঘণ্টায় শীত জনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে ৩০ শিশু ও শীতজনিত অন্য রোগে ২৫ জন বিভিন্ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও বে-সরকারী স্বাস্থ্য কেন্দ্র গুলোতে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানা গেছে। হাসপাতালগুলোর বহি বিভাগেও বেড়েছে শীতজনিত রোগীর ভিড়।
শীতজনিত নানান রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন মানুষ, বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা। জেলার ৫টি সরকারি হাসপাতালেই রোগীদের ভিড় বেড়েছে। প্রতিদিন নতুন নতুন রোগী আসছেন সব হাসপাতালে। আন্তঃবিভাগ ও বহিঃবিভাগে চিকিৎসা নিচ্ছেন তারা। খুব সহজে ছাড়ছে না শীতজনিত রোগ। জ্বর, সর্দ্দি, কাশি, নিউমেনিয়াসহ নানান ঠাণ্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ।
এছাড়া হিমালয়ের পাদদেশের জেলা হওয়ায় লালমনিরহাটে কিছুটা আগেই শীতের প্রভাব পড়ে। ফলে সন্ধ্যার পর থেকে চারদিক ঘন কুয়াশার আচ্ছাদিত, সঙ্গে বইছে হিমেল হাওয়া। ফলে ছিন্নমূল অসহায় দরিদ্র লোকজন সীমাহীন কষ্ট ও দুর্দশায় দিনাতিপাত করছেন। বিশেষ করে নদ-নদীর অববাহিকার চরাঞ্চলের হতদরিদ্র মানুষরাদের দুর্ভোগে পোহাতে হচ্ছে।
হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে-র আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা: আনারুল হক বলেন, শীতজনিত নিউমোনিয়া আক্রান্ত বেশি শিশু ভর্তি হচ্ছেন। স্বাস্থ্য বিভাগ শীতজনিত রোগীদের সেবা দিতে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
লালমনিরহাটে তাপমাত্রা ক্রমেই হ্রাস পাচ্ছে। ফলে হাসপাতালগুলোতে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা। প্রতিদিন অসংখ্যা শিশু ও বৃদ্ধা শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে সরকারী ও বে-সরকারী স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র গুলোতে চিকিৎসা সেবা নিচ্ছেন।
রোববার (১৪ জানুয়ারী) সকালে হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায়, ওই  স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শিশু চিকিৎসক হিসাবে ডা: শাহানা আফরীন কর্মরত থাকলেও তিনি বসেন সদর হাসপাতালে। সপ্তাহে একদিন প্রতি শনিবার আসার কথা থাকলে বেশ কিছু দিন ধরে তাও আসেন না। তার রুমে ঝুলছে তারা ফলে শিশু রোগীরা চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হয়ে পড়েছে।
গত এক সপ্তাহে শীতজনিত রোগে প্রায় দেড়শ’ রোগী জেলা হাসপাতালসহ বিভিন্ন সরকারি  স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বে-সরকারী স্বাস্থ্য কেন্দ্র গুলোতে ভর্তি হয়েছেন। যার অধিকাংশই শিশু ও বৃদ্ধ। গত ২৪ ঘণ্টায় শীত জনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে ৩০ শিশু ও শীতজনিত অন্য রোগে ২৫ জন বিভিন্ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও বে-সরকারী স্বাস্থ্য কেন্দ্র গুলোতে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানা গেছে। হাসপাতালগুলোর বহি বিভাগেও বেড়েছে শীতজনিত রোগীর ভিড়।
শীতজনিত নানান রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন মানুষ, বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা। জেলার ৫টি সরকারি হাসপাতালেই রোগীদের ভিড় বেড়েছে। প্রতিদিন নতুন নতুন রোগী আসছেন সব হাসপাতালে। আন্তঃবিভাগ ও বহিঃবিভাগে চিকিৎসা নিচ্ছেন তারা। খুব সহজে ছাড়ছে না শীতজনিত রোগ। জ্বর, সর্দ্দি, কাশি, নিউমেনিয়াসহ নানান ঠাণ্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ।
এছাড়া হিমালয়ের পাদদেশের জেলা হওয়ায় লালমনিরহাটে কিছুটা আগেই শীতের প্রভাব পড়ে। ফলে সন্ধ্যার পর থেকে চারদিক ঘন কুয়াশার আচ্ছাদিত, সঙ্গে বইছে হিমেল হাওয়া। ফলে ছিন্নমূল অসহায় দরিদ্র লোকজন সীমাহীন কষ্ট ও দুর্দশায় দিনাতিপাত করছেন। বিশেষ করে নদ-নদীর অববাহিকার চরাঞ্চলের হতদরিদ্র মানুষরাদের দুর্ভোগে পোহাতে হচ্ছে।
হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে-র আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা: আনারুল হক বলেন, শীতজনিত নিউমোনিয়া আক্রান্ত বেশি শিশু ভর্তি হচ্ছেন। স্বাস্থ্য বিভাগ শীতজনিত রোগীদের সেবা দিতে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঝিনাইদহে পানির দরে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ, ঋণের দায়ে ঘরছাড়া হওয়ার আতঙ্কে কৃষকমাকসুদুল হক, ঝিনাইদহ- ১১ মার্চ, মঙ্গলবার ঝিনাইদহের বেশিরভাগ কৃষক এনজিও বা মহাজনের কাছ থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে পেঁয়াজ চাষ করেছেন। এখন সেই ঋণের কিস্তি শোধ করার চাপে তারা অনেকটা বাধ্য হয়েই লোকসানে ফসল বিক্রি করছেন। পবিত্র রমজান ও সামনে ঈদ। পরিবারের নতুন পোশাক কেনা তো দূরের কথা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতেই হিমশিম খাচ্ছেন তারা। ঝিনাইদহের মাঠজুড়ে এখন পেঁয়াজ তোলার কর্মযজ্ঞ। জেলার শৈলকূপা ও হরিণাকুণ্ডু উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠে মাঠে আগাম জাতের পেঁয়াজ উত্তোলনে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। বাজারে পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ এর অর্ধেক ঘরে আসছে। কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলায় এ বছর রেকর্ড প্রায় ১৩ হাজার হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষ হয়েছে, যা থেকে প্রায় দেড় লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে হরিণাকুণ্ডু উপজেলাতে ২৫০০ হেক্টর জমিতে এবার পেঁয়াজের ব্যাপক ফলন হয়েছে। কিন্তু পেঁয়াজের বর্তমান দামে চাষীর কপালে চিন্তার ভাঁজ। প্রতি মণে উৎপাদন খরচ ১৫০০ টাকার বেশি হলেও বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৭০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে। সরেজমিনে বিভিন্ন মাঠ ও হাট ঘুরে দেখা যায়, চাষিরা দল বেঁধে জমি থেকে পেঁয়াজ তুলছেন। কেউ পরিষ্কার করছেন, কেউ বা বস্তাবন্দি করে হাটে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায় এক চরম সত্য—পেঁয়াজ চাষে যে পরিমাণ হাড়ভাঙা খাটুনি আর অর্থ ব্যয় হয়েছে, বর্তমান বাজার দরে তার অর্ধেকও উঠে আসছে না। সার, বীজ, সেচ আর শ্রমিকের মজুরি মিলিয়ে উৎপাদন খরচ আকাশচুম্বী হলেও হাটে গিয়ে পেঁয়াজ বিক্রি করতে হচ্ছে পানির দরে। চাষিদের অভিযোগ। বর্তমানে পেঁয়াজ উত্তোলনের ভরা মৌসুম হওয়ায় সব কৃষক একসাথে পেঁয়াজ বাজারে নিয়ে আসছেন। হাটে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কয়েকগুণ বেশি হওয়ায় দাম কমে গেছে । ভরা মৌসুমে পেঁয়াজ আমদানির ফলে স্থানীয় বাজারের দেশি পেঁয়াজের কদর কমছে। পাইকাররা আমদানিকৃত পেঁয়াজের দোহাই দিয়ে দেশি পেঁয়াজের দাম কমিয়ে রাখছেন । স্থানীয় পর্যায়ে পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত হিমাগার নেই। ফলে পচে যাওয়ার ভয়ে এবং ঋণের কিস্তি শোধের চাপে কৃষকরা পানির দরেই পেঁয়াজ ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন । প্রান্তিক চাষি ও পাইকারি বাজারের মাঝখানে থাকা আড়তদার ও মধ্যস্বত্বভোগীদের একটি বড় অংশ বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। হরিণাকুণ্ডুর কৃষকরা বলছেন, বীজ, সার ও শ্রমিকের যে আকাশচুম্বী দাম, সেই তুলনায় বাজারের এই দর তাদের পথে বসিয়ে দেবে। বিশেষ করে সামনে রমজান ও ঈদ থাকায় পরিবারের বাড়তি খরচ মেটাতে তারা চরম সংকটে পড়েছেন। কৃষকদের দাবি, পেঁয়াজ আমদানি সাময়িকভাবে স্থগিত রেখে এবং সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে সরকারিভাবে পেঁয়াজ সংগ্রহের ব্যবস্থা করলে এই সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব। অন্যথায় লোকসানের ভারে ধসে পড়বে এই অঞ্চলের কৃষি অর্থনীতি।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com