1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভোটের ময়দানে প্রথম নির্বাচনেই বাজিমাত থালাপতি বিজয় রাজবাড়ীতে বজ্রপাতে প্রাণ গেলো বাবার,কোল থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণে বাঁচল শিশুসন্তান সাতক্ষীরার নিকটবর্তী কদমতলা বাজারে সাশ্রয়ী দামে সবজি, কেনাবেচা বর্ষা আসার আগেই বাগেরহাটে জলাবদ্ধতা, শহরজুড়ে পানি দ্রুত ব্যবস্থা চান স্থানীয়রা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শালিক “মুনু”, মানুষ আর পাখির ব্যতিক্রমী ভালোবাসা রাজবাড়ীতে বজ্রপাতে প্রাণ গেলো বাবার,কোল থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণে বাঁচল শিশুসন্তান নলডাঙ্গায় মেয়র প্রার্থী জিয়ার উদ্যোগে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কালার প্রিন্টার প্রদান ঝড়ে নারকেল গাছ ভেঙে স্কুলে, আহত একাধিক শিক্ষার্থী ধান কাটার মৌসুমে বৃষ্টির হানা, বিপাকে নবাবগঞ্জের কৃষক কাঠালিয়ায় বালুবোঝাই ট্রলি থেকে ছিটকে চালকের মৃত্যু

মোংলায় আগুনে ৩টি দোকান ভস্মীভূত

মোঃ মারুফ বাবু
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ২২৯ বার পড়া হয়েছে

মোংলায় ফার্নিচারের দোকানসহ আগুনে পুড়ে গেছে ৩টি দোকান। রোববার (৩১ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে পৌর শহরের কবরস্থান রোড এলাকার বান্ধাঘাটার দোকানগুলোতে এ ঘটনা ঘটে।খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন।এতে প্রায় ৬/৭ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।

এলাকাবাসী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, হঠাৎ করেই আগুনের শিখা দেখতে পেয়ে মোংলা ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয় স্থানীয়রা।পরে ফায়ার সার্ভিসের ২টি ইউনিটের আধা ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। স্থানীয়দের ধারণা ইলেকট্রনিক্সের দোকানের বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।
এর আগেই হারুন শিকদার (৬০) এর দর্জির দোকান, মোঃমাসুদ শিকদার (২৯) এর ইলেক্ট্রনিক্সের দোকান ও মোঃ ফারুক হোসেন (৫০) এর ফার্নিচারের দোকানের ভিতরে থাকা সব মালামাল পুড়ে যায়। এবং বাবুল ফকির (৫৫) এর চায়ের দোকানের কিছু মালামাল পুড়ে যায়। এতে প্রায় ৬/৭ লক্ষ টাকার ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের।
মোংলা ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশন ইনচার্জ মোঃ লিটন হাওলাদার বলেন, আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি তাৎক্ষণিক জানাতে পারছি না।তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে শর্টসার্কিটের মাধ্যমে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ফারুক হোসেনের স্ত্রী জানান, আমরা ঋণ নিয়ে ব্যবসা শুরু করেছিলাম।আগুন আমাদের সব কেড়ে নিয়েছে।আমরা এখন কিভাবে এই ঋন শোধ করবো?
এদিকে আগুন লাগার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন,উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা নারায়ণ চন্দ্র পাল, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো: হাবিবুর রহমান,মোংলা পোর্ট পৌরসভার মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আ: রহমান, উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহীম হোসেন,পৌর আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব শেখ কামরুজ্জামান জসিম, মোংলা-রামপাল সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ মুশফিকুর রহমান তুষার ও থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কেএম আজিজুল ইসলাম।
মোংলা পোর্ট পৌরসভার মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আ: রহমান বলেন,শর্টসার্কির্ট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। ফায়ার সার্ভিস সময় মত এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে।তাদের ব্যবসা যেনো আবারও চালু করতে পারে এজন্য আমার ও পৌরসভার পক্ষ থেকে যতটুকু পারি যহযোগীতা করবো।
মোংলা-রামপাল সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ মুশফিকুর রহমান তুষার জানান, আগুন লাগার খবর শুনেই চলে আসি। এসে দেখি তিনটি দোকান পুড়ে ভস্মীভূত হয়ে গেছে। আগুন লাগার কারণ জানাতে পারছি না। তবে আগুনের ধরণ দেখে মনে হচ্ছে। শর্টসার্কিটের মাধ্যমে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com