1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০৩:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে বিএনপি নেতার মানহানি মামলা, আদালতের সমন জারি কোনো অপমান সহ্য করবে না ইরান: পেজেশকিয়ান ব্যক্তিগত জীবনের কিছু কঠিন সময়ের প্রতিফলন: গোলের পর কান্না করার কারণ জানালেন মেসি বেআইনিভাবে ৫ হাজার মুসলিমকে পুশব‍্যাক করেছে শুভেন্দু রাজধানীর জলাবদ্ধতা নিরসনে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মায়ের নামে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আবেদন বিএনপির সংসদ সদস্যের পদ্মা রেলসেতুর পিলারের নিচ থেকে মাটি কেটে নেওয়া হয়েছে, বিষয়টা এ রকম না: সেতুমন্ত্রী ময়মনসিংহে উপজেলা রিসোর্স টিমের সদস্যদের নিয়ে গ্রাম আদালত বিষয়ে রিফ্রেশার প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত নালিতাবাড়ীতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তি, বাইসাইকেল ও সেলাই মেশিন বিতরণ রূপপুরের প্রথম ইউনিটে শনাক্ত কারিগরি বিচ্যুতি উদ্বেগজনক নয়: এনপিসিবিএল

শ্রীপুরে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে ঘাতক স্বামী

মো: সুমন মাহমুদ
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৫
  • ১৭৬ বার পড়া হয়েছে

গাজীপুরের শ্রীপুরে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার পর মরদেহ ঘরের মেঝেতে রেখে ঘর তালাবদ্ধ করে শ্বশুরকে ফোন করে জানায় ঘাতক স্বামী। শ্বশুরকে ফোন করার পরপরই পালিয়ে যায় ঘাতক স্বামী। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে রক্তাক্ত গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার(২৪ এপ্রিল) বেলা ১১ টার দিকে উপজেলার মাওনা ইউনিয়নের কপাটিয়াপাড়া গ্রামের কামরুজ্জামানের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত গৃহবধূ নাদিরা আক্তার (২৬) ময়মনসিংহ জেলার ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার ঝিকাতলা মাইজহাটি গ্রামের নজরুল ইসলামের মেয়ে। তিনি জনৈক কামরুজ্জামানের বাড়িতে ভাড়া থেকে স্থানীয় মেঘনা গ্রুপের একটি তৈরি পোশাক কারখানায় শ্রমিকের কাজ করতেন। অভিযুক্ত আমিনুল ইসলাম (৪০) একই উপজেলার মো. ফখরুদ্দিনের ছেলে। তিনি স্থানীয় একটি কারখানায় শ্রমিকের কাজ করেন। নিহতের বাবা নজরুল ইসলাম বলেন, বেলা ১১ টার দিকে মেয়ের জামাই আমিনুল ইসলাম আমাকে ফোন করে বলে আপনার মেয়েকে মেরে ফেলছি। আপনি এসে লাশ নিয়ে যান। এই কথা বলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। এরপর আমি কল করলে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এরপর মেয়ের নাম্বারে ফোন করলে নাম্বার বন্ধ পাওয়া যায়। নিহত গৃহবধূর ছোটভাই রাজিব মিয়া বলেন, আমি শ্রীপুরে একই বাসা ভাড়া থেকে স্থানীয় একটি কারখানায় কাজ করি। আমি আর আমার বোন একই বাসায় ভাড়া থাকি। আপা নিচতলায়। আমি দোতলায়। সকাল সাড়ে ৭ টার দিকে আমি কর্মস্থলে যায় তখন বোনের ঘরের দরজায় তালাবদ্ধ দেখতে পায়। বেলা ১১ টার কিছু সময় পর বাবা ফোন করে ঘটনার বিস্তারিত জানায়। আমি দ্রুত সময়ের মধ্যে বাসায় ফিরে দেখি বোনের ঘর তালাবদ্ধ। এরপর ঘরের তালাভেঙে বোনের রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পাই। তিনি আরও জানান, প্রতিদিন সকালে কর্মস্থলে যাওয়ার সময় আপার সঙ্গে কৌশল বিনিময় হতো। আপা আমাকে সাবধানে কাজ করতে বলতেন। তালাবদ্ধ ঘর দেখে মনে করছি আপা কর্মস্থলে চলে গেছে। এটা তো জানতাম না নিষ্ঠুর দুলাভাই আপাকে খুন করে ঘর তালাবদ্ধ করে পালিয়ে গেছে। তিনি আরও জানান, আপাকে বিয়ে করার আগেও সে আরেকটা বিয়ে করে। সেই বউকেও হত্যার পর জেল খেটেছে। বিয়ের পর বিষয়টি জানতে পারি। আপাকে বিয়ে দেয়ার পর থেকে খুবই নির্যাতন করতেন। বাড়ির মালিক কামরুজ্জামান বলেন, ঘটনাটি জানার পরপরই শ্রীপুর থানা পুলিশকে অবহিত করি। এই দম্পতি দীর্ঘ ছয়বছর যাবৎ আমার বাসায় ভাড়া থাকে। মাওনা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ হাসমতউল্লাহ বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল হতে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এই মুহুর্তে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি হচ্ছে। সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে। তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে ধারালো কোন অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এবিষয়ে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com