1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১২:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
এনবিসি নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বললেন, ’যুদ্ধ প্রায় শেষ’ বগুড়ায় প্রীতি কাবাডি প্রতিযোগিতায় বীট মডেল স্কুল চ্যাম্পিয়ন বগুড়া রেল স্টেশন এলাকা থেকে মাদকদ্রব্য সেবনের অপরাধে ২ জনকে গ্রেফতার করে ডিএনসি। নওগাঁয় বাসের ভেতর থেকে হেলফারের মরদেহ উদ্ধার ঈশ্বরদীর জয়নগরে বসতবাড়িতে পরিকল্পিত হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ সুন্দরবনে জিম্মি থাকা জেলেকে উদ্ধার করলো কোস্ট গার্ড কাঁচপুরে গভীর রাতে পুলিশের অভিযান: গাঁজা ও ইয়াবাসহ ৪ মাদককারবারি গ্রেফতার পরিবেশবান্ধব বোতল বাড়ি নির্মাণ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন আব্দুল হাকিম শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হয়েছে কিনা কাড দেখে কিভাবে বুঝতে পারবেন বালতির পানিতে পড়ে শিশুর মৃত্যু

কপোতাক্ষ নদে বৃটিশদের তৈরী ভাঙ্গা ব্রিজটি ইতিহাসের সাক্ষী

মেহেদী হাসান শিপলু
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৫ মে, ২০২৪
  • ৮১৩ বার পড়া হয়েছে

যশোরের চৌগাছার পাশ দিয়ে বয়ে চলা কপোতাক্ষ নদে আজও ঠাই দাঁদিয়ে আছে বৃটিশদের হাতে তৈরী ব্রিজের ধ্বংশাবশেষ। নদ খননের কারনে ঐতিহাসিক এই থাকবে কিনা তা নিয়ে দেখা দিয়েছে শংসয়। তবে ভবিষ্যাত প্রজন্মের জন্য এটিকে সংরক্ষন করা জরুরী এমনটিই মন করছেন সচেতন মহল। চৌগাছা পৌর সদরের পশ্চিমপাশ দিয়ে বয়ে গেছে কপোতাক্ষ। বৃটিশ শাসনামলে খরস্রোতা কপোতাক্ষ নদ পারাপারের জন্য বর্তমান বড় মাছ বাজারের নিচে নির্মান করা হয় একটি সুবিশাল ব্রিজ। জনশ্রুতি আছে কপোতাক্ষের প্রবল স্রোতের কারনে ইট আর চুন সুড়কি দিয়ে নির্মিত ব্রিজ বেশি দিন স্থায়ী হয়নি, স্রোতের দাপটে তা উপড়ে যায়। নদের পশ্চিম পাশে
ব্রিজের অবশিষ্ঠ আজও বিদ্যামন।

নদ খননের ফলে ব্রিজের ভাঙ্গা অংশ থাকবে কিনা দেখা দিয়েছে শংসয়। কংশারীপুর গ্রামের দামোদার
আলী, তারিনিবাস গ্রামের বয়োবৃদ্ধ ফজলুর রহমান, স্বরুপদাহ গ্রামের জহুরুল ইসলাম বলেন, কপোতাক্ষ নদ তথা নদের ভাঙ্গা ব্রিজ
এখন শুধুই স্মৃতি। দেশ স্বাধীনের পরেও আমরা দেখেছি কপোতাক্ষে অঢেল পানি। তারও আগের কথা বর্তমানে যেখানে ব্রিজটি ভেঙ্গে
আছে সেখানে একটি দোয়া আছে। সচারচার মানুষ স্থানটিতে যেতেন না। জেলেরা মাছ ধরতে গেলেও দোয়ার পাশ দিয়ে চলাচল
করতো। বাবা দাদাদের মুখে শুনেছি বৃটিশরা তাদের সুবিধার্তে দোয়ার পাশ দিয়ে ওই ব্রিজটি নির্মান করেন। কিন্তু বেশি দিন
স্থায়ী হয়নি, পানির স্রোত দাপটে ব্রিজ উপড়ে যায়। এরপর বর্তমানে চৌগাছা ব্রিজের সন্নিকটে খেয়া পারাপার শুরু হয়।বর্ষা মৌসুমে কংশারীপুর মহল্লা ছাড়িয়ে যেত পানি। সেখান থেকে মানুষ খেয়া পারাপার হতেন। নদের ওই সময়ের কাক চক্ষু পানি আর মাছের সমাহার আজ শুধুই অতীত। পৌরসভার কালিতলা মহল্লার বাসিন্দা আব্দুর রশিদ, রবিন্দ্র নাথ বলেন, কপোতাক্ষ নদ তার যৌবন বহু আগেই হারিয়েছে। এখন নদ খনন চলছে, দেখে বেশ ভালই লাগে।

নদটি যদি পরিপূর্ণ খনন হয়, তাহলে এর হারানো যৌবন হয়ত ফিরে আসবে না তবে কিছুটা হলেও সকলের কাছে ভাল লাগবে।স্মৃতিচারণ করতে যেয়ে তারা বলেন, বৃটিশদের শাসন শোসনের সময় চৌগাছাতে তারা অনেক কিছুই নির্মান করেন। তারমধ্যে ছিল কপোতাক্ষের ব্রিজ। কিন্তু পানির স্রোতের কারনে তা বেশি দিন স্থায়ী হয়নি এমনটিই শুনেছি। ব্রিজের যে ভাঙ্গা অংশটুকুও আজও দৃশ্যমান এটি সংরক্ষন করা জরুরী কেননা এই ধ্বংসাবশেষ থেকে আগামী প্রজন্ম আনেক কিছুই জানতে বা শিখতে পারবে। চৌগাছা পৌরসভার মেয়র নুর উদ্দিন আল মামুন হিমেল বলেন, যেহেতু কপোতাক্ষ নদের পশ্চিম পাশে আমরা একটি শিশুপার্ক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি, ইতোমধ্যে সব প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন।সে জন্য দর্শনীয় স্থান হিসেবে ভাঙ্গা ব্রিজ নদে রাখার ব্যাপারে আমরা কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলবো।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com