সারা দেশের ন্যায় মাগুরার বিভিন্ন উপজেলায় চলছে অবৈধভাবে বালির ব্যবসা। বালি ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন নদীতে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন করছে। অথবা মাঠের ভিতর ড্রেজার মেশিন দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বালি উত্তোলন করছে। যাহা এস্কেভেটার দিয়ে ট্রাকে করে বিভিন্ন জায়গা বিক্রি করছে। জেলার নব গঙ্গা নদীতে দীর্ঘদিন ধরে বাজে ব্যবসা করছে কতিপয় ব্যক্তি। মোহাম্মদপুর উপজেলার মধুমতি নদীতে ও এই বালির ব্যবসা চলছে জমজমাট। প্রশাসন হস্তক্ষেপ করেও এদের কিছুই করতে পারছে না। সম্প্রতি মোহাম্মদপুর উপজেলা প্রশাসন ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে এদের জরিমানা করলেও ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে শালিখা উপজেলার পাঁচ কামনা গ্রামের বালি ব্যবসা সম্রাট মোঃ তৈয়ব আলী এই ব্যবসার রাজত্ব কায়েম করেছে। বিভিন্ন সময় মামলাও খেয়েছে কিন্তু এই ব্যবসা থেকে সে সরে দাঁড়াতে পারেনি। সম্প্রতি উপজেলার নুরপুর গ্রামের স্বপন কে নিয়ে মাঠের ভিতর থেকে বালি উত্তোলন করছে। বালি কেটে পাহাড়ের স্তুপ তৈরি করেছে। প্রতিনিয়ত এখান থেকে ট্র্যাকে করে বিভিন্ন জায়গায় লক্ষ লক্ষ টাকা বালি বিক্রি করছে। এলাকাবাসী বলেন এইভাবে মাঠ থেকে বালু উত্তোলন করলে এক সময় মাঠের শত শত একক জমি ঢসে যাবে। মাঠে আর ফসল উৎপাদন হবে না। ফলে এলাকায় খাদ্য সংকট দেখা দিতে পারে। অতিসত্বর এই বালু ব্যবসা বন্ধসহ উত্তোলনকৃত বালি জব্দ করার জন্য প্রশাসনের আশুগঞ্জ কামনা করেছেন এলাকার সচেতন মহল।