বাগেরহাট জেলার মোড়েলগঞ্জ থানার চিংড়াখালি ইউনিয়নে আনুখার ব্রিজ হইতে নলভিটা পর্যন্ত এর মধ্যে চলছে অবৈধ রমরমা মাদক ব্যাবসা।এ যেন এক রহস্যময় ঘেরা বেরাজাল। কে এই অবৈধ মাদক ব্যবসার প্রধান হোতা। তা অনুসন্ধান করতে দেশ বুলেটিন এর পক্ষ থেকে যাওয়া হয়। তার পরেই আস্তে আস্তে পাওয়া যায় বিশাল এক রহস্যময় টিম।এ যেন এক ভয়াবহ কিশোর গ্যাং।এবার কারা কারা আছে এবং কিভাবে সেল হচ্ছে এই অবৈধ মাদক।দেশ বুলেটিন এর রিপোর্টার যাচাই করার পর ১ম পাওয়া যায়, এই কিশোর গ্যাং এর এক কিশোর চা বিক্রেতা দোকানদারকে। তথ্য সঠিক কিনা তা নিশ্চিত করতে দেশ বুলেটিন এর রিপোর্টার তাদের সাথে মোটামুটি ঘনিস্ট হয়ে মাদক ক্রয়ের জন্য একশত টাকা দেয়া হয় সেই চা দোকানদার কিশোর কে। কিশোরটি আবার যায় আরেকটি ছেলের কাছে। ছেলেটির নাম (মোঃ সিয়াম)
(পিতা:মোঃ ফারুক)
সেই সিয়াম আবার যায় আরেক যায়গায় এবং আরেকটি ছেলেকে নিয়ে আসে।
সেই ছেলেটির নাম (মোঃ লাাবিব) আমরা বুঝতে পারছি এই লাবিব হয়তো বিক্রেতা,,,,,,, কিন্তু না,,,,,এই লাবিব নামের ছেলেটি আবার বলে একটু সামনে যেতে হবে আমি নিয়ে আসি। ও আবার গেছে আরেকটি ছেলের কাছে যার বাড়িটা ও নাম নিস্চিত করা যায়নি।কিছুসময় পর সিয়াম নামের ছেলেটি একটি গাছ কাটা ছুড়ি নিয়ে উপস্থিত হয় ১ম সেই কিশোরের চার দোকানের পাশে এবং হস্তাতর হয় লাবিব এর হাতে।এবার লাবিব যার হাতে হস্তান্তর হয়েছে, সে এবার আসছে চার দোকানে তার হাতেও ঠিক একই ভাবে একটি গাছ কাটা ছুড়ি পরে মাদকের টোপলা টি দেয় সেই প্রথম চা দোকান দার কিশোরের কাছে এবং সেখান থেকে টোপলাটি দেয়া হয়ে আমাদের কাছে।আমরা তাদেরকে পরবর্তিতে ওই টোপলাটি ফেরত দেই সিয়ামের কাছে এবং বলি যার জন্য নিতে চাইছিলাম তার লাগবে না। যাতে আমাদেরকে ওরা সন্দেহ না করতে পারে। আমরা জানতে চাইলাম তোমাদের দুজনের হাতেই ছুরি কেন ওরা বললো ভাই কেউ মাল নেয়ার সময় যদি ঝামেলা করে তাহলে এটি ব্যাবহার করব ওদের কথা শুনে আমরা হতবাক।কারন ১৫/১৬বছর এই কিশোরদের বয়স। আসলে কি হচ্ছে এসব।কারা দিচ্ছে এদের এত সাহস,কারা দিচ্ছে এদের হাতে এই অবৈধ মরনব্যাধি মাদক।
কারা দিচ্ছে এদের সুন্দরময় জীবনটাকে ধংসের দিকে এগিয়ে।
ইতিমধ্যেই অনুসন্ধান টি চলমান রেখে আবার একদিন তার পাশে আরিকটি দোকানে গিয়ে বসলাম এবং গোপনসুত্রে জানতে পারলাম এদের উপরেও আরো লোক আছে এখন বিষয় হলো কারা সেই লোক।সেই দোকানের কাছে যাওয়ার পর ওই ৩ জন কিশোরের মধ্যে সিয়াম নামের এক কিশোরকে ওই দোকানে পাওয়া যায় ওই সময়ে। এবং সিয়াম মোবাইল যোগাযোগ মাধ্যমে তখন গাজা বিক্রির ডিল করে এক বিক্রেতার সাথে ১২ গ্রাম পাঁচশত টাকা ও ওপেন সিগারেট খায়।আমরা তারপর ওই দোকানদারকে জিগ্যেস করায় দোকানদার বললো ওরা নাকি খারাপ ও ভয়ংকর,তারা নাকি ওদের ভয় পায়। আমরা আবারো বিস্মিত হলাম কার সাহসে এতটুকু বয়সের কিশোররা এই অবৈধ্য ব্যবসা ও অবৈধ কর্মকান্ড চালিয়ে যায়।ইতিমধ্য সিয়াম কে ছিগারেট ওপেনলি না খাওয়ার জন্য দেশ বুলেটিন এর রিপোর্টার তাকে একটা ধমক দেয় এবং তাকে ভাল হতে বলা হয়।ঘটনাটি এখানেই শেষ হলে পারত, কিন্তু না এবার বেরিয়ে আসলো কিশোর গ্যাঙ এর আসল রুপ ও রহস্য। আরও ৩/৪জন কিশোর গ্যাং এর লোক,তারপর এসেই দৈনিক দেশ বুলেটিন রিপোর্টার এর উপর হুমকি।এবং জানতে চাওয়া হয় কেন সিয়ামকে ধমক দিলাম তখন আমরা বলেছি ও বেয়াদবি করছে তার জন্য।
সিনিয়র মানুষের সামনে সিগারেট খায় ও গাজা বিক্রির পরিচালনা করে তখন ওই কিশোর গ্যাং গ্রুপ আমাদের প্রশ্ন করে তার আগেরদিন কেন ও কি কারনে সিয়াম এর কাছ থেকে মাদক ক্রয় করা হয়।তখন আমাদের পরিচয় না দিয়া উপায় ছিলনা। আর পরিচয় পাওয়ার পর ওরা আমাদের প্রতি আরও ক্ষিপ্ত হয়, ও দৈনিক দেশ বুলেটিন এর রিপোর্টার তাদেরকে সিগারেট গাজা খাওয়া ওবিক্রি না করার জন্য উপদেশ দেন এবং ভাল হওয়ার জন্য তাদেরকে উপদেশ মূল্যক কথা বলেন।
তারপর এই কিশোর গ্যাং দেশ বুলেটিন রিপোর্টারকে মাদক দিয়ে ধরিয়ে দেয়ার হুমকি দেয়। তৎপর তাদের বাবা মার সাথে কথা বলতে চাইলে তারা আরও ক্ষিপ্ত হয়, এবং আমাদের উপর কিশোর গ্যাং এর ছেলেরা অনৈতিক ভাবে হামলা চালায়।এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ যানাই ওই এলাকার একজনের কাছ থেকে জানতে পারা যায়,ওরা এতটাই বেয়াদব ও ভয়ংকর যে ওদের সামনে কেউ কথা বলে না। কারন ওরা নাকি কাউকে সম্মান ও মর্যাদা দেয় না।এবং ওদের ভিতরের সিনিয়র যে তার নাম রবিউল বক্স যার পিতা কাকা বক্স এই কাকা বক্স হলো এক সময়ের দুর্দান্ত লোক মানুষের কাছ থেকে যানতে পারি কিন্ত বয়সের ক্ষেত্রে এখন সে অবসরে আছেন আর তার ছেলেই এই কিশোরদের শেল্টার ম্যান। পরে স্থানীয় কয়েক জন ওদের নিয়ে এসে মাফ চায়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।পরে ওই এলাকায় অনুসন্ধানের তথ্য সাময়িক সময়ের জন্য স্তগিত রাখা হয়।এটা অতি দ্রুত প্রসাসনের দৃস্টি আকর্ষন করে কিশোরদের ভাল পথে ফিরিয়ে এনে মুল মাদক ব্যাবসায়িক ও মূল শেল্টার দাতা কে আইনের আওতায় আনা অতি জরুরি একটি বিষয়। নাহলে এই ছেলেদের দিয়ে দিন দিন অপকর্ম করিয়ে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কিশোরদের মাদকাসক্ত থেকে ফিরিয়ে আনা কস্টকর হয়ে দারাবে।