ফাইনালে যেতে হলে রেকর্ড গড়তে হতো দক্ষিণ আফ্রিকাকে। কাজটা যে কঠিন ছিল তা ম্যাচ শেষেও বোঝা গেল। ৩৬৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৩১২ রানে থামে প্রোটিয়াদের ইনিংস। এতে ৫০ রানের জয়ে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ফাইনাল নিশ্চিত করেছে নিউজিল্যান্ড। ২০০৯ সালের পর আবারো শ্রেষ্ঠত্বের মঞ্চে সুযোগ পেয়েছে ২০০০ সালের চ্যাম্পিয়নরা। টুর্নামেন্টের ইতিহাসে তৃতীয়বারের মতো ফাইনালে উঠেছে কিউইরা। দ্বিতীয় সেমিফাইনালে জিততে নিউজিল্যান্ডের বোলিংয়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার। প্রথমে ব্যাট করে রাচিন রচিন্দ্র (১০৮) ও কেন উইলিয়ামসনের (১০১) জোড়া সেঞ্চুরি আর ড্যারেল মিচেল (৪৯) এবং গ্লেন ফিলিপসের (৪৯) ব্যাটিং তাণ্ডবে ৩৬২ রানের রেকর্ড গড়ে নিউজিল্যান্ড। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে এটাই দলীয় সর্বোচ্চ রানের স্কোর। রানের পাহাড় টপকাতে নেমে ২ উইকেটে ১৬১ রান করে ভালো পজিশনেই ছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। এরপর সময়ের ব্যবধানে উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় প্রোটিয়ারা। জয়ের জন্য শেষ দিকে মাত্র ১৮ বলে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রয়োজন ছিল ৯৯ রান। হাতে ছিল মাত্র এক উইকেট। ব্যাটিংয়ের এক প্রান্তে ছিলেন ডেভিড মিলার আর অন্য প্রান্তে ছিলেন পেস বোলার লুঙ্গি এনগিডি। ইনিংসের শেষ দিকে মিলার রীতিমতো ব্যাটিং তাণ্ডব চালিয়ে একের পর এক বাউন্ডারিতে ৬৭ বলে ১০টি চার আর ৪টি ছক্কার সাহায্যে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। তার ব্যাটিং ঝড়ে ব্যবধান কমালেও দলের পরাজয় এড়াতে পারেনি দক্ষিণ আফ্রিকা। মিলারের সেঞ্চুরি (১০০*) আর রিশি ভেন দার ডুসেন ও টিম্বা বাভুমার ৬৯ ও ৫৬ রানের ইনিংসের সুবাদে ৯ উইকেটে ৩১২ রান তুলেই থামে দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস । ৫০ রানের জয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে উঠল নিউজিল্যান্ড।