1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভোলায় নিখোঁজ হওয়া ৩ মাসের শিশু উদ্ধার; ঘটনার রহস্য উন্মোচন ও বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে অভিভাবকের জিম্মায় প্রদান মাদারীপুরে গৃহবধুর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী আটক জামালপুরে ৩টি বিপণিবিতান ও ২টি দ্রব্যসামগ্রীর দোকানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা যশোরে জমি নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৭ বগুড়ার শিবগঞ্জে সিটিজেন গ্রুপের ৩য় ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে বস্তাবন্দি অবস্থায় শিশুর লাশ উদ্ধার, এলাকাজুড়ে শোক ও ক্ষোভ চট্টগ্রাম ১৫ আসনের সংসদ সদস্যের সাথে প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দের মত বিনিময় মিঠাপুকুরে বড়হয়রতপুর ইউনিয়ন নাগরিক ফোরামের ত্রৈমাসিক সভা কমলনগরে মেঘনায় অবৈধ জালের দখল নিয়ে ভয়াবহ সংঘর্ষ, নৌকা ডুবির ঘটনায় জেলেপাড়ায় আতঙ্ক বগুড়ায় রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের সম্মানে জামায়াতের ইফতার মাহফিল

কামাল উদ্দিনের দুর্নীতি ও অনিয়ম এবং নিয়োগ বাণিজ্য

মোঃ জিয়াউদ্দিন
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ২৪ বার পড়া হয়েছে
ভোলা জেলার ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, পূর্ব চর ছকিনা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা কামাল।
তিনি দীর্ঘদিন ধরে দুর্নীতি এবং অনিয়ম করে আসেন। ২০১৮ সালের নির্বাচনের  সময় নূরনবী চৌধুরী শাওনের সাথে ঢাকাতে মেজর হাফিজ উদ্দিন বীর বিক্রম সাহেবের  বিরুদ্ধে টক শো করেন। এবং টকশো তে উল্লেখও করেন যার প্রমান এখনো সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাসমান আছে। মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম নাকি দেশে কোন উন্নয়ন করেননি। এমনকি রাস্তাঘাট কাল বাট কোন কিছু করেননি। এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ বলেন, কামাল উদ্দিন যে প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন, সেই প্রতিষ্ঠানের একাডেমী স্বীকৃত মেজর (অব,) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম সাহেব নিজে করেছেন। এমনকি প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত পর্যন্ত মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীর বিক্রম) সাহেব  করেছেন।
উনার চাকরিটা পর্যন্ত মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ দিয়েছে।  তিনি মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রমের বিরুদ্ধে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনের সাথে একাত্র হয়ে , তিনি টকশোতে বিরোধিতা করেন এটা লালমোহনের মানুষ তাকে ঘৃণার পাত্র হিসেবে দেখেন। মেজর হাফিজ উদ্দিন বীর বিক্রম এর আমলে নাকি দেশে কোন উন্নয়ন হয়নি।সে টকশো এখনো সোশ্যাল মিডিয়াতে আছে।  আপনারা জানেন কিছুদিন পূর্বে দুর্নীতি এবং অনিয়ম করে  পিছনের ব্যাকডেট দিয়ে জাকির পঞ্চায়েত এর স্বাক্ষর জাল করে  বাহারুল  নামে   একজনকে চাকরি দেয়। তাকে জিজ্ঞাসা করিলে সে বলে ১৮ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা  মাওলানা কামালকে দেয়। তিনি লাইব্রেরিয়ান নিয়োগ দেন। সম্পূর্ণ অবৈধভাবে। অথচ এই নিয়োগ সরকার নিয়ে গেছে, সরকারের নিয়ম নীতি অমান্য করে নিজের খামখেয়ালি এবং আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলে দেখিয়ে সাবেক সভাপতি ও ম্যানেজিং কমিটির স্বাক্ষর জাল করে বাহারুল কে নিয়োগ দেয়, এবং অত্র প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষক এর বিরোধিতা করে, কোন ডিজির প্রতিনিধি দেখাতে পারবে না, ডিজির সাক্ষাৎকার দেখাতে পারবে না। ম্যানেজিং কমিটির কোন প্রমাণ দেখাতে পারবে না। তৎকালীন ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ছিল জাকির পঞ্চায়েত তিনি শেখ হাসিনার পত্যাগের সাথে সাথে দেশ থেকে চলে গেলেন।
তাকে জিজ্ঞাসা করলে সে বলে আমার কাছ থেকে কোন স্বাক্ষর নেয়া হয়নি। এবং আমার জামাইকে চাকরি দেওয়ার কথা ছিল তাও দেয়নি, আমার জামাইয়ের চাকরির জন্য নিয়োগ আছে রেজুলেশন আছে আমার নিজের হাতে রেজুলেশন করছি। এমনকি ডিজি বরাবর দরখাস্ত করেছি। এমনকি কোর্ট থেকে রায় হয়েছে। চতলা ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ  আবু জাফর মাইনুদ্দিন সাহেবকে বললে তিনি বলেন, আমি হেলাল উদ্দিন (রাছেল) এর কাগজপত্র ডিজিতে জমা দিয়েছি এমনকি আমরা ডিজি থেকে তার ড্রকেট নাম্বার নিয়ে এসেছি। এর মধ্যে অত্র প্রতিষ্ঠানের মাওলানা কামাল তিনি সঠিক কাগজপত্র না দেওয়ার কারণে কিছুটা বিলম্ব হয়। পরে আমি হাইকোর্টে আবেদন করি যার ফলশ্রুতিতে  মোঃ হেলাল উদ্দিন রাসেলের পক্ষে  রায়ের কাগজ আসে। হাইকোর্টের রায় অমান্য করে এ লম্পট সুপার কামাল হেলাল উদ্দিন রাসেল কে বাদ দিয়ে, দালাল বাজার নোমান ইঞ্জিনিয়ারের বাড়ির পাশে বাহারুল নামে এক লোক চাকরি দেয়। সাবেক সভাপতি জাকির হোসেন বলেন, বাহারুল থেকে ১৮ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে আমার স্বাক্ষর জাল করে এমনকি কমিটির স্বাক্ষর জাল করে প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকের মধ্যে একজন শিক্ষকের জানে না এ ধরনের দুর্নীতি অনিয়ম করে তাকে চাকরি দেয়। আমি টেলিফোনে জিজ্ঞাসা করিলে আমাকে বলে আমি মাত্র তিন লক্ষ টাকা নিয়েছি।
বাকি টাকা সাড়ে বারো লক্ষ টাকা ডিজিতে বিল করেছি। মোঃজিয়াউদ্দিন   অত্র প্রতিষ্ঠানের সহকারী শিক্ষক তিনি বলেন, বিভিন্ন সময়ে প্রতিষ্ঠান থেকে একের পর এক চাদা নেয়, যদি একজন শিক্ষক চাদা না দেয়, তার উপর আক্রমণ করে, ঠিক মতন মাদ্রাসা আসবে না, ২/৩ দিন পর এসে  হাজিরা খাতা সাক্ষর দেয়। কোন শিক্ষক এ ব্যাপারে কোন কথা বললে তাকে চাকরি থেকে সাসপেন্ড করা হবে বলে হুমকি দেয়।এর মধ্যেও অত্র প্রতিষ্ঠানের নুর নবী তাকে প্রকাশ্য দিবালোকে সামনে বিভিন্নভাবে হেনাস্তা করেন, এবং গালের কাছে থাপ্পড় মারে। যার প্রমান আমার কাছে  বিভিন্ন ডকুমেন্ট আছে।  কোন শিক্ষক প্রতিষ্ঠানের কোন হিসাব কিতাব চাইলে তাকে চাকরি থেকে বহিষ্কার করা হবে বলে হুমকি দেয় মাওলানা কামাল। আর শিক্ষক কে সব সময় প্রতিষ্ঠানের পাগল ছাগল বলে কথা বলে।উনাকে চাকরি দিয়েছে মহরম খোরশেদ আলম চেয়ারম্যান মানবিক দৃষ্টিতে , একটা টাকা তার কাছ থেকে নেয়নি যার সাক্ষ্যস প্রমাণ আমি নিজে। মাওলানা কামাল  প্রত্যেকটা শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছে প্রত্যেকের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। অত্র প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক মোঃ জিয়াউদ্দিন বলেন, আমার কাছ থেকে এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা নিয়ে যায়।
এবতেদায়ী প্রদানে আমাকে চাকরি দিবে বলে বিভিন্ন কলা কৌশলে  টাকা নিয়ে যায়,আমি তাকে জিজ্ঞাসা করিলাম কোটা তো সরকার নিয়ে গেছে । আপনি কিভাবে আমাকে চাকরি দিবেন ইবতেদায়ী প্রধান পদে । তিনি বলেন, সাবেক সভাপতি জাকির পঞ্চায়েতের স্বাক্ষর জাল করে এবং কমিটির স্বাক্ষর জাল করে ব্যাগডেট দিয়ে তোমাকে চাকরি দিব। লম্পট কামাল কে বললাম আমি এই অবৈধ চাকরি করব না। আমার টাকা আমাকে দিয়ে দেন। তিনি টাকা না দিয়ে বিভিন্ন অজুহাত সৃষ্টি করে, এবং আমাদেরকে তিন থেকে চার মাস বিভিন্নভাবে হয়রানি করে। মাদ্রাসার একজন শিক্ষক এ ব্যাপারে জানে না সকল শিক্ষক হতভাগ কিভাবে এই ধরনের একটা লাইব্রেরিয়ান নিয়োগ হলো,আমি মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় এর কাছে এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করছি। এবং  বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। তাকে আইনের আওতায় এনে শাস্তি দেওয়া হোক। এলাকাবাসী এই ধরনের লম্পট প্রতারক  থেকে বাঁচতে চাই।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com