পলাশবাড়ীতে ৭টি অবৈধ ইটভাটায় অভিযান চালিয়ে ৪২ লাখ টাকা জরিমানা আদায়সহ একটি ইটভাটার চিমনি গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত পলাশবাড়ী উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ৭টি ইটভাটায় এ অভিযান পরিচালনা করে গাইবান্ধা জেলা পরিবেশ অধিদপ্তর। জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক মুহাম্মদ হেদায়তেুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রেস রিলিজ সূত্রে জানা যায়, অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ (সংশোধিত ২০১৯) আইন এর ৫ (২) ও ৮ (৩) ধারা লঙ্ঘণের অপরাধে এ অভিযান পরিচালনা করেন ঢাকা পরিবেশ অধিদপ্তর, সদর দপ্তরের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিজটেস্ট (সিনিয়র সহকারি সচিব) আব্দুল্লাহ-আল-মামুন। এসময় জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক সহকারি পরিচালক মুহাম্মদ হেদায়তেুল ইসলাম ছাড়াও র্যাব, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সমন্বীত টীম উপস্থিত ছিলেন। জরিমানাকৃত ইটভাটা গুলো হলো মেসার্স এ.এফ.জে ব্রিকস্, মেসার্স চৌধুরী ব্রিকস্, মেসার্স এম.এম.বি ব্রিকস, মেসার্স হাজী ব্রিকস, মেসার্স বি.বি.এফ ব্রিকস, মেসার্স চৈতালী ব্রিকস ও মেসার্স জনতা ব্রিকস। প্রত্যেকভাটাকে ৬ লাখ টাকা করে মোট ৪২লক্ষ টাকা জরিমানা করে আদায় করা হয়। অপরদিকে; পলাশবাড়ীর পার্শ্ববর্তী সাদুল্লাপুর উপজেলার কুঞ্জমহিপুর এলাকায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন মেসার্স এস.আর.বি ব্রিকস-এর চিমনি গুঁড়িয়ে দেয়া হয়। উল্লেখ্যঃ মেসার্স এ.এফ.জে ব্রিকস্, মেসার্স এম.এম.বি ব্রিকস ও মেসার্স চৌধুরী ব্রিকস এই ৩ টি ইট ভাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালত সরেজমিনে উপস্তিত হয়ে জরিমানা করে আদায় করলেও বাকি ৪টি ইটভাটা মালিককে মেসার্স চৌধুরী ব্রিকসে ডেকে নিয়ে জরিমানা করে আদায় করায় সচেতন মহলের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। এব্যাপারে গাইবান্ধা জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক মুহাম্মদ হেদায়েতুল জানান, সময় সল্পতায় এটা করা হয়েছে, এখানে প্রতিক্রিয়ার কি আছে।গত শুক্রবার (২১ মার্চ) সব ভাটা পরিদর্শন করা হয়েছে,কোন ভাটার কি কাগজ আছে,সব আমাদের জানা।গুগল ম্যাপে সব কিছুই আছে।