1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ০৪:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঈদে নৌ-যাত্রায় নিরাপত্তা নিশ্চিতে মোংলায় কোস্ট গার্ডের বিশেষ টহল নাটোরের সিংড়ায় পথচারী ও শ্রমজীবীদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ ‎খতিব ও মুয়াজ্জিনদের সম্মানে কুমারখালীতে বিশেষ ঈদ উপহার বিতরণ পিরোজপুরে প্রযুক্তিনির্ভর সহিংসতা প্রতিরোধে প্রেস ব্রিফিং হরিপুরে ইউএনও’র কক্ষে নথিপত্র ছিনতাই উপজেলা প্রশাসনের হৃৎপিণ্ডে আঘাত জসীমউদ্দীন ইতি ঠাকুরগাঁও । পাইকগাছায় জ্বালানী তেলের তীব্র সংকট: ব্লাকে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ খুচরা ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে পশুর নদীসহ সুন্দরবন সংলগ্ন নদ-নদীর জীবন্ত সত্তা ফিরিয়ে আনতে হবে-প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল ইসলাম কেন্দুয়া উপজেলা বিএনপি ও সকল অঙ্গ সংগঠনের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান : বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যক্রমমের অংশ হিসেবে বাগীশিক পদুয়া ইউনিয়ন সংসদ এর বার্ষিক বনভোজন ও মিলনমেলা। নগরকান্দায় নববধূর গলায় ওড়না পেচিয়ে আত্মহত্যা, স্বামী-শ্বশুর পরিবার পলাতক!

চঁদপুরের বিল্লাল চাচা বিনা পারিশ্রমিকে ৩০০ জনকে কবরস্থ করেছেন

মো আতিক হাসান
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে
সম্পূর্ণ বিনা পারিশ্রমিকে ৩০৮ জনকে কবরস্থ করেছেন চাঁদপুরের বিল্লাল হোসেন খান। খবর পেলেই ছুটে যান এবং কবর খুঁড়ে নিজের মনে আত্মতৃপ্তি পান ৬৬ বছরের এই বৃদ্ধা। তার বয়স যখন ১৬ ছিলো তখন থেকেই এ কাজ শুরু করেন তিনি।
১৩ মার্চ শুক্রবার এক সাক্ষাৎকারে এ কথা নিশ্চিত করেন বিল্লাল হোসেন খান নিজেই।
তিনি জানান, টিপরাদের সাথে আমি জাদু বান টোনার কাজ করতাম। এক দিন হাজীগঞ্জের বড় মসজিদে জুমার নামাজ পড়তে যাই। তখন সেজদা দিতে পারছিলাম না। তখন মসজিদের তৎকালীন ইমাম আমাকে বিনা পয়সায় কবর খুড়ার পরামর্শ দেন। আর সে থেকেই এ কাজ শুরু করি। ডায়রিতে লিখে হিসাব রাখতাম এ পর্যন্ত কতোটি কবর খুড়লাম আমি। যদিও এখন ডায়েরিটাও আগুনে পুড়ে গেছে।
জানা যায়, বিল্লাল হোসেন খান হচ্ছেন চাঁদপুর পৌরসভার ১৩নং ওয়ার্ডের বাহের খলিশাডুলী এলাকার বাসিন্দা। তিনি ১৯৬০ সালের ৯ নভেম্বর জন্ম গ্রহণ করেন। তার পিতা হচ্ছেন ইদ্রিস খান। বর্তমানে তার ২ ছেলে ও ১ সন্তান নিয়ে তিনি দাম্পত্য জীবন কাটাচ্ছেন।
বিল্লাল হোসেন বলেন, আমার স্ত্রী মারা যাওয়ার পর থেকে বয়সের ভারে এখন আর কবর খুড়ার কাজ করিনা। তবে মানুষ ডাকলে এখনও ছুটে যাই। আমি পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিরাপত্তা প্রহরীর কাজ করতাম। কিন্তু সেখান থেকেও আমি অবসর নিয়েছি।
তিনি আরও বলেন, কবর খুড়তে গিয়ে অনেক অলৌকিত ঘটনার আমি সাক্ষী হয়েছি। আমার জীবনে কবর খুঁড়তে গিয়ে কোন মাপ লাগে না।চোখের দৃষ্টিতেই বুজি কবর টা আমাকে কিভাবে খুড়তে হবে। মানুষ আমাকে এ কাজে দোয়া করে এটাই আমার জীবনে চলার পথের শক্তি।
বিল্লাল হোসেন তার ইচ্ছে সম্পর্কে বলেন,আমার এ কাজে কোনভাবে কোন স্বীকৃতি পেলে মনে আনন্দ পেতাম। এখন নামাজ পড়ি আর কোনভাবে অভাব অনটনে সংসার চালাচ্ছি। কেউ যদি সাহায্য সহায়তা নিয়ে এগিয়ে আসে তাহলে আমি তা গ্রহণ করবো।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com