শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকাল চারটায় দিকে করিমগঞ্জ থানার সামনে সড়কে ছুরিকাঘাতে মজনু মিয়া (৩০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছে। নিহত মজনু মিয়া কান্দাইল খিদিরপুর গ্রামের তোতা মিয়ার ছেলে।
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, করিমগঞ্জের জয়কা ইউনিয়নের কান্দাইল খিদিরপুর গ্রামের আপন দুই ভাই ইয়াকুব আলী ও ইমান আলী পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল।
ইউপি সদস্য মো. লিংকন মিয়া জানান, দুই পক্ষের মধ্যে জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্বের জেরে বিগত সময়ে ইয়াকুব আলী পক্ষ ইমান আলী পক্ষের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দিলে ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে সমঝোতায় সমাধান করা হয়।
সম্প্রতি ইয়াকুব আলী পক্ষ ইমান আলী পক্ষের বাড়ি ঘর ভাঙচুর করায় তারা থানায় অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে এসআই আলিম উভয় পক্ষ ও
এলাকার গণ্যমানদের নিয়ে থানায় দরবারে ডাকেন।
প্রত্যক্ষদর্শী রুহুল আমিন মাদবর জানান,
করিমগঞ্জ থানার সামনে মোখলেছ এর চায়ের দোকানে উভয় পক্ষের মধ্যে নালিশ চলাকালীন সময়ে হইচই শুরু হয়। পরবর্তী সময়ে এনিয়ে পৃথক বৈঠকে আলোচনা হবে বলে নালিশের সমাপ্তি ঘোষনা করেন। দোকান থেকে বের হয়ে আমরা ছুরিকাহত মজনু মিয়াকে রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখি।
ছুরিকাহত মজনু মিয়াকে চিকিৎসার জন্য কিশোরগঞ্জ সৈয়দ নজরুল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠালে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ইমান আলী পক্ষের মজনুর মৃত্যুর সংবাদ শোনার পর থেকে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এ বিষয়ে করিমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ মাহবুব মোরশেদ এর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।