বসন্তের আগমনে মধু মাসের বার্তা নিয়ে যশোর জেলার মনিরামপুর, কেশবপুর সহ বিভিন্ন উপজেলায় গাছে গাছে ফুটেছে আমের মুকুল। ভোরের সোনালী রোদ্দুরে মুকুল গুলো যেন প্রতিদিন প্রানবন্ত হয়ে ওঠে, শুভ্র বাতাসে মুকুলের মিষ্টি সুবাসে,মৌমাছির মধু আহরনের গুনগুন শব্দে আর মৌ মৌ ঘ্রাণে পুরা এলাকা হয়ে উঠেছে প্রাণবন্ত। গ্রামবাংলার প্রকৃতিতে ছড়িয়ে পড়া এই ঘ্রাণ মনে করিয়ে দেয় পল্লীকবি জসীম উদ্দিন–এর ‘মামার বাড়ি’ কবিতার চিরচেনা আবহ। ঝড়ের দিনে মামার দেশে,আম কুড়াতে সুখ……..এই আম কুড়ানোর সুখের যে অনুভূতি তা এবারের আমের মুকুল দেখে জনমনে আনন্দের আভাস বইয়ে দিচ্ছে
সরেজমিনে দেখা গেছে, বাড়ির আঙিনা থেকে শুরু করে বিস্তীর্ণ আমবাগান—সবখানেই হলুদ-সবুজ মুকুলের সমারোহ। কোথাও কোথাও পুরা গাছটাকে ঢেকে দিয়েছে মুকুলে। আম চাষীদের সঙ্গে আলাপকালে জানায় এ বছর তুলনামূলক বেশি মুকুল এসেছে, যা ভালো ফলনের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। ব্যক্তি উদ্যোগে নতুন নতুন আমবাগান গড়ে ওঠায় জেলাটি আম উৎপাদনে সম্ভাবনাময় হয়ে উঠছে।
আমচাষিরা জানান, হিমসাগর, আম্রপালি,গোবিন্দভোগসহ বিভিন্ন জাতের আমগাছে ইতোমধ্যে মুকুল এসেছে। রোগবালাই প্রতিরোধে চলছে পরিচর্যা ও কীটনাশক স্প্রে । তবে আমচাষী দের মনে আশংকা জলবায়ু পরিবর্তনের কারনে যদি প্রচন্ড খরা এবং ঝড় হয়,তাহলে আমের মারাত্মক ক্ষতি সহ অর্থনৈতিক হুমকির মুখে পড়ার সম্ভাবনা থেকেই যায়।