রাষ্ট্রভাষা বাংলা প্রতিষ্ঠার ৭৩ বছর পরও বরগুনার বেতাগী উপজেলায় অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভাষা শহীদদের স্মরণে শহীদ মিনার নেই। ফলে ভাষা দিবসে কোথাও বাশ, কোথাও কলা গাছ ও মাটি দিয়ে অস্থায়ী শহীদ মিনার নির্মাণ করে সেখানে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এবারও একই ভাবে শহীদ মিনার নির্মাণ করে সেখানে পুষ্পস্তবক অর্পণ করতে হবে। অথচ এ উপজেলায় ১৮৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মাত্র ৫৩ টি শহীদ মিনার রয়েছে। বাকি ১৩৩ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কলা গাছ দিয়ে উদযাপন করা হবে।
জানা গেছে, উপজেলার ১২৯ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর বদনীখালী, বাসন্ডা ও পূর্ব কাউনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সহ ১৫ টি বিদ্যালয় শহীদ মিনার রয়েছে এবং ১১৪ টি বিদ্যালয় কোথাও শহীদ মিনার নেই। মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে হাসমত আলী , আখতার মোরশেদ কৃষি কলেজ, বেতাগী টেকনিক্যাল এন্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ, কাউনিয়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, পশ্চিম করুণা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ফুলতলা বিকাশ মাধ্যমিক বিদ্যালয় , মোকামিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়, রানীপুর খোন্তকাটা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, সবুজ কানন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ভোড়া আশ্বের্দিয়া জুনিয়র মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ ১১ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতিষ্ঠার দীর্ঘদিন ও শহীদ মিন্না নির্মাণ করা হয়নি। তবে মাদ্রাসা পর্যায়ে ২৩ টি প্রতিষ্ঠানের এখনো কোথাও শহীদ মিনার নেই। শিক্ষাক ও প্রবীন সাংবাদিক আকন্দ শফিকুল ইসলাম বলেন,‘ শহীদের স্মৃতি রক্ষার্থে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের শহীদ মিনার নির্মাণ বাধ্যতামূলক করা প্রয়োজন। সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নির্মাণ করা হলে কোমলমতি শিশু ও ছোট ছোট ছেলে মেয়ে শিক্ষার্থীরা ভাষা আন্দোলনের ব্যাপারে জানতে আরো আগ্রহ প্রকাশ করবে।’ বেতাগী উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা পদ শূন্য রয়েছে। ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব হিসেবে পালন করছেন একাডেমিক সুপারভাইজার এস এম মাসুদুর রহমান। তিনি বলেন সরকারি বিধি মোতাবেক মাতৃভাষা দিবস উদযাপনের জন্য উপজেলা সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইতিমধ্যে নির্দিষ্ট হয়েছে। ’