1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ০২:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নড়াইল টিটিসি: প্রশিক্ষণ এখন ‘ভাতাভোগী’ সিন্ডিকেটের দখলে ইবিতে আজ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় অ্যাথলেটিক্স-বাস্কেটবল শুরু, উদ্বোধনে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক ‘ওয়েট অ্যান্ড সি, আমরাই জিতবো’: ভোটের ফলাফল নিয়ে মমতার জরুরি বার্তা আগে বায়তুল মালের চাঁদা নাকি বউয়ের চিকিৎসা? এমপি মাসুদকে রাশেদ ‘ফ্লোরিডায় শিক্ষার্থী হত্যার ঘটনা তদন্তে যোগাযোগ রাখছে সরকার’ আমার জীবনে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় শুরু হলো: মাহমুদা মিতু পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা শুরু, এগিয়ে বিজেপি সংসদে বিরোধী দলকে তাদের মত প্রকাশের স্বাধীনতা দিতে হবে: মঈন খান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদে নিজেদের হিপোক্রেসির কথা প্রকাশ করেছেন: হাসনাত আব্দুল্লাহ ৩০ লাখ কোটি টাকা ঋণের বোঝা নিয়েই কাজ শুরু করেছি: প্রধানমন্ত্রী

লক্ষ্মীপুরে চাকুরী দেওয়ার নাম করে প্রতারণা করলেন চেয়ারম্যান মানিক , ভুক্তভোগীর আহাজারি

ডালিম কুমার দাস
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৪
  • ২১০ বার পড়া হয়েছে
লক্ষ্মীপুরে গ্রাম পুলিশে চাকরি দেওয়ার নামে এক যুবকের কাছ থেকে দেড় লাখ টাকা নিয়েছে ইউপি চেয়ারম্যান। শনিবার (৬ এপ্রিল)  চাকরি না পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কার্যালয়ের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়ে হাফিজ উল্লাহ । এসময় তার চিৎকারে আকাশ বাতাস ভারি হয়ে যায়। ঘটনাটি ঘটে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ১৯ নং কুশাখালী ইউনিয়নে। অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান সালাহউদ্দিন মানিক সদর উপজেলার ১৮ নং কুশাখালি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান।
ভুক্তভোগী যুবক ওই ইউনিয়নের নলডগি গ্রামের রিক্সা চালক সেকান্তর মিয়ার ছেলে।  ভুক্তভোগী হাফিজ উল্লাহ বলেন, চেয়ারম্যান আমাকে গ্রাম পুলিশের (চৌকিদার) চাকরি দিবে বলে বিভিন্ন সময় টাকা দাবি করে। ওনার কথায় আমি গরু চাগল বিক্রি করে রিন নিয়ে দেড় লাখ টাকা দিয়েছি। একই সঙ্গে শিক্ষাগত যোগ্যতা সহ প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র দিয়েছিলাম। কিন্তু ওনি আমাকে চাকরি দেয়নি। আজ জানতে পারলাম ওনি আমার আবেদনই করেনি। উপজেলা নির্বাহী কার্যালয়ে চেয়ারম্যানের কাছে জানতে চাইলে তিনি আজকের পরীক্ষা কার্যক্রম বাতিল করা হবে বলে জানিয়ে চলে যান।
হাফিজ উল্লাহ আরও বলেন, আমার ব্যবহৃত অটোরিকশা ও গরু বিক্রি এবং ঋণ নিয়ে চেয়ারম্যানকে টাকাগুলো দিয়েছি। এখন আমার চাকরি হয়নি। আমি এলাকা যাবো কিভাবে। এলাকায় গেলে ঋণের টাকার জন্য মানুষ চাপ দিবে। কিভাবে তাদের টাকা দিবো। আমি এই অনিয়মের নিয়োগ বাতিল চাই। আমার টাকা ফেরত চাই। তবে বিষয়টির সত্যতা জানতে অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন মানিককে বার বার ফোন দিয়েও পাওয়া যায়নি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আরিফুর রহমান বলেন, টাকা নেওয়ার কোন সুযোগ নেই। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ ফেলে সে যে হোক তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রসঙ্গত, শনিবার (৬ এপ্রিল) সদর উপজেলার ১৭টি ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশের নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৩৬জনের বিপরীতে পরীক্ষায় ৪৩জন অংশ নেয়।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com