নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার পাটিচরা ইউনিয়নের মোবারকপুর গ্রাম এখন হলুদ রঙের মায়ায় ঘেরা। নজিপুর-জয়পুরহাট রোড সংলগ্ন এই এলাকায় কৃষি বিভাগের প্রদর্শনীর আওতায় চাষ করা সূর্যমুখী বাগানটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর এখন তা পর্যটন কেন্দ্রে রূপ নিয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে এবং বাগানের সুরক্ষায় অবশেষে টিকিটের বিনিময়ে প্রবেশের ব্যবস্থা করেছে বাগান কর্তৃপক্ষ।
কর্মকর্তাদের বাগান পরিদর্শন
সম্প্রতি এই ভাইরাল বাগানটি পরিদর্শন করেন নওগাঁ জেলা ও পত্নীতলা উপজেলা কৃষি বিভাগের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাগণ। পরিদর্শনকালে তারা বাগানের ফলন এবং দর্শনার্থীদের আগ্রহ দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন। কর্মকর্তারা জানান, ভোজ্য তেলের চাহিদা মেটাতে সূর্যমুখী চাষ যেমন লাভজনক, তেমনি এ ধরনের প্রদর্শনী সাধারণ মানুষকে কৃষির প্রতি আগ্রহী করে তুলছে।
আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু মোবারকপুর
নজিপুর-জয়পুরহাট সড়কের পাশেই হওয়ায় যাতায়াতের সুবিধার কারণে প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে শত শত মানুষ এখানে ভিড় করছেন। মাঠের পর মাঠ সূর্যের দিকে মুখ করে থাকা হাজারো ফুলের দৃশ্য দেখে মুগ্ধ হচ্ছেন দর্শনার্থীরা।
অবস্থান: মোবারকপুর, পাটিচরা ইউনিয়ন (নজিপুর-জয়পুরহাট রোড সংলগ্ন)।
উদ্যোগ: কৃষি বিভাগের বিশেষ প্রদর্শনী প্রকল্প।
বর্তমান অবস্থা: পর্যটকদের ভিড় সামলাতে টিকিট পদ্ধতি চালু।
স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়া
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আগে কখনো এই এলাকায় এত মানুষের সমাগম হয়নি। সূর্যমুখী বাগানটি ভাইরাল হওয়ার পর থেকে এলাকার পরিচিতিও বেড়েছে। তবে ভিড়ের কারণে যেন গাছের ক্ষতি না হয়, সেজন্য টিকিট সিস্টেম এবং বেষ্টনী দেওয়া হয়েছে।
কৃষি কর্মকর্তারা মনে করছেন, সূর্যমুখীর এই বাম্পার ফলন দেখে আগামীতে ওই অঞ্চলের অনেক কৃষকই এই লাভজনক ফসল চাষে উদ্বুদ্ধ হবেন।
আমি কি এই প্রতিবেদনটির জন্য একটি চমৎকার শিরোনাম বা সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের ক্যাপশন লিখে দেব?