1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০২:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মিঠাপুকুরে উপজেলা নাগরিক ফোরামের ত্রৈমাসিক সভা ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের বিরুদ্ধে আবারও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ নন্দীগ্রামে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে ডিবির অভিযানে তিন নারী ১৭ পিস ইয়াবাসহ আটক ভাঙ্গুড়ায় এমআর টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত নিখোঁজের একদিন পর ইটভাটার পুকুরে ভেসে উঠেছে কিশোরীর মরদেহ স্বাধীনতা পদক গ্রহণ করলেন হানিফ সংকেত মুঘল সম্রাট বাবরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তুলনা করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেলে কার্ডে অনিয়ম ও ভুয়া সাংবাদিকতার প্রতিবাদে লক্ষ্মীপুরে জেলেদের মানববন্ধন সাতক্ষীরায় মোজাহেরের তেলের পাম্পে তীব্র জ্বালানি সংকট, ভোগান্তিতে বাস মালিক ও যাত্রীরা

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা পদক ২০২৫: মাতৃভাষা সংরক্ষণে বিশেষ অবদানের জন্য মনোনীত হলেন গবির অধ্যাপক আবুল মনসুর মুহম্মদ আবু মুসা

Md. Abdullah
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ৯০৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলা ভাষার সংরক্ষণ, পুনরুজ্জীবন ও বিকাশে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা পদক ২০২৫-এর জন্য মনোনীত হয়েছেন গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের (গবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক আবুল মনসুর মুহম্মদ আবু মুসা।
রবিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অধ্যাপক আবুল মনসুর মুহম্মদ আবু মুসার দীর্ঘদিনের ভাষাবিজ্ঞান গবেষণা ও মাতৃভাষার বিকাশে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে এই সম্মাননা প্রদান করা হচ্ছে। নিজের মনোনয়ন প্রসঙ্গে অধ্যাপক আবুল মনসুর মুহম্মদ আবু মুসা বলেন, “দীর্ঘ সময় ধরে গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করছি। আমার গবেষণার মূল ক্ষেত্র ভাষাবিজ্ঞান, যেখানে এখনো বেশ কিছু কাজ বাকি আছে। এই সম্মান শুধু আমার একার নয়, আমার সহকর্মীদেরও। তাদের সহযোগিতায়ই আজকের এই অর্জন।” বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন এই অর্জনকে গর্বের বলে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, “আমাদের অধ্যাপক মনসুর মুসার এই অর্জন আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়। সমাবর্তনের পর তার গবেষণা কার্যক্রম ও অর্জন নিয়ে শিক্ষার্থীদের জানাতে আমরা একটি বিশেষ আলোচনা সভার আয়োজন করব।” এ বছর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা পদক পাচ্ছেন আরও দুই ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠান: জোসেফ ডেভিড উইন্টার – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জীবনানন্দ দাশের রচনাবলি অনুবাদ এবং বাংলা ভাষার আন্তর্জাতিকীকরণে অবদানের জন্য। বাংলাদেশ দূতাবাস, প্যারিস – বাংলা ভাষার প্রসারে প্রতিষ্ঠানগত উদ্যোগের জন্য।
উল্লেখ্য, ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এই সিদ্ধান্তের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ২১ ফেব্রুয়ারি বেলা ৩টায় ইউনেস্কো আয়োজিত অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বার্তা দেবেন। এই আয়োজনে মনোনীত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা পদক ২০২৫ প্রদান করা হবে। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা পদক বিজয়ীদেরকে প্রদান করা হবে—
* ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের ৩৫ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণপদক ।
*  সম্মাননাপত্র।
* ৪ লাখ টাকা বা সমমূল্যের বৈদেশিক মুদ্রা।
বাংলা ভাষার সংরক্ষণ ও বিকাশে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে অধ্যাপক আবুল মনসুর মুহম্মদ আবু মুসার এই অর্জন বাংলা ভাষার গবেষণা জগতে অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। এই সম্মাননা মাতৃভাষার প্রতি দায়বদ্ধতা বাড়ানোর পাশাপাশি গবেষকদের আরও উৎসাহিত করবে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com