1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাদুল্লাপুর প্রেসক্লাবের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি সমকালের সোহেল, সম্পাদক যমুনা টিভির পলাশ কিশোর গ্যাং মামলায় প্রবাসী প্রান্ত হাওলাদারের মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন বানারীপাড়ায় জামায়াত প্রার্থীর গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কক্সবাজার খুরুশকুলে সেনাবাহিনীর অভিযানে অস্ত্রসহ আটক ২ ভোলা-১ এ ভেলুমিয়া ৩নং ওয়ার্ডে জামায়াতের সন্ত্রাসী কর্তৃক হাতপাখার নেতাকর্মী ও তাদের পরিবারের উপর নৃশংস হামলায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে হবে নওগাঁ ১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লা পাল্টাপাল্টি লড়াই। আমরা সহাবস্থানের রাজনীতি পছন্দ করি — মাহবুবের রহমান শামীম নেছারাবাদে যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযান: একজন গ্রেপ্তার ‎ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে হিন্দু–মুসলিম ঐক্য – সকল সম্প্রদায়ের নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি -জহির উদ্দিন স্বপন বিরিয়ানি খাওয়ানোর প্রলোভনে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণ

আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ২০২৫: ক্রিকেট বিশ্বে উত্তেজনার নতুন অধ্যায়। 

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ১৮০ বার পড়া হয়েছে
ক্রিকেটের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ প্রতিযোগিতা আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ২০২৫ শুরু হয়েছে ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫। আটটি সেরা ওয়ানডে দল নিয়ে গঠিত এই প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে পাকিস্তান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে। দীর্ঘ সাত বছর পর ফের আয়োজিত এই টুর্নামেন্ট ক্রিকেট বিশ্বে এক নতুন রোমাঞ্চের আবহ সৃষ্টি করেছে।
বিশ্বব্যাপী ক্রিকেটপ্রেমীরা এই প্রতিযোগিতার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলেন, বিশেষ করে ভারতের সাথে পাকিস্তানের প্রতিদ্বন্দ্বিতা ঘিরে আগ্রহ চরমে পৌঁছেছে। আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি প্রথম শুরু হয় ১৯৯৮ সালে, এবং এটি ওয়ানডে ফরম্যাটের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ টুর্নামেন্ট। এটি বিশ্বকাপের পর দ্বিতীয় বৃহত্তম আইসিসি প্রতিযোগিতা হিসেবে বিবেচিত হয়। ২০১৭ সালের আসরের পর এটি বন্ধ হয়ে গেলেও, ২০২৫ সালে পুনরায় শুরু হওয়ায় ক্রিকেটপ্রেমীরা অত্যন্ত উচ্ছ্বসিত। এবারের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী দলগুলো দুইটি গ্রুপে বিভক্ত হয়েছে। গ্রুপ এ-তে রয়েছে পাকিস্তান, ভারত, নিউজিল্যান্ড এবং বাংলাদেশ। গ্রুপ বি-তে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা ও আফগানিস্তান। প্রতিটি গ্রুপের শীর্ষ দুই দল সেমিফাইনালে খেলার সুযোগ পাবে, যেখানে উত্তেজনাপূর্ণ লড়াইয়ের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে ফাইনালের দল। টুর্নামেন্টের খেলাগুলো করাচি, লাহোর, রাওয়ালপিন্ডি এবং দুবাইয়ের বিখ্যাত স্টেডিয়ামগুলোতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বাংলাদেশ দল ২০ ফেব্রুয়ারি তাদের প্রথম ম্যাচে ভারতের মুখোমুখি হয়। এই ম্যাচে বাংলাদেশের ব্যাটিং ও বোলিংয়ে বেশ কিছু ইতিবাচক দিক দেখা গেলেও ভারতের ওপেনার শুভমান গিলের দুর্দান্ত সেঞ্চুরির কারণে ছয় উইকেটে পরাজিত হতে হয় দলকে। পরবর্তী ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ, যেখানে দলটি জয়ের জন্য মরিয়া থাকবে। দলের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান বলেছেন, “আমরা সামনের ম্যাচগুলোতে আমাদের সেরা পারফরম্যান্স দিতে প্রস্তুত।” দলের অন্যান্য খেলোয়াড়রাও কঠোর অনুশীলন চালিয়ে যাচ্ছেন এবং নিজেদের সেরা খেলাটি উপহার দিতে বদ্ধপরিকর। বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান শক্তি তাদের স্পিন আক্রমণ। মেহেদী হাসান মিরাজ, সাকিব আল হাসান ও নাসুম আহমেদের স্পিন আক্রমণ এই উপমহাদেশীয় কন্ডিশনে বড় পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। পাশাপাশি, মুস্তাফিজুর রহমান ও তাসকিন আহমেদের নেতৃত্বাধীন পেস আক্রমণও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ব্যাটিংয়ে তামিম ইকবাল, লিটন দাস ও শান্তর কাঁধে থাকবে বড় দায়িত্ব। বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াই ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ ঘিরে সবার মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। স্টেডিয়ামগুলোতে টিকিটের ব্যাপক চাহিদা লক্ষ করা গেছে, এবং কোটি কোটি দর্শক টিভি ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ম্যাচগুলো উপভোগ করছেন। টুর্নামেন্টের সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ৬ ও ৭ মার্চ, এবং ফাইনাল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ৯ মার্চ। আইসিসি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এবার প্রযুক্তির ব্যবহার আরও আধুনিক হবে। ডিসিশন রিভিউ সিস্টেম (ডিআরএস) ও আল্ট্রা এজ প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে। বাংলাদেশ দলের জন্য এই টুর্নামেন্ট একটি বড় পরীক্ষা। শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হলে ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিং-এ ধারাবাহিক পারফরম্যান্স দেখাতে হবে। বিশেষ করে বাংলাদেশ দলের পেস বোলিং আক্রমণ কতটা কার্যকরী হতে পারে, তা এই টুর্নামেন্টে বড় পরীক্ষা হিসেবে দাঁড়িয়েছে। ব্যাটিং অর্ডারে আরও স্থিরতা আনতে হবে, যাতে দল বড় রান করতে পারে এবং প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে চাপে রাখা যায়। বাংলাদেশের ক্রিকেট বোর্ড ভবিষ্যতে দলকে আরও শক্তিশালী করতে পরিকল্পনা করছে এবং তরুণ প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের উঠে আসার সুযোগ দিচ্ছে। বাংলাদেশি সমর্থকরা দলের সাফল্যের জন্য আশাবাদী, এবং প্রত্যাশা করছে যে টাইগাররা এবার নতুন কিছু করে দেখাবে। পুরো দেশজুড়ে ক্রিকেটপ্রেমীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ বিরাজ করছে, এবং প্রত্যেকটি ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। এই প্রতিযোগিতায় ভালো পারফরম্যান্স করলে বাংলাদেশ দল বিশ্ব ক্রিকেটে নিজেদের শক্ত অবস্থান গড়ে তুলতে পারবে এবং ২০২৭ সালের বিশ্বকাপে ভালো কিছু করার আত্মবিশ্বাস নিয়ে এগোতে পারবে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com