1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ০৫:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চাঁদপুরে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ, তদন্তে উঠে এলো হ/ত্যা/র আলামত পাইকগাছা রিপোর্টার্স ইউনিটির আয়োজনে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ঝালকাঠির নলছিটিতে কিস্তির ঋণের চাপ সহ্য করতে না পেরে যুবকের আত্মহত্যা চাঁদপুরে কোস্ট গার্ডের অভিযানে প্রায় ৩৬ লক্ষ টাকার জাটকা জব্দ টেকনাফে র‍্যাবের ওপর হামলা, আহত ৯ ‎কুমারখালী প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহের ভালুকায় ২ নং মেদুয়ারী ইউনিয়নে সরকারি চাল বরাদ্দের অনিয়ম আসন্ন বকশীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জামায়াতের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এডভোকেট মাওলানা ইলিয়াস হোসাইন! জামালপুরে স্বামীকে গাছে বেঁধে স্ত্রীকে ধ*র্ষণ, ৩ জনের মৃ*ত্যুদণ্ড! ফরিদপুরে ৪ হাজার ই*য়া*বাসহ দুই মা-দক কার*বারি গ্রে*ফ*তার!

ফরিদপুরে রমজানের নিত্যপন্যের দাম নিয়ন্ত্রনে রাখতে উপজেলা প্রশাসনের সাথে মতবিনিময়

মোঃ বুখারী মল্লিক
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২০ মার্চ, ২০২৪
  • ২২৫ বার পড়া হয়েছে
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায় চলমান পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে অসাধু ব্যবসায়ীদের দমনে উপজেলা প্রশাসনের সাথে মতবিনিময় করেছেন জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞজেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. কামরুল আহসান তালুকদার পিএএ।
গত ১৯ মার্চ মঙ্গলবার দুপুর ১ টার দিকে উপজেলা পরিষদে নির্বাহী কর্মকর্তা’র কার্যালয়ে সকল দপ্তরের কর্মকর্তাদের নিয়ে এক মতবিনিময় আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য যেন সাধারণ মানুষের ক্রয়সীমার মধ্যে থাকে সেদিকে সবাইকে কড়া নজর দেবার নির্দেশ দেন জেলা প্রশাসক।
জেলা প্রশাসক কামরুল এহসান বলেন, রমজান মাস উপলক্ষে  খাদ্যপণ্যের সঠিক মূল্যতালিকা নির্ধারণ ও যথাযথ সরবরাহের ক্ষেত্রেও নানা সমস্যার সৃষ্টি হয় যা বাজারে  কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে।  কেউ কেউ মজুতদারি করে পচিয়ে ফেলবে কিন্তু বাজারে দেবে না এমন অবস্থার সৃষ্টি যেন না করতে পারে সে ব্যাপারে উপজেলা প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের বিশেষ দৃষ্টি রাখার আহবান করেন । প্রয়োজনে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতেও নির্দেশ দেন।
 কৃষি উৎপাদনে প্রান্তিক কৃষক যেন সরকারের সকল সুযোগ সুবিধা পায়  সে ব্যপারে কৃষি কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন জেলা প্রশাসক।
ডিসি আরও বলেন দুই এবং তিন ফসলি কৃষিজমির মাটি ইট ভাটায় ব্যবহার  এবং টপ লেভেল কাটা যাবে না সরকারের অনুমতি ছাড়া এমনকি পুরাতন অথবা মজা পুকুর বাণিজ্যিক উদ্দেশ্য মাটি কাটা যাবে না।
সাংবাদিকদের তথ্য দিয়ে  সহযোগিতা করার জন্য উপজেলার সকল কর্মকর্তাদের বিশেষ নির্দেশনা দেন জেলা প্রশাসক।
মতবিনিময় সভায়  উপস্হিত ছিলেন,উপজেলা চেয়ারম্যান একেএম জাহিদুল হাসান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সারমীন ইয়াসমীন, পৌর মেয়র আলি আকসাদ ঝন্টু, আলফাডাঙ্গা থানার ওসি মো. সেলিম রেজা,  প্রেসক্লাবের সভাপতি আরিফুজ্জামান চাকলাদার আপেল, সাধারণ সম্পাদক তন্ময় উদ্দৌলা এবং উপজেলার সকল দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ।  মতবিনিময় সভার আগে জেলা প্রশাসককে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন সকলে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঝিনাইদহে পানির দরে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ, ঋণের দায়ে ঘরছাড়া হওয়ার আতঙ্কে কৃষকমাকসুদুল হক, ঝিনাইদহ- ১১ মার্চ, মঙ্গলবার ঝিনাইদহের বেশিরভাগ কৃষক এনজিও বা মহাজনের কাছ থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে পেঁয়াজ চাষ করেছেন। এখন সেই ঋণের কিস্তি শোধ করার চাপে তারা অনেকটা বাধ্য হয়েই লোকসানে ফসল বিক্রি করছেন। পবিত্র রমজান ও সামনে ঈদ। পরিবারের নতুন পোশাক কেনা তো দূরের কথা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতেই হিমশিম খাচ্ছেন তারা। ঝিনাইদহের মাঠজুড়ে এখন পেঁয়াজ তোলার কর্মযজ্ঞ। জেলার শৈলকূপা ও হরিণাকুণ্ডু উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠে মাঠে আগাম জাতের পেঁয়াজ উত্তোলনে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। বাজারে পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ এর অর্ধেক ঘরে আসছে। কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলায় এ বছর রেকর্ড প্রায় ১৩ হাজার হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষ হয়েছে, যা থেকে প্রায় দেড় লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে হরিণাকুণ্ডু উপজেলাতে ২৫০০ হেক্টর জমিতে এবার পেঁয়াজের ব্যাপক ফলন হয়েছে। কিন্তু পেঁয়াজের বর্তমান দামে চাষীর কপালে চিন্তার ভাঁজ। প্রতি মণে উৎপাদন খরচ ১৫০০ টাকার বেশি হলেও বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৭০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে। সরেজমিনে বিভিন্ন মাঠ ও হাট ঘুরে দেখা যায়, চাষিরা দল বেঁধে জমি থেকে পেঁয়াজ তুলছেন। কেউ পরিষ্কার করছেন, কেউ বা বস্তাবন্দি করে হাটে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায় এক চরম সত্য—পেঁয়াজ চাষে যে পরিমাণ হাড়ভাঙা খাটুনি আর অর্থ ব্যয় হয়েছে, বর্তমান বাজার দরে তার অর্ধেকও উঠে আসছে না। সার, বীজ, সেচ আর শ্রমিকের মজুরি মিলিয়ে উৎপাদন খরচ আকাশচুম্বী হলেও হাটে গিয়ে পেঁয়াজ বিক্রি করতে হচ্ছে পানির দরে। চাষিদের অভিযোগ। বর্তমানে পেঁয়াজ উত্তোলনের ভরা মৌসুম হওয়ায় সব কৃষক একসাথে পেঁয়াজ বাজারে নিয়ে আসছেন। হাটে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কয়েকগুণ বেশি হওয়ায় দাম কমে গেছে । ভরা মৌসুমে পেঁয়াজ আমদানির ফলে স্থানীয় বাজারের দেশি পেঁয়াজের কদর কমছে। পাইকাররা আমদানিকৃত পেঁয়াজের দোহাই দিয়ে দেশি পেঁয়াজের দাম কমিয়ে রাখছেন । স্থানীয় পর্যায়ে পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত হিমাগার নেই। ফলে পচে যাওয়ার ভয়ে এবং ঋণের কিস্তি শোধের চাপে কৃষকরা পানির দরেই পেঁয়াজ ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন । প্রান্তিক চাষি ও পাইকারি বাজারের মাঝখানে থাকা আড়তদার ও মধ্যস্বত্বভোগীদের একটি বড় অংশ বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। হরিণাকুণ্ডুর কৃষকরা বলছেন, বীজ, সার ও শ্রমিকের যে আকাশচুম্বী দাম, সেই তুলনায় বাজারের এই দর তাদের পথে বসিয়ে দেবে। বিশেষ করে সামনে রমজান ও ঈদ থাকায় পরিবারের বাড়তি খরচ মেটাতে তারা চরম সংকটে পড়েছেন। কৃষকদের দাবি, পেঁয়াজ আমদানি সাময়িকভাবে স্থগিত রেখে এবং সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে সরকারিভাবে পেঁয়াজ সংগ্রহের ব্যবস্থা করলে এই সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব। অন্যথায় লোকসানের ভারে ধসে পড়বে এই অঞ্চলের কৃষি অর্থনীতি।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com