1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ০২:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চাঁদপুরে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ, তদন্তে উঠে এলো হ/ত্যা/র আলামত পাইকগাছা রিপোর্টার্স ইউনিটির আয়োজনে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ঝালকাঠির নলছিটিতে কিস্তির ঋণের চাপ সহ্য করতে না পেরে যুবকের আত্মহত্যা চাঁদপুরে কোস্ট গার্ডের অভিযানে প্রায় ৩৬ লক্ষ টাকার জাটকা জব্দ টেকনাফে র‍্যাবের ওপর হামলা, আহত ৯ ‎কুমারখালী প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহের ভালুকায় ২ নং মেদুয়ারী ইউনিয়নে সরকারি চাল বরাদ্দের অনিয়ম আসন্ন বকশীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জামায়াতের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এডভোকেট মাওলানা ইলিয়াস হোসাইন! জামালপুরে স্বামীকে গাছে বেঁধে স্ত্রীকে ধ*র্ষণ, ৩ জনের মৃ*ত্যুদণ্ড! ফরিদপুরে ৪ হাজার ই*য়া*বাসহ দুই মা-দক কার*বারি গ্রে*ফ*তার!

বগুড়ায় ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন ৪৯৬ জন নারী পেলেন টাকা

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬
  • ৪৭ বার পড়া হয়েছে

বগুড়ার শাখারিয়া ইউনিয়নের তিন নম্বর ওয়ার্ডের  গোপালবাড়ি সহ দেশের ১৪ টি উপজেলার ১৪ টি ওয়ার্ডে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়। আজ মঙ্গলবার সকাল দশটায় রাজধানী ঢাকায় উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরে বগুড়ায় বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান এই ফ্যামিলি কার্ড উপকার ভোগীদের মধ্যে বিতরণ করেন। প্রাথমিক পর্যায়ে সদর উপজেলার শাখারিয়া ইউনিয়নের গোপাল বাড়িতে প্রাথমিক পর্যায়ে ৪৯৬ জনকে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়। এছাড়াও আরো কয়েকজনকে এই কার্ডের আওতায় আনা হয়েছে। সর্বমোট ফ্যামিলি কার্ডের অধিকারী হবেন ৮৬৮ জন। বাকিদের পর্যায়ক্রমে দিয়ে দেওয়া হবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে  জানানো হয়েছে। ফ্যামিলি কার্ড পাওয়ার পর অধিকাংশ পরিবারের গৃহিণীরা অত্যন্ত খুশি হয়েছেন। কারণ এই টাকা তাদের পরিবারের অনেক কাজে লাগবে বলে তারা জানিয়েছেন। তাদের অনেকেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দীর্ঘায়ু কামনা করে বলেন এরকম কার্যক্রম ইতিপূর্বে বাংলাদেশে হয়নি। আগামী দিনে আরো অনেক কিছু তার মাধ্যমে হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন। উপকারভোগীরা কয়েকজন জানান, কার্ড পাওয়ার আগেই মোবাইলে টাকা পৌঁছে গেছে। এটা আমাদের পরিবারের জন্য অনেক কাজে লাগবে। তারেক রহমানের জন্য দোয়া করি। আল্লাহ তাঁকে দীর্ঘায়ু করুন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বগুড়া জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান উপকারভোগী নারীদের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন। এসময় তিনি বলেন, সরকারের এই উদ্যোগ প্রান্তিক পর্যায়ের নারীদের জন্য। ইতিমধ্যে সকালেই সবার মোবাইলে টাকা পৌঁছে গেছে। সবকিছু মিলিয়ে এই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করছি। এসময় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল ওয়াজেদ, কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য আলী আজগর তালুকদার হেনা, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাফতুন আহমেদ খান রুবেল, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদ-উন নবী সালাম সহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঝিনাইদহে পানির দরে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ, ঋণের দায়ে ঘরছাড়া হওয়ার আতঙ্কে কৃষকমাকসুদুল হক, ঝিনাইদহ- ১১ মার্চ, মঙ্গলবার ঝিনাইদহের বেশিরভাগ কৃষক এনজিও বা মহাজনের কাছ থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে পেঁয়াজ চাষ করেছেন। এখন সেই ঋণের কিস্তি শোধ করার চাপে তারা অনেকটা বাধ্য হয়েই লোকসানে ফসল বিক্রি করছেন। পবিত্র রমজান ও সামনে ঈদ। পরিবারের নতুন পোশাক কেনা তো দূরের কথা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতেই হিমশিম খাচ্ছেন তারা। ঝিনাইদহের মাঠজুড়ে এখন পেঁয়াজ তোলার কর্মযজ্ঞ। জেলার শৈলকূপা ও হরিণাকুণ্ডু উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠে মাঠে আগাম জাতের পেঁয়াজ উত্তোলনে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। বাজারে পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ এর অর্ধেক ঘরে আসছে। কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলায় এ বছর রেকর্ড প্রায় ১৩ হাজার হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষ হয়েছে, যা থেকে প্রায় দেড় লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে হরিণাকুণ্ডু উপজেলাতে ২৫০০ হেক্টর জমিতে এবার পেঁয়াজের ব্যাপক ফলন হয়েছে। কিন্তু পেঁয়াজের বর্তমান দামে চাষীর কপালে চিন্তার ভাঁজ। প্রতি মণে উৎপাদন খরচ ১৫০০ টাকার বেশি হলেও বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৭০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে। সরেজমিনে বিভিন্ন মাঠ ও হাট ঘুরে দেখা যায়, চাষিরা দল বেঁধে জমি থেকে পেঁয়াজ তুলছেন। কেউ পরিষ্কার করছেন, কেউ বা বস্তাবন্দি করে হাটে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায় এক চরম সত্য—পেঁয়াজ চাষে যে পরিমাণ হাড়ভাঙা খাটুনি আর অর্থ ব্যয় হয়েছে, বর্তমান বাজার দরে তার অর্ধেকও উঠে আসছে না। সার, বীজ, সেচ আর শ্রমিকের মজুরি মিলিয়ে উৎপাদন খরচ আকাশচুম্বী হলেও হাটে গিয়ে পেঁয়াজ বিক্রি করতে হচ্ছে পানির দরে। চাষিদের অভিযোগ। বর্তমানে পেঁয়াজ উত্তোলনের ভরা মৌসুম হওয়ায় সব কৃষক একসাথে পেঁয়াজ বাজারে নিয়ে আসছেন। হাটে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কয়েকগুণ বেশি হওয়ায় দাম কমে গেছে । ভরা মৌসুমে পেঁয়াজ আমদানির ফলে স্থানীয় বাজারের দেশি পেঁয়াজের কদর কমছে। পাইকাররা আমদানিকৃত পেঁয়াজের দোহাই দিয়ে দেশি পেঁয়াজের দাম কমিয়ে রাখছেন । স্থানীয় পর্যায়ে পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত হিমাগার নেই। ফলে পচে যাওয়ার ভয়ে এবং ঋণের কিস্তি শোধের চাপে কৃষকরা পানির দরেই পেঁয়াজ ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন । প্রান্তিক চাষি ও পাইকারি বাজারের মাঝখানে থাকা আড়তদার ও মধ্যস্বত্বভোগীদের একটি বড় অংশ বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। হরিণাকুণ্ডুর কৃষকরা বলছেন, বীজ, সার ও শ্রমিকের যে আকাশচুম্বী দাম, সেই তুলনায় বাজারের এই দর তাদের পথে বসিয়ে দেবে। বিশেষ করে সামনে রমজান ও ঈদ থাকায় পরিবারের বাড়তি খরচ মেটাতে তারা চরম সংকটে পড়েছেন। কৃষকদের দাবি, পেঁয়াজ আমদানি সাময়িকভাবে স্থগিত রেখে এবং সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে সরকারিভাবে পেঁয়াজ সংগ্রহের ব্যবস্থা করলে এই সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব। অন্যথায় লোকসানের ভারে ধসে পড়বে এই অঞ্চলের কৃষি অর্থনীতি।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com