1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ১০:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আমি এই মন্ত্রী, এই মন্ত্রণালয়ে যে দুর্নীতি করবে, ২৪ ঘণ্টা থাকতে পারবে না: শিক্ষামন্ত্রী ধামইরহাটে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন সাতক্ষীরার কলারোয়ার পুত্রবধূ তুলি বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনীত বাংলাদেশ কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট সমিতি ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার সমাবেশ অনুষ্ঠিত পুলিশের বিশেষ অভিযান: ২৪ ঘণ্টায় ২৭ আসামি গ্রেফতার মাদারীপুর শিবচরে তেলবাহী ট্রাক ডাকাতি মামলায় দুইজন গ্রেফতার জ্বালানি পেতে সেচ পাম্প নিয়ে ফিলিং স্টেশনে কৃষকের ভিড় মাদারীপুরে বেকারিকে নিরাপদ খাদ্য আইনে এক লাখ টাকা জরিমানা কুমারখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কোয়ার্টার এখন ‘মৃত্যুফাঁদ’: ঝুঁকিতে চিকিৎসক-নার্স, রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। মানিকগেঞ্জ নব নিযুক্ত জেলা পরিষদের প্রশাসকের সাথে হরিরামপুর প্রেসক্লাবের মত বিনিময়

খুলনায় ভরা মৌসুমে আলুর মজুদ কম

আল হাসান আকুন্ঞ্জী
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৩ মার্চ, ২০২৪
  • ৪০৪ বার পড়া হয়েছে
আলুর ভরা মৌসুমেও গত বছরের তুলনায় এবার খুলনার মহানগরীর আড়তগুলোতে জোগান খুব কম। কদমতলা আড়তে গিয়ে এমনটাই দেখা গেছে। আলুর দামও গত বছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। এর আগের বছর আলুর মৌসুমে প্রতি কেজি পাইকারি বাজারে গড়ে ১০ থেকে ১২ টাকায় বিক্রি হয়। এ বছর তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ থেকে ২২ টাকা। তবে মূল্য বাড়ার সঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।
আড়তদার ও বেপারীদের সাথে কথা বলে জানা যায় যোগান এ বছর কম।
গত বছর মৌসুমে আড়ত গুলোতে প্রতিদিন গড়ে ৮ – ১০ ট্রাক আলু আসলেও এবছর তা কমে দাঁড়িয়েছে ৩ – ৫ থেকে পাঁচ ট্রাক। রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুর এবং রংপুর মূলত এই ৪ জেলা থেকে খুলনার আড়তে আলু নিয়ে আসেন ব্যবসায়ীরা। পরবর্তীতে সেসব সরবরাহ করা হয় দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায়। কিন্তু এবার এ সকল জেলায় ফলন ভালো হয়নি। এ সব জেলা থেকে আলু খুলনায় নিয়ে আসা ব্যবসায়ীরা জানান, ২০২৩ সালে আলু রপ্তানি কম হওয়ায় চাষের পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছে কৃষকেরা। তাছাড়া সার, কৃষি উপকরণ এবং কৃষি শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধি সহ বৈরী আবহাওয়ার কারণে এ বছর আলুর ফলন ভালো হয়নি।
রংপুর থেকে কৃষকদের কাছ থেকে আলু সংগ্রহ করে খুলনার বাজারে নিয়ে আসা আব্দুল ওয়াদুদ জানান, আবহাওয়া প্রতিকূলে থাকায় এ বছর ফলন খুবই নাজুক। তাছাড়া সরকার ভারত থেকে আলু আমদানি করার অনুমতি দেওয়ায় আতঙ্কিত কৃষকেরা তাদের আলু কোল্ডো স্টোরে সংরক্ষণ করে রাখছে।
এছাড়া নগরীর রুপসা সন্ধ্যা বাজার এবং নতুন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, খুচরা বাজারে  প্রতি কেজি আলু প্রকারভেদে ৩০ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে।
খুচরা বাজারে আলু কিনতে আসা সাধারণ ক্রেতাদের চোখে মুখেও ছিল আতঙ্ক। বাজার করতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী রায়হান বলেন, ভারত থেকে আলু আমদানি শুরু হওয়ায় আলুর দাম কিছুটা কমেছে। তবে সরকার বাজারে সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে দাম আবারও বাড়বে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com